বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » কুমিল্লায় তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা শুরু ।। কাল আখেরী মোনাজাত


কুমিল্লায় তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা শুরু ।। কাল আখেরী মোনাজাত


আমাদের কুমিল্লা .কম :
29.12.2016

মাহফুজ নান্টু:  রাজধানী ঢাকার টুঙ্গীর তুরাগ নদীর চরে বিশ্ব ইজতেমার চাপ কমাতে চলতি বছর কুমিল্লার গোমতী নদীর চরে তিনদিন ব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ইজতেমার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হচ্ছে আজ। আগামীকাল শনিবার আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে প্রথম বারের মত বিশ্ব ইজতেমার কুমিল্লার  অংশের আয়োজন সমাপ্ত হবে।
গতকাল  বৃহস্পতি বার কুমিল্লা গোমতী নদীর আলেখার চর এলাকায়  ইজতেমাস্থান ঘুরে দেখা যায় প্রায় ৫ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণের  টার্গেট নিয়ে প্যান্ডেল করা হয়েছে। বৃস্পতিবার থেকে কুমিল্লায় শুরু হওয়া  ৩ দিনব্যাপী কুমিল্লা জেলার ইজতেমায় আখেরী মোনাজাত হবে আগামী দিন শনিবার।
জেলা সদরের অদূরে আলেখার চর (আমতলী) এলাকায় গোমতী নদীর তীরে ইজতেমা উপলক্ষে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।  স্থানীয়  সূত্র ও ইজতেমা কমিটির অন্যতম সদস্য  কাউসারুজ্জামান থেকে জানা যায়, গোমতী নদীর চরে প্রায় পৌনে ১০ লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে ইজতেমার প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের দেখভালের জন্য প্রায় ১৫০ জন লোক রয়েছেন। আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সুন্দরভাবে ইজতেমা শেষ করার জন্য আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। ইজতেমায় কমপক্ষে ৫ লাখ মুসল্লির সমাবেশ হতে পারে।  মাওলানা মফিজুল ইসলাম জানান,কুমিল্লার ১৬ উপজেলার থেকেই মুসল্লিরা আসবেন এই ইজতেমায়।  তিনি আরো বলেন, ইজতেমায় বিভিন্ন দেশের প্রায় শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ  করেছেন। ইজতেমার বয়ান যেন সবাই শুনতে পান সে জন্য ১২ শতাধিক মাইক স্থাপন করা হয়েছে । বয়ানে অংশ নেবেন দেশের প্রখ্যাত আলেমগণ ছাড়াও তাবলীগ জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
প্রথমবারের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লার গোমতী নদীর চরে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। তাই ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের জন্য নিরাপত্তার বিষয়টি  অত্যন্ত স্পর্শ কাতর। ইজতেমা মাঠের নিরাপত্তা বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন জানান, ইজতেমায় আগত মেহমানদের সার্বিক নিরাত্তায় ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গতকাল থেকেই ১২ শতাধিক পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। পাঁচটি ওয়াচ টাওয়ারে সকল কার্যক্রম লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। এছাড়াও  সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে।যাতে করে,   ইজতেমা মাঠে আগতদের অবস্থান ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা যায়। ।
ক্রইম প্রিভেশন কোম্পানি,সিপিসি-২ র‌্যাব ১১ শাকতলা,কুমিল্লা কোম্পানি কমান্ডার  মেজর মোস্তফা কায়জার জানান, ইজতেমায় কোন দুর্বৃত্তরা যেন নাশকতামুলক কার্যক্রম না করতে সে জন্য জেলা পুলিশের মত আমাদের নিয়মিত টহলের পাশাশি বিশেষ টহল জারি থাকবে।