রবিবার ২৪ †m‡Þ¤^i ২০১৭


স্মৃতিপাখির ওড়াওড়ি


আমাদের কুমিল্লা .কম :
24.08.2017

পিয়াস মজিদ

১৯৮৮-এর বন্যার পরপর আমাদের পরিবার কুমিল্লা শহরে বসবাস শুরু করে। সে হিসেবে আসছে বছর আমাদের কুমিল্লাবাসের তিন দশক পূর্ণ হবে। অবশ্য উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও চাকুরিসূত্রে গত প্রায় পনের বছর ধরে ঢাকাবাসী হলেও মনে মনে তো কুমিল্লারই বাসিন্দা আমি। কুমিল্লা আমার স্মৃতির আকাশে এক মায়াপাখি হয়ে ঘোরাঘুরি করে নিরবধি, আমি তারে পারিনা এড়াতে। তাই এখানে রইলো কুমিল্লা নিয়ে কিছু বিক্ষিপ্ত বচন।
কুমিল্লার কথা বলতেই মনে পড়ে এ শহর থেকে আরও অনেক ভালো কিছুর মতো বিলুপ্ত ‘লাইফ সেভিং মুভমেন্টে’র সেই শ্লোগান ‘জাতির রক্তে ফের অনাবিল মমতা ফিরে আসুক’। রক্তদানের অনেক শ্লোগান শুনেছি, দিয়েছিও। কিন্তু হৃদয়ের অতলস্পর্শী এমন বাণী কুমিল্লাতেই চোখে পড়েছে। কুমিল্লার প্রাক্তন জেলা প্রশাসক প্রয়াত সৈয়দ আমিনুর রহমান এক স্মৃতিচারণে বলেছিলেন- বিগত শতকের আশির দশকে এই শহরের রিক্সাওয়ালাদের কণ্ঠে ‘আইয়েন না’ বুলিটি প্রসঙ্গে। তিনি বলেছিলেন যে কুমিল্লায় তখন রিক্সাওয়ালাদের যদি জিজ্ঞেস করা হতো ‘যাবে?’, উত্তরে গন্তব্য বা ভাড়ার প্রসঙ্গ উত্থাপনের আগেই রিক্সাওয়ালা আন্তরিক আহ্বানে বলতো ‘আইয়েন না’। সৈয়দ আমিনুর রহমান স্মৃতিবিধুর কলমে লিখেছেন যে দেশের আর কোথাও তিনি এমনটি দেখেন নি, সেই সঙ্গে মন্তব্য করেছিলেন এই আন্তরিকতা তখনকার কুমিল্লার সব শ্রেণির মানুষের উন্নত রুচিরই পরিচয়বহ। আজ মহানগর কুমিল্লায় বিরাটকায় সব বাহনের দাপটে মাছের বাজারের মতো ঘিঞ্জি রাস্তাগুলোর খানাখন্দে পড়তে পড়তে হাহাকার হয় কৃষ্ণচূড়ার রক্তিমাভা-অধ্যুষিত আমার হারানো মফস্বল কুমিল্লার জন্য। রাস্তায় টুংটাং, একটি- দুটো রিক্সার আনাগোনা, মোগলটুলি থেকে কান্দিরপাড় তিন টাকা ভাড়া নিকট অতীতের হয়েও সব যেন আজ ভীষণ রূপকথা। মনে পড়ে, মোগলটুলির মোবারক বেকারির মুড়ি বিস্কুট, স্টেডিয়াম মার্কেটের ইমানিয়ার ক্রিমরোল, নিউমার্কেটের সাদাসবুজ পানপাতা অবয়বের বরফি আর সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে এক টাকায় চারটা প্রাপ্ত খাস্তা বিস্কুট কিংবা টাকায় দুটো প্রাপ্ত বেলা বিস্কুট। চায়ে ডুবিয়ে সেসব বিস্কুট খাওয়ার অমৃত স্বাদ এখনো জিভে জল আনে। এখনকার দিনের আজদাহা নিউমার্কেটের বেশভূষা দেখে আজকের কেউ কি কল্পনা করতে পারবে কী শান্ত সুন্দর ছিমছাম নিউমার্কেট ছিলো এখানটায়! মটরশুটি থেকে মাছ সব বাছাই খাদ্যদ্রব্যের সমাবেশ ছিল এখানে। এখনো আছে ঢের তবে যেন প্রাণটাই নেই।
আমার বেড়ে ওঠার কুমিল্লা শহরের বাড়িগুলো ছিল এক একটা নন্দনকানন। শ্যামলে শ্যামল, নীলিমায় নীল। বাড়িঘরের নামের মর্মে নিহিত ছিল কারুকাজ বিধান, মানসী, বেলাশেষে, শান্তি কুটির কিংবা ইংরেজি হলে লেইক ভিউ-এর মতো সৌম্য কিছু একটা। আজকাল বিচিত্রবিধ উদগ্রতার সাথে পাল্লা দিয়ে বাসাবাড়ির নামেও এসেছে বেমক্কা ধাক্কা হাউস, টাওয়ার, এম্পোরিয়াম ছাড়া যেন কিছু চিন্তাই করতে পারে না নতুন গৃহজীবীরা। কুমিল্লা শহরে নব্বই দশকেও ভোর-ভোরে পাড়ায়-মহল্লায় শোনা যেতে সংগীতের রেওয়াজধ্বনি ; সা রে গা মা পা ধা নি সা, সা নি ধা পা মা গা রে সা-র মতো প্রশিক্ষণবাক্যের পাশাপাশি এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিলে দ্বার, আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো কার-এর সুধাসুর। আশ্চর্য, যেন কোন অলীক বিশ্বায়নের তোড়ে কুমিল্লা থেকে ধ্রুপ্রদী সংগীতের শিক্ষাধারা ক্ষীণ হতে থাকলো ক্রমশ। ভাবি, এই কি তবে শচীন দেববর্মন, অজয় ভট্টাচার্য, পরিমল দত্ত কিংবা সুধীন দাশের শহরের অসুর ভবিতব্য?
বর্তমান লেখক তার পাঠকজীবন গড়ে তুলেছিল কুমিল্লার বিভিন্ন পাঠাগারের সদরে-বাহিরে। মগবাড়ি চৌমুহনীর সরকারি পাঠাগার, বাদুড়তলার ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরি, মহেশাঙ্গণের রামমালা পাঠাগার, রাজগঞ্জে শান্তিসুনীতি পাঠাগার কিংবা বীরচন্দ্র নগর পাঠাগারে অনেক চেষ্টা করে সদস্য হতে না পেরে বন্ধুর বড় ভাইয়ের কার্ডে বই তুলে নবজাগ্রত জ্ঞান ও শিল্পক্ষুধা নিবৃত্তির প্রয়াস পেয়েছিল। এখন এই নগরে জনসংখ্যা স্ফীত কিন্তু সে অনুপাতে পাঠাগারবান্ধব পরিবেশ প্রসারণ তো মোটেও চোখে পড়ছে না।
কুমিল্লা টাউন হলে ডিসেম্বর মাস এলেই বিজয়মেলা ছিল অমোঘ আকর্ষণের বিষয়, বিশেষত চারণ সংস্কৃতিক কেন্দ্রের আলোকচিত্র প্রদর্শনী কুমিল্লার শিশু-কিশোরদের স্বাধীনতার শত্রুমিত্র চেনাতে ভূমিকা রাখতো বিপুল। আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে দাবি তুলি- আবার শুরু হোক বিজয়মেলার ঐতিহ্য, ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবসে শুরু হয়ে যা চলতো ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস পর্যন্ত। তবে ধন্যবাদ দিতে হয় আবুল হাসনাত বাবুল এবং তিননদী পরিষদকে, যারা কয়েক দশক যাবত অব্যাহত রেখেছেন কুমিল্লা পার্কের জামতলায় ফাল্গুনের বিকেলজুড়ে একুশের অনুষ্ঠানমালা। এই জামতলার এক অনুষ্ঠানে আমি কিশোরবেলায় কবি সৈয়দ আহমাদ তারেকের সুকণ্ঠে শুনেছি নির্মলেন্দু গুণ আমাকে কী মাল্য দেবে দাও, আমিও তোমার পায়ের তলায় অমর হবো। কিন্তু হায়, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবি তুলে যিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন সেই ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের নামে উদ্বোধন হওয়া স্টেডিয়াম তোরণশীর্ষে যখন এই ভাষাবীরের নামটি ভুল বানানে ধীরেন্দ্র নাথ নামে উৎকীর্ণ থাকে এবং বারংবার দৃষ্টি আকর্ষণ সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের কোন সংশোধন-প্রয়াস চোখে পড়ে না তখন গ্লানিতে ভরে ওঠে মন; মুহূর্তেই মনে পড়ে ধীরেন দত্তের বিলুপ্তপ্রায় স্মৃতিস্থলের সামনে বহু আগে পোস্টারে সাঁটা কবি আসাদ চৌধুরীর সেই কাব্যিক জিজ্ঞাসাবাক্য তোমাদের যা বলার ছিল বলছে কি তা বাংলাদেশ? নিশ্চয়ই বলছে না, নয়তো আমাদের দেশগর্ব নারী নবাব ফয়জুন্নেছার স্মরণানুষ্ঠান আয়োজন করতে এই কুমিল্লায় একজন শাহজাহান চৌধুরীকে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অনুরোধ জানাতে হতো না। যে কুমিল্লায় ১৮০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জিলা স্কুল, ১২০ বছরের গর্বিত ভিক্টোরিয়া কলেজ, যেখানে প-িত শীলভদ্রের পদচ্ছাপ পড়েছে সেই কুমিল্লায় অরিন্দম সৈকতের মতো ছাত্রকে কেন ‘হেরে গেলাম’ বলে আত্মহত্যা করতে হয়?
তবে ইতিবাচক উদাহরণও আছে অনেক। ১৯৯৬-এ স্বাধীনতার রজতজয়ন্তীর বছরে কুমিল্লা রাজবাড়ি পুকুরপাড়ে পাড়ার ছেলেপেলের উদ্যোগে রোদসী নামে যে নান্দনিক স্মৃতিস্থাপত্য তৈরি হয়েছিল তা কুমিল্লার মানুষের শিল্প ও ঐতিহ্যপ্রাণতার নিদর্শন বলতে পারি। পথে যেতে যেতে অনেকেরই চোখে পড়ত সে স্থাপত্যের এই অমিয় বাক্যকতক ‘সকল শহিদ স্মরণে আমাদেরই এই নিবেদন।’ হ্যাঁ, ঐতিহ্যের বিস্তারও ঘটেছে কিছু। তাই শহিদ মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম সাফু এবং তাঁরই সহোদর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার অন্যতম পথিকৃৎ প্রয়াত রফিকুল ইসলামের পরিবারের সন্তান রাজ যখন ব্যক্তি-উদ্যোগে সেই রাজবাড়ি পুকুরপাড়েই নান্দনিক শহিদ মিনার নির্মাণ করে তখন তা আমাদের মনে আশার বসতি গড়ে।
এই শহরের একজন স্বাপ্নিক সম্পাদক ছিলেন কবি আবদুল ওহাব। তাঁর রূপসী বাংলা পত্রিকা কুমিল্লার কেন্দ্রস্থল কান্দিরপাড়ে নির্দিষ্ট দেয়ালে সাঁটা থাকতো। ছেলে-বুড়ো সাবই সে পত্রিকায় খবর পেতো, সচেতন হতো। আজ এত মানুষ ও দরদালানের ভিড় কিন্তু সে অনুপাতে রাস্তার মোড়ে মোড়ে যে পত্রিকা টাঙানোর দেয়াল দরকার ছিল তা কোথায়?
টাউনহলের স্মৃতিফলকে এক সময় বৃহত্তর কুমিল্লার সব গুণী মানুষের নাম খোদাই করা ছিল কিন্তু কালের প্রহারে আমরা তাকে সংরক্ষণের বদলে বিলীন করে দিয়েছি। তাই কুমিল্লার অনেক তরুণই জানেনা যে, এই কুমিল্লার মেয়ে ফয়জুন্নেছা লিখেছেন রূপজালাল নামের অনন্য কাব্য, এই কুমিল্লার বিপ্লবী অতীন রায়কে চরিত্র করে তারাশঙ্কর লিখেছেন তাঁর অমর উপন্যাস গণদেবতা, তারা জানে না যে এই কুমিল্লার নারী হেমপ্রভা মজুমদারকে কেন্দ্র করে নজরুল লিখেছিলেন সেই ঊষা-উদারী কবিতা প্রভায় তোমার উদিল প্রভাত, হেমপ্রভ হলো ধরণী। এরা জানেনা এই কুমিল্লার রাস্তায় রাস্তায় ভারতবিখ্যাত বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের পিতা দ্বিজদাস দত্ত প্রচার করতেন হিন্দু-মুসলিম মিলনের বার্তা। কুমিল্লার অনেক তরুণই জানেনা এই ভিক্টোরিয়া কলেজে পাঠ নিয়েছেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর মতো কথাকার, নভেরা আহমেদের মতো ভাস্কর। এখান থেকে বেরুতো বাংলা সাহিত্যের কত না খ্যাতনামা সাহিত্য- সাময়িকপত্র, লিটলম্যাগ। রবীন্দ্রনাথ থেকে নজরুল পর্যন্ত এড়াতে পারেননি এই কুমিল্লার সুসংস্কৃত- বিপ্লবী সম্মোহন।
আজ কুমিল্লা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে তা আমাদের ভাবতে হবে। শহর থেকে নগর হয়ে ওঠা কুমিল্লায় আমাদের দেখতে হয় জাতীয় ফুল শাপলা ভেদ করে লোহার রড উঠে যাওয়া বিকৃত ভাস্কর্য কিংবা প্রাকৃতির পুষ্পের সমাবেশে মাটির টবের কৃত্রিম পুষ্পবিলাস। কুমিল্লায় একটি বিমানবন্দর ছিল কিন্তু আমরা তাকে ধরে রাখতে পারলাম না। কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে লিবার্টি সিনেমা হলের বন্ধ তালা হয়তো আর কখনোই খুলবে না। মানলাম, পরিবর্তিত সময়ের প্রেক্ষিতে সিনেমা হলগুলোতে অন্ধকার নেমে আসতে বাধ্য কিন্তু অন্যান্য শহরের মতো সিনেমা হলের ঘাটতি পূরণে পর্যাপ্ত সিনেপ্লেক্স তো তৈরি করতে হবে। নয়তো সংস্কৃতির বদলে উত্তরপ্রজন্ম তো সন্ত্রাসের দিকেই ঝুঁকবে।
প্রতিদিন কত কত পর্যটক কুমিল্লার কেন্দ্রস্থল থেকে ময়নামতি-কোটবাড়ি যায় কিন্তু সে জন্য উপযুক্ত পরিবহন কোথায়? এই তো মাস কয়েক আগের কথাকোটবাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন পড়লো কিন্তু ভাঙাচোরা সিএনজি করে বৃষ্টিতে ভিজে-নেয়ে সেখানে পৌঁছুলাম অতঃপর। আমরা কী ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্রমুখী কিছু আরামদায়ক বাসসার্ভিস চালুর দাবি করতে পারি না? অবশ্য দোষ আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকদেরও রয়েছে। আমরা নজরুল স্মৃতিস্তম্ভের পাশে আবর্জনা ফেলি অথবা স্তম্ভ দখল করে চায়ের দোকান দেই। আমরা ব্যাংক আর ট্যাংক-এর শহর কুমিল্লার পুরনো ঐতিহাসিক দালানকোঠা নির্বিচার ভেঙে ফেলি, খালবিলপুকুর ভরাট করি সামান্য ব্যক্তিগত প্রয়োজনে।
এই কুমিল্লা পাঠ্যপুস্তকের দোকানে সয়লাব কিন্তু সাহিত্যের বইয়ের কোন নির্ভরযোগ্য বিপণি নেই। রামঘাটের মানচিত্র বা কয়েক বছর আগেও কান্দিরপাড়ে ত্রিবেণী ছিল আর এখন আমাদের চট্টগ্রামের বাতিঘর কিংবা সিলেটের বইপত্র দেখে আক্ষেপ হয় যে এত শত শত বিপণিবিতান হচ্ছে খাদ্য বস্ত্র ও প্রসাধনের প্রয়োজন মেটাতে কিন্তু আত্মার ক্ষুধা নিবৃত্তির মননশীল বইয়ের বিপণির কোন দেখা নেই। আমরা মনে করি জেলা পরিষদ কিংবা সিটি কর্পোরেশন প্রণোদনা দিয়ে এমন একটি বুকশপ চালু করতে পারেন কুমিল্লায়। সূর্যসেন, প্রীতিলতার বীরগাথা নিয়ে বলিউডে চট্টগ্রাম নামে চলচ্চিত্র তৈরি হয় আর প্রায় একই সময়ের অসমসাহসী দুই বিপ্লবীকন্যা শান্তি ও সুনীতির নামে কুমিল্লার ঈদগাহের সামনের সড়কফলকটিও যখন অবলীলায় বিলুপ্ত হয়ে যায় তখন খুব কষ্ট হয় আমাদের সবার।
অঞ্জন দত্ত তাঁর প্রিয় শহর দার্জিলিং নিয়ে সম্প্রতি এক লেখায় শহরের করুণ চিত্র তুলে ধরেছেন। ভালোবাসেন বলেই করেছেন। এই কুমিল্লাও তেমনি আমাদের ভালোলাগা ও ভালোবাসার জায়গা। তাই কুমিল্লা নিয়ে লিখতে গেলে অপূর্ণতার কথা এবং ক্ষোভের কথা এসে গেলে অনেক। কারণ ভালোবাসার জায়গাটিকে ভালো দেখতে ইচ্ছে করে সবসময়।

[email protected]



Notice: WP_Query was called with an argument that is deprecated since version 3.1.0! caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/dailyama/public_html/beta/wp-includes/functions.php on line 4023