শুক্রবার ১৮ অগাস্ট ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কুমিল্লায় বেড়েছে সবজি ও মুরগির দাম


দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কুমিল্লায় বেড়েছে সবজি ও মুরগির দাম


আমাদের কুমিল্লা .কম :
17.06.2017

মাসুদ আলম।। দেশ জুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কুমিল্লার বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচ, বেগুন, পটল, শশা, ঢেড়সসহ অধিকাংশ সবজির দাম বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তমে ব্যাপক হারে কমেছে আমদানিকৃত রসুনসহ কিছু মসলার দাম। সঙ্গে কমেছে চিনি ও পেঁয়াজের দামও। অন্যান্য পণ্যের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। শুক্রবার নগরীর রাজগঞ্জ, নিউ মার্কেট, রাণীর বাজার, বাদশামিয়ার বাজার, টমছমসহ বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে এবং খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
সারাদেশে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া পরিবহন ব্যবস্থাতেও ছেদ পড়েছে। ফলে সবজির দাম বেড়েছে বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগেও এটি বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। একইভাবে কেজিতে গড়ে ১০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য সবজি। বাজারে বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, শশা ৪৫-৫০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা ও চিচিঙ্গা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, কাকরোল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, আলু ১৮-২০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ব্রয়লার মুরগির দামেও বড় উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অতি বৃষ্টির কারণে মুরগি পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। কুমিল্লার চাহিদার বিপরীতে যথেষ্ট পরিমাণ মুরগি আসছে না। ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে। শুক্রবার এটি প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। আগের সপ্তাহেও যা ছিল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগি ১৯৫ টাকা, দেশি মুরগি ৪০০ টাকা, পাকিস্তানি লাল মুরগি ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিম ও মাংসের দাম আগের মতোই আছে। খামারের মুরগির লাল ডিম ২৬ থেকে ৩০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৪৯০ থেকে ৫২০ টাকা এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকারভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, সরপুটি ৩৫০-৪৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০-২৫০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা, প্রকারভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকা, ইলিশ আকারভেদে ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে রসুনের আকাশ ছোঁয়া দাম হঠাৎ যেন মাটিতে নেমে এসেছে। আমদানিকৃত রসুন গত সপ্তাহেও ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। শুক্রবার তা এক ধাপে কমে বিক্রি হয় ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। দেশি রসুন আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে। দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। তবে আমদানিকৃত পেঁয়াজ আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে।
চিনির দামও কেজিতে কমেছে ২-৩ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া ছোলা ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, দেশি মুগ ডাল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, ভারতীয় মুগ ডাল ১২০ টাকা, মাসকলাই ১৩৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১২০ থেকে ১২৫ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫ লিটারের ভোজ্য তেলের বোতল ব্র্যান্ড ভেদে ৫০০ থেকে ৫১০ টাকা, প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ১০০ থেকে ১০৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসলার মধ্যে দারুচিনি ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা, জিরা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, শুকনা মরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, লবঙ্গ ১৫০০ টাকা, এলাচ ১৬০০ টাকা, চীনের আদা ১২০ টাকা এবং ক্যারালা আদা ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাড়তি দামেই স্থিতিশীল রয়েছে চালের বাজার। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মোটা স্বর্ণা চাল প্রতি কেজি ৪৮ টাকা, পারিজা চাল ৪৬ টাকা, মিনিকেট (ভালো মানের) ৫৬ টাকা, মিনিকেট (সাধারণ) ৫২-৫৪ টাকা, বিআর২৮ ৪৮-৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৫৪ থেকে ৫৮ টাকা, পাইজাম চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, বাসমতি ৫৬ টাকা, কাটারিভোগ ৭৬ থেকে ৭৮ টাকা, হাস্কি নাজির চাল ৪১ টাকা এবং পোলাও চাল ১০০ (পুরাতন), নতুন ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।



Notice: WP_Query was called with an argument that is deprecated since version 3.1.0! caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/dailyama/public_html/beta/wp-includes/functions.php on line 4023