সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ


কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
09.01.2018

স্টাফ রিপোর্টার:
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মোতাহের হোসেন মজুমদারের বিরুদ্ধে ২০ধরণের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এনে কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন শাসনগাছার জনৈক আব্দুল মালেক।
কৃষি মন্ত্রী বরাবরে প্রদত্ত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সাইট্রাস প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত, প্রকল্পের অর্থায়নে পরিবার পরিজন নিয়ে মোটিভেশনাল ট্যুর, সরকারি গাড়ি ব্যবহারে অনিয়ম,ক্ষমতার অপব্যবহার করে কর্মচারীর লামগ্রেন্ট মঞ্জুরী প্রদান, কৃষক প্রশিক্ষণের টাকা পকেটজাত করা, নার্সারি পুকুরের মাছ লুট, শ্রমিকদের দিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করানো,ডরমেটরি ভবনের ইচ্ছেমতো ব্যবহার, নার্সারিতে উৎপাদিত ফল-শাকসবজি বাসায় নিয়ে যাওয়া, ভুয়া বিল ভাউচার ও কোটেশনে বীজ চারা কলম এবং বালাই নাশকসহ অন্যান্য মালামাল ক্রয়ে পুকুর চুরির অভিযোগ জানানো হয়। এছাড়া উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অধ:স্তন কর্মচারী ও সার ব্যবসায়ীর সাথে দুর্ব্যবহারসহ প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে ধরা হয় আবেদনে। আবেদনের অনুলিপি দুদক, কৃষি সচিব, মহাপরিচালকসহ সংস্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজে মোতাহার হোসেনের একটি বহুতল ভবনের বাড়ি রয়েছে। বাড়ির নির্মাণ কাজের ইটের খোয়া পরিস্কার করেন অফিসের স্টাফ দিয়ে।

সূত্র আরো জানায়, উপ-পরিচালক মোতাহের হোসেন মজুমদার জন্মগত ভাবেই কুমিল্লার স্থায়ী অধিবাসী। কিন্তু তিনি চাঁদপুর জেলার কচুয়ায় তাঁর আদিবাস দেখিয়ে দীর্ঘ ৩৫বছর যাবত কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা কার্যালয়ে চাকুরি করে আসছেন। গত ২ জানুয়ারি তিনি অবসর প্রস্তুতি ছুটিতে গেছেন।
মোতাহের হোসেন মজুমদার বলেন,যাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি তারাই আমার নামে বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগ গুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। বাড়ি আমার পৈত্রিক অর্থ থেকে নির্মাণ করা হয়েছে।