মঙ্গল্বার ২১ নভেম্বর ২০১৭


বৈষম্যের শিকার ৩০ হাজার ডিপ্লোমা কৃষিবিদ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
15.07.2017

স্টাফ রিপোর্টার।।
৩০হাজার ডিপ্লোমা কৃষিবিদ গত ৪৬ বছর ধরে বেতন বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। মাত্র ২০০/৫০০ টাকা দিলেই কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদেরকে পাস করিয়ে দেন তাদের শিক্ষক কৃষিবিদগণ। এই কৃষিবিদগণ সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করছেন। তাদের শোষণ নীপিড়ন, নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত ডিপ্লোমা কৃষিবিদগণ। তাদেরকে আর ছাড় দেয়া হবে না। তাদের সাথে আর কোনো আপোষ নয়, প্রতিরোধ করা হবে। তাদেরকে ন্যায় সংগত যৌক্তিক প্রতিরোধের মাধ্যমে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ন্যায্য অধিকার ১০ গ্রেড বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে। দেশটা কৃষিবিদদের একার নয়, তারা অসত্য তথ্য দিয়ে দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছেন। তাদেরকে মোকাবেলা করে ডিপ্লোমা কৃষিবিদগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন করে দেশকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্তকরা হয় । তারা ডিএই এর সকল প্রশাসনিক পদে প্রশাসন ক্যাডারের লোক নিয়োগের দাবি করে।

গতকাল শুক্রবার কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ডিপ্লোমা কৃষিবিদ আঞ্চলিক সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এই ঘোষণা দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ কুমিল্লা অঞ্চলের সভাপতি আব্দুল বাছেত। প্রধান অতিথি ছিলেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি এটিএম আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্সটিটিউশনের মহাসচিব আব্দুর রাশেদ খান, সহ-সভাপতি দীপায়ন বড়–য়া, যগ্ম মহাসচিব আলফাজ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সহিদ মোঃ আব্বাস, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ অলিউর রহমান, প্রচার প্রকাশনা ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, কুমিল্লা জেলা সভাপতি বিএম শোয়েব আহম্মেদ, চাঁদপুর জেলা সভাপতি আবুল কাশেম, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা সভাপতি মনিরুল হক মীর প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক শম্ভু রঞ্জন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু হুরায়রা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মাজহারুল ইসলাম, গীতা পাঠ করেন পিন্টু সরকার। কুমিল্লা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার প্রায় ৬শ’ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মিলনমেলা তৈরি হয়। ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী ডিপ্লোমা কৃষিবিদগণ যেকোনো আন্দোলন কর্মসূচি সফল করতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।