শনিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮


এক মাসের মধ্যে শুরু হচ্ছে ফোরলেনের কাজ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.01.2018

ব্যয় হবে ২১শ’ কোটি টাকা : সড়কের প্রস্থ ৯০ ফুট

স্টাফ রিপোর্টার:


কয়েক মাস ধরে আলোচনা চলছে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের ফোরলেনের কাজ শুরু হবে। কিন্তু কাজ শুরু হবে বলেও শুরু হচ্ছে না। এনিয়ে এই সড়কে যাতায়াতকারী যাত্রীদের প্রশ্ন-কবে শুরু হবে এই মহাসড়কের কাজ,আর কবেই বা তা শেষ হবে? সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সূত্রমতে আগামী এক মাসের মধ্যে কাজ শুরু হবে। বর্তমানে এই সড়কের বিভিন্ন অংশে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কুমিল্লার সূত্রমতে, ২১শ’ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হবে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের ৫৯ কিলোমিটার ফোরলেন। এর মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় হবে ১১শ’ কোটি টাকা। বাকী টাকা ব্যয় হবে ফোরলেনের নির্মাণ কাজে। ভূমি বেশি অধিগ্রহণ করতে হবে কুমিল্লার বাগমারা ও লাকসাম এলাকায়। সড়কের প্রস্থ হবে ৯০ ফুট। কোথাও আছে ৪০ ফুট,সেখানে আরও ৫০ফুট অধিগ্রহণ করতে হবে।
যাত্রী ও পরিবহন চালকদের সূত্র জানায়, ছয় মাস ধরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন এই সড়কে চলাচল করা হাজারো গাড়ির যাত্রীরা। ভাঙা সড়কে গাড়ি চালাতে গিয়ে সময় নষ্ট,যানজট আর গাড়ি বিকল হওয়ায় ক্ষুব্ধ পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকরা।
কুমিল্লার জাঙ্গালিয়ার পর থেকে ভাঙা শুরু। বিশেষ করে পদুয়ার বাজার কাঁচা বাজার এলাকায়। কিছু এলাকায় ইট ফেলায় তা বিষফোঁড়ার মতো ফুলে উঠেছে। সেখানে গাড়ি চলছে হেলেদুলে। ধীর গতিতে গাড়ি চলায় সেখানে প্রায় যানজট লাগছে। বেশি খারাপ অবস্থা পদুয়ার বাজার হাজারী ফিলিং স্টেশনের পাশে, বাগমারা বাজার ও লাকসাম বাইপাসের গরু বাজারের পাশে। ভাঙার কারণে বাগমারা বাজারে প্রতিনিয়ত যানজট লাগছে। এছাড়া লালমাই,হরিশ্চর, লাকসাম বাইপাস,খিলা,নাথেরপেটুয়া,বিপুলাসার,সোনাইমুড়ি,বেগমগঞ্জ থানা এলাকাসহ মাইজদীর বিভিন্ন অংশে ভাঙা রয়েছে।
উপকূল বাস সার্ভিসের চালক মামুনুর রশিদ জানান,সড়ক ভাঙা হওয়ায় ঘন ঘন গাড়ি বিকল হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি মেরামত করা না হলে গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের পুজকরা গ্রামের মোসলেহ উদ্দিন বলেন,ফোরলেনের কাজ দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন। নতুবা যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়তে থাকবে।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মো.মোফাজ্জল হায়দার বলেন,৫৯কিলোমিটার সড়কের মধ্যে কুমিল্লা অংশে ৪৫ কিলোমিটার আর নোয়াখালী অংশে ১৪ কিলোমিটার। কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ দিকে। আশা করছি এক মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে পারবো। কাজ শেষ করতে ঠিকাদারদের ৩০মাস সময় বেঁধে দেয়া হবে।