শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০১৭


৪৩ রানের লিড পেল বাংলাদেশ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
28.08.2017

অনলাইন ডেস্ক

বেশ ভোগালেন অ্যাশটন অ্যাগার। নিজের ব্যাটিং-প্রতিভা দেখানো সুযোগ পেয়ে, সেটি দারুণভাবে কাজে লাগালেন। দল যখন ১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে, বাংলাদেশ যখন বড় লিডের সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে, ঠিক তখনই প্যাট কামিন্সের সঙ্গে নবম উইকেটে গড়লেন ৪৯ রানের জুটি। কামিন্স চা বিরতির ঠিক পরপরই ২৫ রানে ফিরলেও অ্যাগার অপরাজিত থাকলেন ৪১ রানে। জশ হ্যাজলউডকে ইমরুল কায়েসের ক্যাচ বানিয়ে বাংলাদেশকে ৪৩ রানের লিড এনে দিলেন সাকিব আল হাসানই।

সাকিবের বলে স্টাম্পড হলেন ম্যাক্সওয়েল। ছবি: শামসুল হকনিজের ৫০তম টেস্টে ব্যাটে-বলে অনন্য সাকিব। কাল দলের বিপর্যয়ের মুখে ৮৪ রানের দারুণ একটা ইনিংস খেললেন। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে তুলে নিলেন নিজের আরও একটি ৫ উইকেট। সেই সঙ্গে দারুণ একটা রেকর্ডের অধিকারী তিনি। মাত্র চতুর্থ বোলার হিসেবে সবগুলো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষেই ৫ উইকেটে কীর্তি তাঁর।

অস্ট্রেলিয়ার শেষ ভরসাকেও ফেরালেন সাকিব ।ছবি: শামসুল হকদ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়েছেন অ্যাগার ও কামিন্স। ৪৯ রানের জুটিতে অবশ্য শফিউল ইসলামের একটা বড় ভূমিকা আছে। সাকিবের বলে ব্যক্তিগত ১১ রানে ক্যাচ তুলেছিলেন কামিন্স। কিন্তু সেই ক্যাচ নিতে পারেননি শফিউল। সেই সময় কামিন্সকে ফিরিয়ে দিলে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস হয়তো দুইশ ছাড়িয়ে যেত না।
শফিউল নিজেই সেই দুঃখ ভোলার একটা সুযোগ পেয়েছিলেন। তাঁর বলেই কামিন্সের বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদনে আঙুল তুলেছিলেন আম্পায়ার আলিম দার। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান কামিন্স। বাংলাদেশ আবারও হতাশায় পোড়ে।
হ্যান্ডসকম্বকে ফেরানোর পর তাইজুল। ছবি: শামসুল হকঅথচ, সাকিবের বলেই মুশফিকুর রহিম যখন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেছিলেন, তখন অস্ট্রেলিয়া ১৪৪/৮। বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল ১১৬ রানে। শেষ ২ উইকেট বাংলাদেশি বোলাররা কতক্ষণে তুলে নেবেন-ভাবনাটাও ছিল এমনই। কিন্তু প্যাট কামিন্স আর অ্যাশটন অ্যাগার সেই ভাবনাটারই মোড় ঘুরিয়ে দেন দুশ্চিন্তা আর হতাশার দিকেই।

অস্ট্রেলিয়ার বিপদ বাড়িয়ে ফিরলেন স্মিখ। ছবি: শামসুল হক

এর আগে মিরাজের বলে এলবিডব্লু হন ম্যাথু ওয়েড। ম্যাট রেনশ আর পিটার হ্যান্ডসকম্বের জুটিটা চোখ রাঙাচ্ছিল। ৬৯ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয়টা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। কিন্তু হ্যান্ডসকম্বকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ-শিবিরে স্বস্তি ফেরান তাইজুল। ব্যক্তিগত ৩৩ রানে তাইজুলের বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়েন হ্যান্ডসকম্ব। এর কিছুক্ষণ পরই সাকিব আল হাসানের বলে স্লিপে সৌম্য সরকারের ক্যাচ হন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে এখনো পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪৫ রান করা রেনশ।
দ্বিতীয় দিন সকালেই মিরাজের আঘাত। ছবি: শামসুল হক১৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রথম দিন শেষ কাঁপতে থাকা অস্ট্রেলিয়ার বিপদটা দ্বিতীয় দিন সকালে আরও বাড়ে অধিনায়ক স্মিথের ফেরায়। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে একটু এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে বোল্ড হয়ে যান তিনি। ৮ রানে আউট হন তিনি।
বাংলাদেশের পক্ষে সফল স্পিনাররাই। সাকিবের ৫ উইকেটের সঙ্গে মিরাজ নিয়েছেন ৩টি উইকেট। তাইজুল পেয়েছেন একটি।

সৌজন্যে-প্রথম আলো

  • .

  •