শুক্রবার ১৪ অগাস্ট ২০২০


টি-টোয়েন্টিতে মাশরাফির ফিটনেসের অভাব!


আমাদের কুমিল্লা .কম :
08.04.2017

মাশরাফির অবসর নিয়ে বিসিবি প্রেসিডেন্ট যা বলেছেন সারকথা বুঝতে কারো বাকি নেই। বোর্ড প্রেসিডেন্ট এবং টিম ম্যানেজমেন্টের কারণেই যে হুট করে মাশরাফি টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তা আর কারো অজনা নয়। শুধু তাই নয়, মাশরাফির ফিটনেস নিয়েও প্রকারন্তরে প্রশ্ন তুলেছেন বিসিবি সভাপতি।

গত ক’য়েক দিন ধরে বারবার একটা কথাই বলে যাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এবং তা হলো, মাশরাফি দল থেকে অবসর নেননি,  শুধু অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন। তিনি ফিট থাকলে আবারও টি-টোযেন্টি খেলবেন। যদিও পাপনের কথা মেনে নেননি মাশরাফি। টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার তথা অবসরের ভাঙার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

মাশরাফি আসলে পরিস্থিতির কারণে টি-টোয়েন্টি দল থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। তিন ফরম্যাটের তিনজন অধিনায়কের ফর্মূলায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি তথা টিম ম্যানেজমেন্ট। মাশরাফি তো ওয়ানডেতে অধিনায়কত্ব করছেনই, টি-টোয়েন্টিতে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। সেক্ষেত্রে সাকিব আল হাসানই এক নম্বর পছন্দ। বোর্ড প্রেসিডেন্ট কয়েকবার সাকিবের নামও উল্লেখ করেছেন।

বিসিবির এই সিদ্ধান্তের কথা শ্রীলঙ্কা গিয়েই জানতে পারেন মাশরাফি। আর  এটা জানার ২৪ ঘন্টার মধ্যে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে বসেন মাশরাফি।

তিনি খুবই ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন্। অধিনায়ক ছেড়েও শুধু খেলোয়াড় হিসেবে দলে থাকাটা অপমান হিসেবেই নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। যে কারণে দল থেকেই সরে দাঁড়ান মাশরাফি।

সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী তাকে অবসর ভাঙার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু মাশরাফি তার সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন বলেই মনে করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা। কারণ, তিনি ভালো করেই জানেন, বোর্ড ও টিম ম্যানেজমেন্ট তার ফেরার প্রশ্নে মোটেও আন্তরিক হবে না। মানে বিসিবি সভাপতি যা বলছেন, এটা স্রেফ মুখের কথা ছাড়া কিছু নয়। তারা আসলে এই ফরম্যাটে মাশরাফিকেই দলে চাইছে না।

মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে বারবারই একই কথা বলছেন বিসিবি সভাপতি। বলছেন, ফিট থাকলে সে অবশ্যই আবার টি-টোয়েন্টি খেলবে। পাপনের কথায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে এই ফরম্যাটের জন্য ফিটনেস সমস্যা রয়েছে মাশরাফির? ফিটনেসের কারণেই কী ম্যাশকে ২০ ওভারের ম্যাচে চাচ্ছে না বিসিবি?