সোমবার ১৯ নভেম্বর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ »sub lead 1 » হোমনায় নদী থেকে বালু উত্তোলনে ঘরবাড়ি বিলীন ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে ঠিকাদার মোর্শেদুল ইসলাম শাজু, হোমনা কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় তিতাস নদী থেকে সরকারি ড্রেজার দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে ব্যাপকহারে বালু উত্তোলনের ফলে বিলীন হচ্ছে বসত ঘরবাড়িসহ ফসলী জমি। তীরবর্তী বসত ঘরসহ দুটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনায় আড়াই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন ঠিকাদার। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। গতকাল রোববার হোমনা পৌরসভা কার্যালয়ে এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার বাগমারা গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় নদীগর্ভে ওই ঘর-বাড়ি বিলীন হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সরেজমিন তদন্তে আসেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এরা হলেন- হোমনা পৌর মেয়র মো. নজরুল ইসলাম, নৌ কল্যান ফাউন্ডেশন কোম্পানি লিমিটেড -এর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মিনা, বিআইডাব্লিউটিএ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ রানা ও জাকির হোসেন, বিন্যাস এসোসিয়েটের কনসালটেন্ট মো. মহিবুল্লাহ, সাব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমেনা গ্রুপের প্রতিনিধি বকুল মাহমুদ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবুল, বাগমারা গ্রামের মো. বাবুল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নৌ কল্যান ফাউন্ডেশন কোম্পানি লিমিটেড এর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মিনা নদীগর্ভে ঘরবাড়ি বিলীন মানতে নারাজ। তিনি বলেন, আপনারাতো ইতিহাস জানেন না; নদীর ওই জায়গায় দশ বছর ধরেই ভাঙছে। নদীর আইনে নদীর পারের এ সব জায়গায় কোনো বাড়ি থাকার কথা না। তবুও গরীব মানুষ হিসেবে আমরা তাকে সহায়তা করছি। কত টাকা দিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি- সে সময় মেয়র সাহেব উপস্থিত থাকার কথা জানিয়ে- সেখান থেকেও জেনে নেওয়ার কথা বলেন। তবে পরোক্ষভাবে তিনি আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর মেয়র অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার মালিককে ৫০ হাজার, দুটি ঘর নির্মাণে এক লাখ ৫০ হাজার, মালপত্র বাবাদ ৩৫ হাজার, তিনটি বৈদ্যুতিক মিটার বাবাদ ১০ হাজার এবং মালমাল সরানো বাবদ পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ক্ষতিপূরণের টাকা দিচ্ছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নৌ কল্যাণ ফাউন্ডেশন ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড। তিনি আরও বলেন, ’আমার পৌর এলাকায় কোনো ড্রেজার চলতে দেওয় হবে না। উল্লেখ, গতকাল দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় ‘ হোমনায় অপিরিকল্পিত নদী খনন-বসতবাড়ি বিলীনের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।


হোমনায় নদী থেকে বালু উত্তোলনে ঘরবাড়ি বিলীন ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে ঠিকাদার মোর্শেদুল ইসলাম শাজু, হোমনা কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় তিতাস নদী থেকে সরকারি ড্রেজার দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে ব্যাপকহারে বালু উত্তোলনের ফলে বিলীন হচ্ছে বসত ঘরবাড়িসহ ফসলী জমি। তীরবর্তী বসত ঘরসহ দুটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনায় আড়াই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন ঠিকাদার। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। গতকাল রোববার হোমনা পৌরসভা কার্যালয়ে এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার বাগমারা গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় নদীগর্ভে ওই ঘর-বাড়ি বিলীন হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সরেজমিন তদন্তে আসেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এরা হলেন- হোমনা পৌর মেয়র মো. নজরুল ইসলাম, নৌ কল্যান ফাউন্ডেশন কোম্পানি লিমিটেড -এর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মিনা, বিআইডাব্লিউটিএ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ রানা ও জাকির হোসেন, বিন্যাস এসোসিয়েটের কনসালটেন্ট মো. মহিবুল্লাহ, সাব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমেনা গ্রুপের প্রতিনিধি বকুল মাহমুদ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবুল, বাগমারা গ্রামের মো. বাবুল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নৌ কল্যান ফাউন্ডেশন কোম্পানি লিমিটেড এর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মিনা নদীগর্ভে ঘরবাড়ি বিলীন মানতে নারাজ। তিনি বলেন, আপনারাতো ইতিহাস জানেন না; নদীর ওই জায়গায় দশ বছর ধরেই ভাঙছে। নদীর আইনে নদীর পারের এ সব জায়গায় কোনো বাড়ি থাকার কথা না। তবুও গরীব মানুষ হিসেবে আমরা তাকে সহায়তা করছি। কত টাকা দিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি- সে সময় মেয়র সাহেব উপস্থিত থাকার কথা জানিয়ে- সেখান থেকেও জেনে নেওয়ার কথা বলেন। তবে পরোক্ষভাবে তিনি আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর মেয়র অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার মালিককে ৫০ হাজার, দুটি ঘর নির্মাণে এক লাখ ৫০ হাজার, মালপত্র বাবাদ ৩৫ হাজার, তিনটি বৈদ্যুতিক মিটার বাবাদ ১০ হাজার এবং মালমাল সরানো বাবদ পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ক্ষতিপূরণের টাকা দিচ্ছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নৌ কল্যাণ ফাউন্ডেশন ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড। তিনি আরও বলেন, ’আমার পৌর এলাকায় কোনো ড্রেজার চলতে দেওয় হবে না। উল্লেখ, গতকাল দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় ‘ হোমনায় অপিরিকল্পিত নদী খনন-বসতবাড়ি বিলীনের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।


আমাদের কুমিল্লা .কম :
10.09.2018

মোর্শেদুল ইসলাম শাজু, হোমনা
কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় তিতাস নদী থেকে সরকারি ড্রেজার দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে ব্যাপকহারে বালু উত্তোলনের ফলে বিলীন হচ্ছে বসত ঘরবাড়িসহ ফসলী জমি। তীরবর্তী বসত ঘরসহ দুটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনায় আড়াই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন ঠিকাদার। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। গতকাল রোববার হোমনা পৌরসভা কার্যালয়ে এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার বাগমারা গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় নদীগর্ভে ওই ঘর-বাড়ি বিলীন হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সরেজমিন তদন্তে আসেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এরা হলেন- হোমনা পৌর মেয়র মো. নজরুল ইসলাম, নৌ কল্যান ফাউন্ডেশন কোম্পানি লিমিটেড -এর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মিনা, বিআইডাব্লিউটিএ’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ রানা ও জাকির হোসেন, বিন্যাস এসোসিয়েটের কনসালটেন্ট মো. মহিবুল্লাহ, সাব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমেনা গ্রুপের প্রতিনিধি বকুল মাহমুদ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাবুল, বাগমারা গ্রামের মো. বাবুল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নৌ কল্যান ফাউন্ডেশন কোম্পানি লিমিটেড এর পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম মিনা নদীগর্ভে ঘরবাড়ি বিলীন মানতে নারাজ। তিনি বলেন, আপনারাতো ইতিহাস জানেন না; নদীর ওই জায়গায় দশ বছর ধরেই ভাঙছে। নদীর আইনে নদীর পারের এ সব জায়গায় কোনো বাড়ি থাকার কথা না। তবুও গরীব মানুষ হিসেবে আমরা তাকে সহায়তা করছি। কত টাকা দিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি- সে সময় মেয়র সাহেব উপস্থিত থাকার কথা জানিয়ে- সেখান থেকেও জেনে নেওয়ার কথা বলেন। তবে পরোক্ষভাবে তিনি আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর মেয়র অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার মালিককে ৫০ হাজার, দুটি ঘর নির্মাণে এক লাখ ৫০ হাজার, মালপত্র বাবাদ ৩৫ হাজার, তিনটি বৈদ্যুতিক মিটার বাবাদ ১০ হাজার এবং মালমাল সরানো বাবদ পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ক্ষতিপূরণের টাকা দিচ্ছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নৌ কল্যাণ ফাউন্ডেশন ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড। তিনি আরও বলেন, ’আমার পৌর এলাকায় কোনো ড্রেজার চলতে দেওয় হবে না।
উল্লেখ, গতকাল দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় ‘ হোমনায় অপিরিকল্পিত নদী খনন-বসতবাড়ি বিলীনের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়।