রবিবার ২২ GwcÖj ২০১৮


মুরাদনগরে কলেজের অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত


আমাদের কুমিল্লা .কম :
28.03.2018

মুরাদনগর প্রতিনিধি
মুরাদনগর উপজেলার চাপিতলা ফরিদ উদ্দিন সরকার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ২০১৮ সালের কলেজের কোচিং করানোর টাকা আত্মসাধ করেছেন এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার চৌধুরীকে জিপি সদস্যগণ সাময়িক বহিষ্কার করেন। তার স্থলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ সফিকুল ইসলাম।
সূত্রে জানাযায়, কলেজ প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৫ তে প্রথম ভার প্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়ে নার্গিস আক্তার ৯৮ পর্যন্ত ছিলেন,তার পর বিভিন্ন মেয়াদে তিনি ভার প্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদে দায়িত্বে থেকে ২৩ জুলাই ২০১২ ইং হইতে ২২ মার্চ ২০১৮ ইং পর্যন্ত পূর্ণ অধ্যক্ষের পদে বহাল ছিলেন। ২৩ মার্চ সকাল ১০ টায় তার কুমিল্লার বাসায় সাময়িক বহিষ্কারের চিঠি পান। চিঠিতে কলেজের সভাপতি সহ ৯ জন সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি সাময়িক বরখাস্ত পত্র কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার চৌধুরীকে দেওয়া হয় এবং এর অনুলিপি জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কুমিল্লার ডিসি অফিস, উপজেলা (ইউএনও) অফিস ও বাঙ্গরা বাজার থানাসহ সংস্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার চৌধুরী বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কোচিং এর টাকা শিক্ষক থেকে শুরু করে নাইট গার্ড পর্যন্ত বন্টন করেছি। কলেজে কোচিং করানোর পর নিয়ম মাফিক ১০ % টাকা কলেজকে দিয়ে দেওয়া হয়, এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি । আমার কারণে তারা কলেজের টাকা পয়সা ইচ্ছে মত ভোগ করতে পারছেনা বিধায় আমাকে সাশপেনশন করা হয়েছে।
কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান সরকার বলেন, নারর্গিস আক্তার চৌধুরী কলেজের কোন নিয়ম কানুন মানে না। সরকারের বিধান মানে না। অতিরিক্ত ক্লাশ নিতে হলে অভিভাবকের লিখিত আবেদন লাগে তা না মেনে সে অতিরিক্ত ক্লাশের ব্যবস্থা করে ছাত্রদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে তা আত্মসাত করেছে। তাই তাকে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।