শনিবার ২০ অক্টোবর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » তিতাসে আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ সরকার বাবার কবর জিয়ারত করতে এসে হয়ে গেলেন রাজনীতিক : অত:পর দলীয় কোন্দলে বিষাক্ত জীবন # পারভেজ-সোহেল দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ


তিতাসে আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ সরকার বাবার কবর জিয়ারত করতে এসে হয়ে গেলেন রাজনীতিক : অত:পর দলীয় কোন্দলে বিষাক্ত জীবন # পারভেজ-সোহেল দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
03.08.2018

শাহাজাদা এমরান ।।
অপরহণ হওয়ার সুবাধে বর্তমানে দেশব্যাপী আলোচিত মুখ আওয়ামী লীগ নেতা ও কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার। এসেছিলেন বাবার কবর জিয়ারত করতে পরে পুলিশ বাহিনীর অনুরোধে ঢুকে গেলেন পুলিশিং কমিটি তিতাস উপজেলার সদস্য সচিব হিসেবে। জনগণের অনুরোধে এর পর হলেন নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান। পরে রাজনীতির মাঠে প্রবেশ করলেন আওয়ামী লীগের পতাকাতলে। একসময় দলের নিজ কর্মীদের আধিপত্য বিস্তারের বলি হয়ে গেলেন স্বয়ং নেতা পারভেজ হোসেন সরকার। তাই গত দুই বছর ধরে ঢাকায় থেকেই চালিয়ে যাচ্ছেন এলাকার রাজনীতি। সর্বশেষ গত ২৭ জুলাই ঢাকায় নিজ বাসার সামনে অপহরণ হয়ে পড়ে ৯ ঘণ্টার পর উদ্ধার হয়ে তুমুল আলোচিত হন দেশজুড়ে। এ দিকে, পারভেজ সরকার গ্রুপ ও সোহেল সিকদার গ্রুপে বিপর্যস্ত তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগ। এই দুই গ্রুপে ইতিমধ্যে একাধিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। যদি না এখনি হস্তক্ষেপ না করে কেন্দ্র।
যেভাবে রাজনীতিতে এলেন পারভেজ সরকার :
আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১( হোমনা- তিতাস) সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী পারভেজ হোসেন সরকার। অপহরণ ও উদ্ধার হওয়ার পর তার উত্থান সম্পর্কে জানতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে নানা চমকপ্রদ তথ্য।
তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের বাতাকান্দি গ্রামের বিশিষ্ট দানবীর আলহাজ বেলায়েত হোসেন সরকারের ছেলে পারভেজ হোসেন সরকার। ঢাকা -নারায়নগঞ্জে রয়েছে তাদের বিশাল জুট ব্যবসা। ঢাকা থেকেই ব্যবসা দেখাশুনা করতেন অরাজনৈতিক পারভেজ হোসেন সরকার। ১/১১’র সময়ে ছুটে এলেন তিতাসে বাবা মরহুম বেলায়েত হোসেন সরকারের কবর জিয়ারত করতে। এসে দেখেন বাবার কবরের বাউন্ডারি ভেঙে যাওয়ার সাথে সাথে কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদটির অবস্থাও সুখকর নয়। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন বাবার কবর এবং মসজিদ নির্মাণ করেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন। এই দুটি কাজ করতে গিয়ে তার লেগে গেল প্রায় ৫/৬ মাস। এই দীর্ঘ সময়ে গ্রামে অবস্থান করার কারণে তিনি সহজেই মিশে গেছেন তার নিজ গ্রামসহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের লোকজনের সাথে। তার অমায়িক ব্যবহার ও বাবার মত দানশীলতার মনোভাব দেখে তিনি সহজেই হয়ে গেলেন তিতাস উপজেলার এক ক্লিন ইমেজের আলোচিত মুখ। এরই মধ্যে তৎকালীন চট্রগ্রাম মহানগরের পুলিশ কমিশনার ও সদ্য অবসরে যাওয়া আইজিপি শহিদুল হক বিপিএম এর নির্দেশে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি উপজেলা এবং জেলায় গঠিত হয় পুলিশিং কমিটি। তিতাস থানার তৎকালীন সেকেন্ড অফিসার ও বর্তমান দেবিদ্বার থানার ওসি মিজানুর রহমান খুব অল্প সময়ে ভাল মানুষ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া পারভেজ হোসেন সরকারকে পুলিশিং কমিটিতে আসার অনুরোধ করেন। পরে স্থানীয় একটি স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক করে এবং পারভেজ হোসেন সরকারকে সদস্য সচিব করে তিতাস থানা পুলিশিং কমিটি গঠন করেন। পারভেজ সরকার দ্রুততার সাথে উপজেলার সকল ইউনিয়নের কমিটি গঠন করতে সক্ষম হন। এক পর্যায়ে চলে আসে ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচনে এলাকাবাসীর চাপে পারভেজ হোসেন সরকার আওয়ামী লীগ-বিএনপির বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করে তিতাস উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
ক্লিন ইমেজ ও কর্মিবান্ধব নেতা হওয়ার কারণে খুব দ্রুতই তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সকল অঙ্গসংগঠন গুলোর সাথে তার নিবির সম্পর্ক হয়ে উঠে। তিনি হয়ে উঠেন তিতাস উপজেলার আওয়ামী লীগের আশ্রয়স্থল। একজন আওয়ামী লীগ নেতা এবং উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি ব্যাপক উন্নয়ন তৎপরতা শুরু করেন। বিশেষ করে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে তার জেহাদ ঘোষণা এবং তৎকালীন সময়ে বাল্য বিবাহ একেবারে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সাফল্য তাকে সফল জনপ্রতিনিধির কৃতিত্ব দেয় জনগণ।
যেভাবে পারভেজ গ্রুপে যোগ দেয় সোহেল সিকদার : বর্তমান তিতাস উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সোহেল সিকদার ছিল পারভেজ হোসেন সরকারের কর্মী। জানা যায়, একটি হত্যা মামলার আসামি হয়ে সোহেল সিকদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাইরে ছিলেন। সোহেলের পিতা বর্তমান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আক্তার হোসেন ওরফে নিজাম সিকদার পারভেজ সরকারকে অনুরোধ করে, সে যেন পুত্র সোহেলকে এলাকায় এনে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। পরে আইনের মারপ্যাচ ডিঙিয়ে সোহেল সিকদারকে এলাকায় নিয়ে এলে অল্প দিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে বেশ সখ্য গড়ে ওঠে।
যেভাবে সোহেল সিকদারের সাথে বিরোধ দেখা দেয় : পারভেজ হোসেন সরকারের আরেক কর্মী গত বছর খুন হওয়া জিয়ারকান্দি ইইপি চেয়ারম্যান মনির হোসেন এলাকায় একজন ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিল। পারভেজ গ্রুপে কে পারভেজ হোসেন সরকারের সেকেন্ড ইন কমান্ড হবে এ নিয়ে সোহেল সিকদার ও মনির হোসেনের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়ে যায়। তাদের দুই ক্যাডারের আধিপত্য বিস্তার দূরদর্শিতার সাথে সামাল দিতে পারেনি পারভেজ সরকার। সোহেল – মনির পৃথকভাবেই নেতা পারভেজ হোসেন সরকারকে একে অপরকে বহিষ্কারের দাবি জানাত। কিন্তু পারভেজ সরকার কাউকেই নিজ গ্রুপ থেকে বাদ না দিয়ে দুইজনকেই নিয়ে চলতে চেষ্টা করেন। যা ভালভাবে নিতে পারেনি সোহেল সিকদার। এরপর থেকে শুরু হয় পারভেজের সাথে সোহেল সিকদারের দূরত্ব। এক পর্যায়ে হামলা-মামলায় পড়ে এলাকা ছাড়া মনির হোসেনকে ঢাকায় রেখে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাসহ সার্বিক দেখভাল করে পারভেজ সরকার। যা সোহেল সিকদারকে আরো বিষিয়ে তুলে।আর উপজেলা পরিষদ চালাতে গিয়ে কোন দুর্নীতিকে আশ্রয় না দেওয়াটাও পারভেজ সরকারের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। এরই মাঝে চলে আসে ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচন। উপজেলা নির্বাচনে পারভেজ সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সোহেল সিকদারের সমর্থন নিয়ে দাঁড়িয়ে যায় তৎকালীন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মুজিব মুন্সি। কেন্দ্র থেকে দলীয় মনোনয়নও নিয়ে আসেন তিনি। এ কথা শুনে পারভেজ সরকার দলীয় হাই কমান্ডের সাথে যোগাযোগ করে নৌকা নিয়ে আসেন তার পক্ষে। ফলে দলে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েন পারভেজ সরকার। অপর দিকে, সোহেল সিকদার ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার পাশাপাশি মুজিব মুন্সির সাথে মিলে আঁতাত করেন বিএনপির সাথে। যাতে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন আর পারভেজ সরকার চেয়ারম্যান পদে ধরাশয়ী হন। ফলশ্রুতিতে হয়েছেও তাই।
হঠাৎ এক হয়ে যায় সোহেল-মনির : ক্লিন ইমেজের অধিকারী পারভেজ সরকার দ্বিতীয় বারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান হলে আমাদের আধিপত্য বা ভাগ ভাটোয়ারা থাকবে না-এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে হঠাৎ করেই এক হয়ে যায় সোহেল -মনির। নির্বাচনের দিন মজিদপুর, জিয়ারকান্দি ও নারায়নদিয়া এই তিনটি ইউনিয়নের ১১টি কেন্দ্র সোহেল-মনির-মুজিব বিএনপির সাথে আতাত করে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি আর ভাইসচেয়ারম্যান পদে আ’লীগের সোহেল এই দুই প্রার্থীকে সিল মারা হয়। ফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা পারভেজ সরকার নির্বাচনে হেরে যায়। তবে নির্বাচনের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পারভেজ সরকার গ্রুপে চলে আসে মনির হোসেন। পরে তিনি পারভেজ সরকারের সমর্থন নিয়ে জিয়ারকান্দি ইউপির চেয়ারম্যান হন।গেল বছর কুমিল্লায় হাজিরা দিতে এসে খুন হন মনির হোসেন। সোহেল সিকদার বর্তমানে মনির হত্যাকা-ের ১ নং আসামি।
তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগ : গত ইউপি নির্বাচনের আগে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মো. আবদুল আউয়াল সরকার পারভেজ হোসেন সরকারকে সভাপতি করে জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার শওকত হোসেনকে সভাপতি করে পৃথক দুটি কমিটি ঘোষণা করেন। বেশ কয়েক মাস চলার পর দলের বৃহৎ স্বার্থে পারভেজ হোসেন সরকার নিজেই তার সভাপতি পদ ছেড়ে শওকত হোসেন-মহসিন মিয়ার কমিটিকে মেনে নিয়ে রাজনীতি শুরু করেন। এই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হচেছ সোহেল সিকদার। বর্তমানে তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত সাধারণ সম্পাদক মহসিনসহ দলের বৃহৎ অংশটি এবং ছাত্রলীগের সভাপতি-সেক্রেটারিসহ উপজেলা ছাত্রলীগ রয়েছে পারভেজ হোসেন সরকারের সাথে রয়েছে। এর সাথে যোগ রয়েছে উপজেলা ছাত্রলীগও। অপর দিকে, সোহেল সিকদারের সাথে রয়েছে জেলা যুবলীগ নেতা সারোয়ার বাবু আর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইফুল আলম মুরাদসহ যুবলীগ এবং আওয়ামীলীগের একটি ক্ষুদ্র অংশ। এক সময় এরা প্রত্যেকেই পারভেজ গ্রুপে ছিল্।

মজিদ মুন্সি আবার চলে আসে পারভেজ গ্রুপে :
গেল ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিতাস আওয়ামী লীগে আবার উত্থান পতন শুরু হয়। যুবলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে পারভেজ গ্রুপের বর্তমান জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সারোয়ার বাবু- উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইফুল আলম মুরাদ চলে যায় সোহেল গ্রুপে আর সোহেল গ্রুপের মজিদ মুন্সি চলে আসে পারভেজ গ্রুপে।
দেড় বছর ধরে এলাকায় আসেন না পারভেজ :
২০১৭ সালের শুরুতে সোহেল সিকদার গ্রুপ বাতাকন্দি বাজারে পারভেজ হোসেন সরকারের ওপর আক্রমণ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এরপর থেকে নিজেকে অনিরাপদ এবং নেতাকর্মীদের বিপদে না ফেলার কথা বলে তিনি আর এলাকায় আসেননি। তবে এলাকার রাজনীতির সাথে তার যোগাযোগ রয়েছে সার্বক্ষনিক।
অপহরণ এবং উদ্ধার :
বেশ কিছুদিন ধরেই পারভেজ হোসেন সরকার তার স্ত্রীকে বলে আসছিলেন গাড়ি ছাড়া যেন সন্তানদের নিয়ে বাসা থেকে বের না হন। গত ২৭ জুলাই ঢাকার লালমাটিয়ার ২৭ নম্বর রোডের ৩০ নম্বর বসতি নামক নিজ বাসা সংলগ্ন মসজিদ থেকে জুমা নামাজ পড়ে বাসায় আসার পথে পূর্ব থেকে উৎ পাতা দূর্বত্ত্বরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পড়ে ৮ ঘন্টার পর রাজধানীর তিনশ ফিট রাস্তাকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি :
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাবার বিষয়ে কাজ করে যাচেছন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ক্লিন ইমেজের অধিকারী হিসেবে পরিচিত পারভেজ হোসেন সরকার। অপর দিকে সোহেল সিকদার গ্রুপের পক্ষে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন বাবু।
পারভেজ হোসেন সরকার যা বললেন :
তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা ১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী পারভেজ হোসেন সরকার বলেছেন, কে বা কারা আমাকে উপহরণ করেছে তা আমি বলতে পারব না। এটা আইনশৃংখলা বাহিনী উদঘাটন করবে। তবে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও এটা করতে পারে। তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্ব সংঘাত আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালবাসে, যারা জাতীরজনক বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সৈনিক তিতাসে এদের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব নেই। সত্যিকার আওয়ামী লীগ যারা করে তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে অবশ্যই আমি মনোনয়ন চাইব। জননেত্রী ও জাতীর জনকের কন্যা শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে অবশ্যই আমি নির্বাচন করব এবং বিজয়ের ব্যাপারেও আমি আশাবাদী।
সোহেল সিকদার যা বললেন : তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল সিকদার বলেন, আমাদের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব নেই। তবে পারভেজ সরকারের অপহরণের বিষয়ে তার পরিবার থেকে কেন আমাকে সন্দেহ করা হলো জানি না। পুলিশ সঠিক তদন্ত করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।