রবিবার ২১ অক্টোবর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » লাকসামে রহমানিয়া কলেজে অনুপস্থিত শিক্ষকের নামে বেতন উত্তোলন;দুদকে অভিযোগ


লাকসামে রহমানিয়া কলেজে অনুপস্থিত শিক্ষকের নামে বেতন উত্তোলন;দুদকে অভিযোগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
16.05.2018

স্টাফ রিপোর্টার
লাকসামের রহমানিয়া চির সবুজ স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক বিলকিছ আরা বেগম দীর্ঘ ৪ মাস ধরে কলেজে অনুপস্থিত থাকার পরও কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তার নামে জালিয়াতির মাধ্যমে বেতন ভাতা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছে। এঘটনায় আত্মসাতকৃত টাকা উদ্ধারসহ কলেজ অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ১৮ এপ্রিল দুদক, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা অধিদপ্তরের কুমিল্লার উপ-পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন জেনৈক আবুল হাসেম।

অভিযোগের বিবরণ, কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঢাকায় বসবাস করার কারণে সহকারী অধ্যাপক বিলকিছ আরা বেগম চাকরির শুরু থেকেই কলেজে নিয়মিত আসতে পারতেন না। প্রতিমাসে বেতন উত্তোলনের জন্য একদিন কলেজে এসে হাজিরা খাতা ও বেতন বিলে স্বাক্ষর করতেন। গত বছরের নভেম্বরে তিনি কলেজ অধ্যক্ষকে জানিয়ে দেন যে তিনি জানুয়ারি থেকে আর কলেজে আসতে পারবেন না, তার পরিবর্তে অন্য একজন শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। সেই অনুযায়ী বিলকিছ আরা বেগম ১ জানুয়ারি থেকে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেন। অধ্যক্ষ আবুল খায়ের ওই শিক্ষককে অব্যাহতি না দিয়ে হাজিরা খাতা ও বেতনবিলে জাল স্বাক্ষর করে জনতা ব্যাংকের লাকসাম শাখার ম্যানেজারকে ম্যানেজ করে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন মোট ১লক্ষ ৪ হাজার ৬শ ১০ টাকা উত্তোলন করেছেন। এপ্রিল মাসের বেতন উত্তোলনও প্রক্রিয়াধীন।
কলেজ পরিচালনা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম বলেন, বেতনের বিষয়টি আমাদের এখতিয়ারে নেই। গভর্নিং বডি বিষয়টি ভালো জানেন। এ বিষয়ে
কলেজ গর্ভনিং বডির সভাপতি খোরশেদ আলম খোকনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি মিটিংয়ে আছি,’-একথা বলে তিনি লাইন কেটে দেন। কলেজের অধ্যক্ষ আবুল খায়ের বলেন, বেতন উত্তোলনের বিষয়টি সঠিক। তিনি মাঝেমাঝে তার স্বামীকে নিয়ে কলেজে এসে হাজিরা দিয়ে যান। উনি নিজেই বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক বিলকিছ আরার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।