শুক্রবার ১৬ GwcÖj ২০২১


শিক্ষকদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কুবিতে অচলাবস্থা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
25.01.2017

# যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে শিক্ষকদের মধ্যে সংঘর্ষ
# আমার মুখের সামনে যারা আঙ্গুল তুলে ঔদ্ধত্য দেখায়, তাদের বিচার করবে কে :ভিসি
# ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের শিক্ষকদের দুই গ্রুপকে সমর্থন
# শিক্ষকদের রাজনীতির বলির পাঠা হতে চাই না- শিক্ষার্থীরা
শাহাজাদা এমরান।।
ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের রাজনীতির বলির পাঠা হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। গত ৪ দিন পরে কুবির সাবেক প্রক্টর ও নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হকের নেতৃতা¡ধীন গ্রুপের ৬ দফা আন্দোলনের কারণে কুবির সকল ক্লাশ পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। এই গ্রুপের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কারণে অসহায় কুবি উপাচর্য ড.প্রফেসর আলী আশরাফ সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, যে সকল শিক্ষক আমার সামনে আঙ্গুল তুলে কথা বলে, টেবিল চাপড়ায় তাদের বিচার করবে কে ? এ দিকে, শিক্ষকদের বিবদমান দুই গ্রুপ আবার নিজের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিবদমান দুই গ্রুপকে কাছ টানছে। দেশের সর্বোচ্চ এই শিক্ষাপীঠের শিক্ষকদের আন্দোলনে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে সংঘর্ষ। গত ৪ দিন ধরে ক্লাশ পরীক্ষা বন্ধ থাকার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মত আন্দোলন করা সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, আমরা শিক্ষকদের আন্দোলনের বলির পাঠা হতে পারব না। আজ বুধবার ক্লাশ না হলে প্রশাসনিক ভবনে তারা তালা লাগিয়ে দিবেন বলে জানিয়েছেন। সব কিছু মিলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থা সামগ্রিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে।
জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুবি শিক্ষক পরিষদের পদ- পদবি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে এবার বঙ্গবন্ধু পরিষদই পৃথক দুটি প্যানেলে নির্বাচন করে। কুবির সাবেক প্রক্টর ও নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হক গ্রুপের সভাপতি প্রার্থী হন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ,বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড.মু. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হন কবি নজরুল হলের প্রভোস্ট ও মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান। আর বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিদ্রোহী গ্রপের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিশ্বজিত চন্দ্র দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন বর্তমান প্রক্টর ও অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. কাজী মো. কামাল উদ্দিন। নির্বাচনে সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হক গ্রুপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সবাই জয়লাভ করেন।ফলে স্বাভাবিক ভাবেই কোণঠাসা হয়ে পড়েন বিশ্বজিত-কাজী কামালের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিদ্রোহী গ্রুপটি।
নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের মূলধারার প্রভাবশালী নেতা মো.আইনুল হকের প্রক্টর হিসেবে দুই বছর মেয়াদ শেষ হলে কুবি ভিসি তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে তাকে আরো এক বছর প্রক্টর হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেন। যার মেয়াদ শেষ হয় চলতি মাসের ১২ তারেিখ। ওই দিনই ভিসি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে সেক্রেটারি নির্বাচন করা অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. কাজী মো. কামাল উদ্দিনকে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেন। যা কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হকের নেতৃত্বাধীন শিক্ষক পরিষদসহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের অপর অংশটি। মূলত এখান থেকেই বঙ্গবন্ধু পরিষদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি চূড়ান্তরূপ লাভ করে। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া বিদ্রোহী গ্রুপের সেক্রেটারি প্রার্থী কাজী কামাল উদ্দিনকে বর্তমান শিক্ষক পরিষদকে না জানিয়ে কেন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো এবং অবিলম্বে কেন এই নিয়োগ বাতিল করা হবে না এই বিষয়ে আইনুল গ্রুপ ভিসির উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। কুবি ভিসি অবৈধ হস্তক্ষেপ না মেনে নিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও বাহিরের কয়েকটি বিষয় যোগ করে ৬ দফা দাবি নিয়ে মাঠে নামে সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হকের গ্রুপটি। আর ভিসি ড. প্রফেসর আলী আশ্রাফের সরাসরি বিরোধী হয়ে উঠে এই অংশটি। যার কারণে গত বৃহস্পতিবার থেকে কুবির সকল ক্লাশ ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের ৬ দফা : ১৭ জানুয়ারি রাতে কুবির দুই শিক্ষক একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ তারিক হোসেন এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক আশিখা আক্তারের বাসায় পরিকল্পিত হামলার দ্রুত রহস্য উদঘাটন করে হামলাকারী ও তার মদতদাতাদের গ্রেফতার ও বিচার করা, তদন্ত চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এম এম শরীফুল করিমকে সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিতে শিক্ষক পরিষদের একজন প্রতিনিধিকে অর্ন্তভুক্তকরণ, বিভিন্ন ঘটনায় বিতর্কিত প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীনকে সকল ধরনের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া, উপচার্যের উপস্থিতিতে শিক্ষক নেতাদের লাঞ্ছনাকারী অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমানকে আইকিউএসি থেকে অপসারণ ও উক্ত ঘটনার বিচার করা, ১ আগস্ট ঘটে যাওয়া কুবি ছাত্র খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকা-ের বিচার নিশ্চিত করা।
ভিসির সাথে শিক্ষক পরিষদের দ্বন্দ্বের শুরু : কুবি উপাচর্য ড.প্রফেসর আলী আশরাফের চার বছর মেয়াদের ইতিমধ্যে তিন বছর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এখন চলছে শেষ বর্ষের কার্যক্রম। বর্তমানে যে সকল শিক্ষকবৃন্দ ভিসি বিরোধী আন্দোলন করছেন গত ৩ বছরে তারা ছিল তাঁর সবচেয়ে বেশি বেনিফিশিয়ারি। হঠাৎ করে এই দ্বন্দ্বের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে কুবি ঘুরে জানা যায়, গেল বছরের ১৫ ডিসেম্বর শিক্ষক পরিষদের নির্বাচনের ঠিক আগের দিন ১৪ ডিসেম্বর বর্তমান শিক্ষক পরিষদ নেতৃবৃন্দ একটি ম্যাগাজিনের প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করে ভিসিকে প্রধান অতিথি ও ট্রেজারার প্রফেসর কুন্ডুগোপী দাসকে বিশেষ অতিথি করতে গেলে ভিসি ড. আলী আশ্রাফ তাতে বাধা দিয়ে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমি যদি এখন তোমাদের এই অনুষ্ঠানে যাই তাহলে প্রতিপক্ষ মনে করবে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য আমি গিয়েছি। তোমরা অনুষ্ঠান নির্বাচনের পরে কর। কিšুÍ শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের কথায় অটল থেকে অনুষ্ঠান করলে ভিসি আর ওই অনুষ্ঠানে যান নি। ফলে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আইনুল হক অংশটি মনে করে ভিসি তাদের পক্ষে নেই। এখান থেকেই মূলত তাদের ভিসি বিরোধী মনোভাব গড়ে উঠে।
আইনুল হকের বক্তব্য : কুবির সাবেক প্রক্টর , বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সভাপতি ও গ্রুপের প্রভাবশালী নেতা সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হক জানান, আমরা সুনির্দিষ্টভাবে ৬টি দাবি নিয়ে উপাচার্র্য মহোদয়ের কাছে দিয়েছিলাম। কিন্তু আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি কোন দাবি পূরণ করেননি। ফলে আমাদের আন্দোলন করা ছাড়া আর কোন গন্তব্য নেই। কাজী কামাল উদ্দিন একজন বিতর্কিত লোক। তার নামে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিয়েছি, শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীর বিচার চেয়েছি। তদন্ত যাতে প্রভাবিত না হয় , সে জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের তার দায়িত্ব থেকে শুধুমাত্র সাময়িক অপসারণ চেয়েছি, শিক্ষকের বাসায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা দিতে বলেছি কিন্ত ভিসি আমাদের কোন কথা রাখেন নি। তার কাছে বিচার চাইতে গিয়ে ড. সৈয়দুর রহমানের হাতে আমরা অপমানিত হয়েছি। আর এখন তিনি বলেছেন, আমাদের শিক্ষকেরা ভিসি সাহেবের দিকে আঙ্গুল তুলে কথা বলেছেন, টেবিল চাপড়িয়ে কথা বলেছেন, যা সঠিক না।
প্রক্টরের বক্তব্য : কুবি প্রক্টর ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের অপর অংশের প্রভাবশালী নেতা ড. কাজী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, উপাচার্য মহোদয়ের শেষ বর্ষে এসে বিভিন্ন অন্যায় দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে তারা। আমাকে প্রক্টর নিয়োগ দেওয়ার পর তারা বলছে আমার ভূমিকা বিতর্কিত ছিল। অথচ, এই আইনুল হক সাহেবের সাথে আমি তিন বছর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সেক্রেটারি ছিলাম। তখন তো আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ তোলেনি। ক্যাম্পাসের বাইরে বসবাস করা শিক্ষকদের বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। কুবি প্রশাসন ও পুলিশের কাছে ক্ষতিগ্রস্থ দুই শিক্ষক বলেছে, তাদের বাসায় ডাকাতি হয়েছে আর তারা এখন বলছে দুই শিক্ষকের বাসায় নাকি হামলা করা হয়েছে। ভিসি মহোদয় বলেছে, মামলা করতে কিন্ত তারা চাচ্ছে প্রশাসন করতে। বাইরের বিষয় নিয়ে প্রশাসন কোন ভাবেই মামলা করতে পারে না।
কুবি ভিসির বক্তব্য : কুবি উপাচর্য ড.প্রফেসর আলী আশরাফ গতকাল মঙ্গলবার তার অফিস কক্ষে কথা বলে জানান, তার বেদনার কথা। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমার শিক্ষকরা শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচার চান ভিসির কাছে। যা অত্যন্ত যৌক্তিক। কিšুÍ বিশ্¦বিদ্যালয়ের ভিসিকে যখন শিক্ষকরা মুখে সামনে আঙ্গুল উচিয়ে কথা বলেন, ভিসির সামনে টেবিল চাপড়িয়ে ধমক দিয়ে কথা বলেন তখন এর বিচার কে করবে ?
তিনি শিক্ষকদের ৬ দফা দাবির অধিকাংশগুলো মানা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, এখনো কেন তারা ক্লাশ পরীক্ষায় ফিরে যাচেছ না ?তিনি বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীর ঘটনার ট্রেজারারকে আহ¦ায়ক, সিন্ডিকেট দুই সদস্য কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান ও চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে দিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি করেছি। তারপরেও তাদের দাবির কারণে শিক্ষক পরিষদ সভাপতি আবু তাহেরকে কো-অপ্ট করেছি, দুই শিক্ষকের বাসায় হামলা বলেন আর ডাকাতি বলেন ঘটনা ঘটেছে ক্যাম্পাসের বাইরে। আমরা বলেছি, ভিকটিম মামলা দেবে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব। কিšুÍ তারা বলছে , আমাদেরকে মামলা দিতে, যা কোন নিয়মে পড়ে না। নিয়ম অনুয়ায়ী আইনুল হকের মেয়াদ শেষ হলে আমি কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে প্রক্টর করি। এখন তারা বলছে আমি তাকে বাদ দিতে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া আমি কেন তাকে বাদ দেবো। খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যা মামলা তারা বলেছিল সিন্ডিকেটে উঠাতে। আমি এজেন্ডা দিয়ে গত ৩০ নভেম্বর সভায় উঠিয়েছি। পরে ৪জন শিক্ষক প্রতিনিধি যারা সিন্ডিকেট সদস্য তারা বলল, যেহেতু এখন পরীক্ষা আগামী সিন্ডিকেট মিটিংয়ে উঠালেই হবে। আমার রুমে তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ জন্য অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমানকে আইকিউএসি প্রকল্প থেকে তাকে আমি অপসারণ করতে। এটা কোন কথা হলো ?
আমি বার বার তাদেরকে বলছি, আপনারা ছাত্র-ছাত্রীদের সেজনজটে ফেলবেন না। আপনারা ক্লাশে আসেন। কিন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাশ পরীক্ষা বন্ধ করে কি অর্জন করতে চায় তারা আমি তা বুঝতে পারছি না। তিনি অবিলম্বে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ক্লাশে ফিরে আসার আহবান জানান।
ভিসির সাথে ঔদ্ধত্য আচরণকারী শিক্ষকগণ : চলমান ঘটনাবলী নিয়ে শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে ভিসি ড. প্রফেসর আলী আশ্রাফের সাথে কথা বলতে যান শিক্ষক পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশের নেতৃবৃন্দ। এখানে বার বার ভিসির দিকে আঙ্গুল তুলে তেড়ে আসেন, টেবিল চাপড়িয়ে জোরে কথা বলেন এবং বিভিন্নভাবে ভিসিকে অপমানজনক কথা বলেন মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান , ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী ওমর সিদ্দিকী রানা, বাংলার সহযোগী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান ও গ্রুপ নেতা সহকারী অধ্যাপক মো.আইনুল হক।
আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাও : ক্লাশ পরীক্ষা চালুর দাবিতে গত দুই দিন ধওে মিছিল মিটিং করে যাচ্ছে কুবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার ১২টার মধ্যে ক্লাশ পরীক্ষা শুরু না হলে প্রশাসনিক ভবন তারা তালা ঝুলিয়ে দিবে বলে জানিয়েছে গতকাল মঙ্গলবার।