বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » বাংলাদেশ থেকে আরব আমিরাতে কর্মী নিয়োগের চুক্তির বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া


বাংলাদেশ থেকে আরব আমিরাতে কর্মী নিয়োগের চুক্তির বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া


আমাদের কুমিল্লা .কম :
20.04.2018

বিবিসি বাংলা :
পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মী নিয়োগ শুরু হতে যাচ্ছে।
২০১৭ সালে আরব আমিরাতের আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে যার প্রেক্ষিতে ১৯টি ক্যাটাগরিতে কর্মী নেয়া হবে সেখানে। এ বিষয়ে বুধবার দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সই করা হয়।
এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব নমিতা হালদার বিবিসিকে জানান, তাদবির নামের নতুন একটি এজেন্সির মাধ্যমে এই ১৯টি ক্যাটাগরিতে আরব আমিরাতে কর্মী নিয়োগ করা হবে। এই সংস্থাটি সরাসরি আরব আমিরাতের হিউম্যান রিসোর্স ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করবে।
এই বিষয়ে বিবিসি বাংলার ফেসবুক পেইজে কমেন্ট করেছেন অনেকে। অনেকে এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেও প্রবাসীদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সরকারের পদক্ষেপ ও কার্যক্রমের সমালোচনাও করেছেন অনেকে।
নাজমুল হুদা: বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য নিঃসন্দেহে বিষয়টা পজিটিভ। তবে সময় বলে দেবে এটা কতটা ইফেক্টিভ আমাদের জন্য।

মিসির আলী: সৌদি আরবের মত প্রবাসীদের সব আয় কেড়ে নেবে না তো আমিরাত সরকারও?

শহীদুর রহমান সেলিম: অবশ্যই এটা সুদুর প্রসারী পদক্ষেপ, তবে আরও আগে হলে আরও বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থান হতো।

হোসাইন দিলওয়ার: দালালের চক্র থেকে বাচতে হবে। আর ১লাক্ষ টাকার ভিতরে যদি যাওয়া যায় তাহলে প্রবাসীরা কিছু করতে পারবে।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব নমিতা হালদার জানান নতুন যে আইনের আওতায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো সেখানে উল্লেখিত আছে যে ১৯টি শ্রেণীর কর্মীর সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে হবে।

তিনি বলেন কর্মীদের নিয়মিত বেতন পাওয়া, নিয়মিত খাবার, কমপক্ষে ৯ ঘন্টা বিশ্রামের সুযোগ ও সপ্তাহে একদিন ডে অফ বা কর্মবিরতির কথাও বলা আছে এই আইনে।

মিজ. হালদার আরো জানান যদি কোনো কারণে কর্মীর আইনি সহায়তা প্রয়োজন প্রয়োজন হয় তাহলে তাদবির নামের সংস্থাটির নির্ধারিত আইন উপদেষ্টার সহায়তা নিতে পারবেন ঐ কর্মী।