মঙ্গল্বার ২১ নভেম্বর ২০১৭


‘খাতা দেখা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের এ-প্লাস দেয়া হবে!’


আমাদের কুমিল্লা .কম :
12.11.2017

তৈয়বুর রহমান সোহেল।।


চলতি বছরের ১৬ নভেম্বরের মধ্যে জাতীয়করণ করা কলেজ শিক্ষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে তাদের ক্যাডার বহির্ভূত করে স্বতন্ত্র বিধিমালার দাবিতে সাংগঠনিক বিভাগীয় সমাবেশ করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি কুমিল্লা-নোয়াখালী সাংগঠনিক বিভাগ। গতকাল বিকেলে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অডিটোরিয়ামে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, শিক্ষা ক্যাডারে কোনোরূপ পার্শ্বপ্রবেশ ( জাতীয়করণ, ১০%, প্রকল্প প্রদর্শক থেকে বা অন্য কোনো উপায়ে) চলবে না। বিসিএস রিক্রুটমেন্ট রুলস ১৯৮১ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে ক্যাডারভুক্ত করা যাবে না। সমাবেশে বক্তারা বলেন- মনে হচ্ছে সুনামি এসে আমাদের ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সম্মান ধুলায় মিশে গেছে। ১৬ তারিখের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৃণমূল থেকে শাট ডাউন করা হবে। এসময় বক্তারা ব্যঙ্গ করে বলেন- কেউ বিসিএস না হয়ে যদি ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত হয় তবে আমরাও বোর্ড পরীক্ষায় খাতা দেখা ছাড়া শিক্ষার্থীদের এ প্লাস দিয়ে দেব। পরীক্ষার্থীরা যোগ্যতা নিয়ে কেন্দ্রে আসে কিন্তু, নন বিসিএসরা পরীক্ষা না দিয়েই ক্যাডার বনে যেতে পারে না।
সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি প্রফেসর ড. মো. নিজামুল করিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন কার্যনিবাহী কমিটির যুগ্ম সচিব মো. লোকমান ভূঁইয়া, আইন সচিব মনির হোসেন, নির্বাহী সদস্য মাহবুব আলম, সহ-সেমিনার সচিব হামজা মাহমুদ দীপু, ফেনী জেলা ইউনিটের সম্পাদক শামীম আরা, কুমিল্লা ইউনিটের সহসভাপতি আজহারুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের সভাপতি বিভূতিভূষণ দেবনাথ, নোয়াখালী ইউনিটের সভাপতি প্রফেসর এইচ এম ফারুক, লক্ষ্মীপুর ইউনিটের সম্পাদক হাসিবুল সিদ্দিক প্রমুখ।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন- আমরা সরকারের কাছে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে পাঠিয়েছি। আশা করছি সরকার বিষয়টির সুস্পষ্ট সমাধান করবেন। আপনারা দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণভাবে অগ্রসর হোন।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কুমিল্লার ইউনিট সভাপতি প্রফেসর বিজয় কৃষ্ণ রায়। সঞ্চালনা করেন শিক্ষক বিজয় চক্রবর্তী। এসময় ছয় জেলার প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষা ক্যাডার উপস্থিত ছিলেন।