বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » বালুতুপায় পুলিশের গাড়ি চাপায় যুবক নিহতের অভিযোগে গাড়িতে আগুন ঃ ৩ পুলিশ কে মারধর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন


বালুতুপায় পুলিশের গাড়ি চাপায় যুবক নিহতের অভিযোগে গাড়িতে আগুন ঃ ৩ পুলিশ কে মারধর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
11.03.2017

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুমিল্লা সদর উপজেলার বালুতুপা এলাকায় সদর দক্ষিণ থানা পুলিশকে বহনকারী মাইক্রোবাস চাপায় এক যুবক নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়রা মাইক্রোবাসটিতে আগুন দিয়েছে। অবরুদ্ধ করে পুলিশ সদস্যদের। পরে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশ যুবকের মরদেহটি বালুতুপা এলাকার ফসলী জমি থেকে উদ্ধার করে। নিহত রাসেলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে। নিহত রাসেল নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ভীমপুর গ্রামের মৃত সফিউল¬ার ছেলে।
কুমিল¬ায় পুলিশের ধাওয়ার মুখে দুর্ঘটনায় রাসেল নামের এক যুবক নিহতের ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কুমিল¬া পুলিশ সুপারের নির্দেশে কুমিল¬ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আবদুল¬াহ আল মামুনকে প্রধান করে তিন সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি সাদা হাইএক্স মাইক্রোবাস যোগে শুক্রবার ভোরে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের ৪ জন সদস্য একটি মোটরসাইকেল চালককে সদর দক্ষিণ উপজেলার ভারতের সীমান্তবর্তী লক্ষèীপুর এলাকা থেকে ধাওয়া করে। পরে সদরের বালুতুপা এলাকায় সড়কে এসে মোটরসাইকেলের যুবকটি পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় রাস্তার পাশে পড়ে গিয়ে মারা যায়।
রাসেলের মৃত্যুর জের ধরে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা পুলিশের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ কনস্টেবল খোরশেদ আলম (৪৮), মিজানুর রহমান (৪৭) ও কামাল উদ্দিনকে (৫৫) আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটককৃত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি বলেন,মোটর সাইকেল আরোহীকে থামতে বললে না থেমে চলে যেতে চাইলে পুলিশ তাকে ধাওয়া করে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকটি গাছের সাথে ধাক্কা লেগে নিহত হয়। । পরে উত্তেজিত জনতা মাইক্রোবাসটিতে অগ্নিসংযোগ করে।
কুমিল¬া পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না এবং কোন অবস্থার প্রেক্ষিতে পুলিশ সদস্যদের আটক করে মারধর করা হয় তা তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।