সোমবার ১৮ জুন ২০১৮


খামার গ্রামে এক সাথে পাঁচশত মানুষ ইতেকাফে


আমাদের কুমিল্লা .কম :
06.06.2018

এন এ মুরাদ,মুরাদনগর।।
আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় প্রতিবছর রমজানের শেষ দশদিন মুরাদনগর উপজেলার খামার গ্রামে বসে ইতেকাফের মহা মিলন মেলা। প্রতিবছর খামার গ্রাম আলীয়া মাদ্রাসা মসজিদে একসাথে প্রায় ৫ শত লোক ইতেকাফে বসেন। এই ইতেকাফকে ঘিরে খামার গ্রাম মানুষের ঘরে ঘরে আনন্দের জোয়ার বয়ে চলে। গ্রামের সবায় মিলে মহাধুমধামের সাথে ইতেকাফে বসা ৫ শত রোজাদার লোকের ইফতার ও সেহরির আয়োজন করে।
সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠা মরহুম দাদা হুজুর হাফেজ আলহাজ আব্দুর রহমান হানাফী (রহ:) তার জীবদ্দশায় প্রতিবছর বছর খামার গ্রাম আলীয়া মাদ্রাসায় মসজিদে ইতেকাফে বসতেন, মরহুম আব্দুর রহমান হানাফী হুজুরের ওফাতের পর মরহুম শামসুল হুদা পীর, বর্র্তমানে সোনাকান্দা দরবার শরিফের পীর আলহাজ মাহমুদুর রহমান খামার গ্রাম আলীয়া মাদ্রাসা মসজিদে ইতেকাফে বসেন। সে কারণে সোনাকান্দা দরবার শরিফের মুরিদানরা আল্লাহ নৈকট্য ও গুনাহ মাপের আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে খামার গ্রাম মসজিদে মুসল্লিদের সাথে ইতেকাফ করেন। ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো রমযানের রোজা। নবী প্রেম ও আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের জন্য রোজাদার ব্যক্তি রমজানের ৩০টি রোজার মধ্যে শেষ ১০দিন মসজিদে ইতেকাফ করতে বসে। পবিত্র রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করা সুন্নাতে মুয়াকাদ্দায়ে কেফায়া। ইতেকাফের জন্য রমজানের ২০ তারিখ সূর্যাস্ত যাওয়ার আগে ইতেকাফকারীরা মসজিদে প্রবেশ করে। আর ঈদের চাঁদ উদিত হলে তারা মসজিদ থেকে বের হয়। বেশিরভাগ ইতেকাফ পালনকারী সোনাকান্দা পীর হুজুরের সাথে ঈদগাহে নামাজ আদায় করে কবরবাসীর রুহের মাগফিরাত ও দুনিয়ার কল্যাণ কামনা করে বাড়িতে যায়।