বৃহস্পতিবার ১৯ জুলাই ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » বুড়িচংয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ


বুড়িচংয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
11.01.2018

বুড়িচং প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমুল গ্রামের উত্তর পাড়ার মহেদ মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া তার স্ত্রী এক সন্তানের জননী আছমা খাতুনকে (২৪) যৌতুকের জন্য শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলি রাখার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানায়, বিগত ৩ বছর পূর্বে বুড়িচং উপজেলার বাকশীমুল গ্রামের মহেদ মিয়া ছেলে রুবেল মিয়া (৩০) এর সাথে একই ইউনিয়নের জঙ্গলবাড়ী গ্রামে মিলন মিয়ার একমাত্র মেয়ে আছমা খাতুন (২৪) সাথে সামাজিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এক বছর পরে তাদের ঘরে মার্জিনা নামে একটি মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহন করে। মেয়ে সন্তান জন্মের পর থেকে রুবেল মিয়া নানা ভাবে শশুর বাড়ির লোকজনদের সাথে যৌতুকের দাবি করতে থাকে। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে একই উপজেলার গাজীপুর বাজারে একটি ওয়ার্কশপের দোকান খুলে দেয়। কিšশু তারপরে তাদের যৌতুকের মিটাতে পারেনি আছমা খাতুনের পরিবার। গত কিছু দিন পূর্বে আছমা খাতুনের বাড়িতে রুবেলের ঘরে মেয়েকে আর দিবে না বলে আটকিয়ে রাখলে সামাজিক ভাবে বাকশীমুল ইউনিয়ন পরিষদে মেম্বার চেয়ারম্যানদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে আছমা খাতুনকে স্বামীর বাড়িতে ফেরত প্রদান করে। এতে কে জানত এই বিচার আছমা খাতুনের জীবনের শেষ বিচার। মঙ্গলবার রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে দীর্ঘ দিন চলতে থাকা বিরোধের জের ধরে স্বামী রুবেল মিয়া ও তার পরিবারের অন্যান্য লোকজন মিলে স্ত্রী আছমা খাতুনকে শারিরীকি নির্যাতন মাধ্যমে আছমা খাতুনকেকে হত্যা করে পরিকল্পিত ভাবে হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার জন্য ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।
স্থানীয় সূত্রে আরোও জানা যায়, সীমানা প্রাচীর দেওয়া বাড়ির ভেতরে লোকজন প্রবেশ করতে না পারলেও মৃত্যু আছমা খাতুনের সৌর চিৎকার শুনতে পায়। সকালে আছমা খাতুনের আত্মীয় স্বজন এসে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আছমা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে এবং সুরত হাল রির্পোট তৈরি করে। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আছমা খাতুনের শ্বাশুড়ি ফেলুয়া সুন্দরীকে আটক করেছে।
এই ব্যাপারে বুড়িচং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।