মঙ্গল্বার ২০ নভেম্বর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ »sub lead 2 » কুমিল্লায় সিএনজি বিলুপ্ত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন


কুমিল্লায় সিএনজি বিলুপ্ত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
10.07.2018


মাসুদ আলম।। সিএনজি চালিত অটোরিক্সাকে বিলুপ্ত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে কুমিল্লা জেলা অটোটেম্পু, অটোরিক্সা সিএনজি (রেজি: ১৫৬৯) এর ড্রাইভার শ্রমিক ইউনিয়ন। মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর টমছমব্রিজ প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ অটোরিক্সা, অটোটেম্পু, পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম ফারুক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রদান করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছরে দেশ অনেক উন্নতি হয়েছে, কিন্তু সিএনজি অটোরিক্সা চালকের ভাগ্যের কোন উন্নতি হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছেই। ২০০২ সালে সরকার পরিবেশের কথা বলে টু স্টোক, অটোরিক্সা চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ২০১৫ সালে সরকার সড়ক দুর্ঘটনার অজুহাত একতরফা ভাবে মহাসড়ক থেকে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কুমিল্লা জেলা সিএনজি অটোরিক্সা রেজি: নং ১৫৬৯ বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত রেজিষ্ট্যার্ড অব ট্রেড ইউনিয়ন কর্তৃক অনুমোদিত একটি শ্রমিক বান্ধব যাত্রী সাধারণের সেবামূলক সংগঠন।

উক্ত শ্রমিক ইউনিয়ন সংগঠনটি বাংলাদেশ ফেডারেশন রেজি: বি-২১৮১ এর অর্ন্তভূক্ত। এই সংগঠনের রেজি: ১৫৬৯ এর শ্রমিক ইউনিয়নটি নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্ত্বর থেকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হয়ে দক্ষিণ অঞ্চল, কান্দিরপাড় রামঘাট থেকে কোটবাড়ী, কালিরবাজার, টমছমব্রিজ থেকে কোটবাড়ী, কালির বাজার, কুচাইতলী হয়ে বাখরাবাদ পর্যন্ত সার্ভিস দিয়ে থাকে। এছাড়া সংগঠনের শ্রমিকদেরকে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ৭জন মৃত্যু ব্যক্তির পরিবারকে ১লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার মৃত্যুফান্ড, ৬জনকে ৯০ হাজার টাকা পেনশন ও ১৫জনকে ৫৭ হাজার টাকা চিকিৎসা বাবত প্রদান করা হয়। কিন্তু শহরের চকবাজার, শাসনগাছাসহ

অন্যান্য স্থানে কে বা কারা সিএনজি পরিচালনা করে বা চাঁদাবাজি করে রেজি: ১৫৬৯ এর শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দরা অবগত নয়। সিএনজিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ঢালাও ভাবে চাঁদাবাজির খবর প্রকাশ করে, এতে আমাদের বৈধ সংগঠনের ভাবমূর্তি বিলীন হতে চলছে। আমাদের সুন্দর কার্যক্রম ব্যঘাত ঘটছে। বিভিন্ন স্থানে সিএনজি নামে চাঁদাবাজি হওয়ার ব্যাপারে আমরা শ্রমদপ্তরে লিখিত ভাবে আবেদন করেছি।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা শহরে সিএনজি অটোরিক্সার জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকলেও কুমিল্লা জেলা শহরে নির্দিষ্ট কোন যাত্রী উঠা-নামা করানোর কোন স্ট্যান্ড নেই। চাঁদাবাজি, (অন টেস্ট) রেজিষ্ট্রেশন বিহীন গাড়ী আমাদের সংগঠন থেকে চালানো হয় না। বিভিন্ন উপজেলা থেকে জেলা শহরে এসব অবৈধ গাড়ি মহানগরে প্রবেশ করে আমাদের সংগঠনের সুনাম নষ্ট করছে। বিষটি নিয়ে সদর আসনের এমপি, জেলা প্রশাসক, মেয়র, পুলিশ সুপারসহ সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ যথা যথা ভাবে তদন্ত করে অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার অনুরোধ জানানো হয়।

এছাড়া কুমিল্লা মহানগরীতে সিএনজি অটোরিক্সার জন্য ১০ টি বা ২০ টি করে সিএনজি অটোরিক্সা যাত্রী উঠা-নামার জন্য পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করলে নগরীতে যানজট নিরসনের লাঘাব হবে বলে আশা করছি। এসময় সংগঠনের সভাপতি হাজী আবদুল কাদের, সহ-সভাপতি কাউসার খন্দকার,সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফাসহ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।