বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে সুস্থ হয়ে উঠছেন রফিয়া খাতুন


সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে সুস্থ হয়ে উঠছেন রফিয়া খাতুন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
06.04.2017

মাহফুজ নান্টু।।
কুমিল্লা সদর উপজেলার রসুলপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে স্বজনদের ফেলে যাওয়া অশীতিপর বৃদ্ধা রফিয়া খাতুন চিকিৎসাধীন রয়েছেন সদর হাসপাতালের নারী ওয়ার্ডে (অর্থপেডিকস)। কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা: মজিবুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

গতকাল কুমিল্লা সদর হাসপাতালের নারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়,পায়ে হাড় ভাঙাজনিত চিকিৎসা চলছে রফিয়া খাতুনের। গত রমজান মাস শুরু হওয়ার একদিন আগে হোঁচট খেয়ে রফিয়া খাতুনের ডান পা ও কোমরের সংযোগস্থল ভেঙে যায়। তবে ডান পা নড়াচড়া না করতে পারলেও খাবার খাওয়া,ঘুমানো, কাউকে ডেকে প্রয়োজনীয় কথা বলাসহ সব কিছু স্বাভাবিকভাবে করতে পারছেন। চোখে স্পষ্ট দেখতে পান। যেকোন স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারছেন। হাড় ভাঙার সমস্যাটি না থাকলে হয়ত হাসপাতাল থেকে রিলিজ হয়ে যেতেন। রফিয়া খাতুনের চিকিৎসা আর খাবার দাবারের প্রতি বেশ সচেতনতা লক্ষ্য করা যায় সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। নাম না প্রকাশ করার শর্তে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স বলেন, রোগীর সেবা করাই আমাদের পেশা। আর বিশেষ করে যখন রফিয়া খাতুনের মত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন,তখন আমাদের দায়িত্ববোধটা বেড়ে যায়। রোগী যখন সুস্থ হয়ে হেসে উঠেন, সেটাই আমাদের চরম প্রাপ্তি।
রফিয়া খাতুনের চিকিৎসার বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা: মুজিব রহমান জানান,প্রথম যখন রফিয়া খাতুনকে হাসপাতালে আনা হয়,তখন অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগছিলেন। অসংলগ্ন কথাবার্তায় বলার পাশাপাশি কাউকে চিনতেও পারতেন না। এখন রফিয়া খাতুন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে তার ডান পা কোমরের সংযোগ স্থলের হাড় ভেঙে যাওয়ায় তিনি হাঁটতে পারবেন না। তবে অন্য সকল কাজ স্বাভাবিক ভাবে করতে পারবেন। মূলত এমন বয়সে হাড় ভাঙলে আর জোড়া লাগানো সম্ভব না। তবে রফিয়া সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে যা প্রয়োজনীয় তা সবকিছুই তিনি করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।