শনিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮


বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকের যাবজ্জীবন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
10.10.2018

২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলা
২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়ছে।ে মামলার জীবতি ৪৯ আসামরি মধ্যে সাবকে স্বরাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবকে উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পন্টিুসহ ১৭ জনকে মৃত্যুদণ্ডরে রায় দয়িছেনে বচিারক। বএিনপরি ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান তারকে রহমান ও বএিনপি চয়োরপারসনরে সাবকে রাজনতৈকি সচবি হারছি চৌধুরীসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দওেয়া হয়ছে।ে অন্যদরে বভিন্নি ময়োদে কারাদণ্ড দওেয়া হয়ছে।ে পুরান ঢাকার কন্দ্রেীয় কারাগাররে সামনে স্থাপতি ঢাকার দ্রুত বচিার ট্রাইবুনাল ১-এর বচিারক শাহদে নূরউদ্দনি আজ বুধবার (১০ অক্টোবর) এই রায় ঘোষণা করনে। রায়রে সময় ৩১ আসামকিে আদালতে হাজরি করা হয়। বলো ১২টার দকিে রায় ঘোষণা করা হয়ছে।ে মামলার পলাতক আসামদিরে বরিুদ্ধে গ্রফেতারি পরোয়ানা জারি করছেনে আদালত।

বচিারক আদালত এজলাসে বসনে ১১টা ৪০ মনিটি।ে এর পরপরই তনিি রায় পড়া শুরু করনে। বচিারক এজলাসে আসার আগইে ১১টা ২০ মনিটিে আসামদিরে কাঠগড়ায় তোলা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামরিা হলনে- জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জহিাদরে নতো মাওলানা তাজউদ্দনি, সাবকে স্বরাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী লুৎফজ্জমান বাবর, এনএসআই’র সাবকে মহাপরচিালক মজের জনোরলে (অব.) রজ্জোকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রগিডেয়িার জনোরলে (অব.) আবদুর রহমি, শখে আবদুস সালাম, বএিনপি নতো ও সাবকে উপমন্ত্রী আবদুল সালাম পন্টিু, আবদুল মাজদে ভাট ওরফে ইউছুফ ভাট, আবদুল মালকে ওরফে গোলাম মোস্তফা ওরফে জএিম, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শখে ফরদি, মহবি উল্লাহ ওরফে মফজিুর রহমান ওরফে অভ,ি মাওলানা আবু সায়ীদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গরি আলম, হাফজে মাওলানা আবু তাহরে, হোসাইন আহমদে তামীম, মঈন উদ্দনি শখে ওরফে মুফতি মঈন উদ্দনি ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বল্লিাহ, রফকিুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালদি সাইফুল্লাহ ওরফে শামীম ওরফে রাশদে, মো. উজ্জল ওরফে রতন, হানফি পরবিহনরে মালকি মোহাম্মদ হানফি।

এর মধ্যে মাওলানা তাজউদ্দনি ও মোহাম্মদ হানফি পলাতক রয়ছেনে। বাকি ১৭ আসামি কারাগারে আছনে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামদিরে বরিুদ্ধে অভযিোগ ছলি, তারা গ্রনেডে নক্ষিপে ও বস্ফিোরণ ঘটয়িে এবং এই অপরাধে সহায়তা করে হত্যা সঙ্গে জড়তি ছলিনে। অভযিোগে তাদরে দোষী সাব্যস্ত করা হয়ছে।ে প্রত্যককে এক লাখ টাকা করে জরমিানা করা হয়ছে।ে

এর আগে গত ১৮ সপ্টেম্বের মামলার রায়রে দনি র্ধায করা হয়। মামলার ৫২ আসামরি মধ্যে তনিজন মারা গছেনে। মামলার আসামি বএিনপ-িজামায়াত জোটরে মন্ত্রী ও জামায়াতরে সক্রেটোরি জনোরলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহদি, হরকাতুল জহিাদ নতো মুফতি আব্দুল হান্নান ও শরীফ শাহদেুল আলমরে ফাঁসি হয়ছেে অন্য মামলায়। বাকি আসামদিরে মধ্যে ৩১ জন কারাবন্দ।ি বএিনপরি ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান তারকে রহমানসহ ১৮ আসামি এখনও ধরাছােঁয়ার বাইর।ে তাদরে মধ্যে ৯ জন যুক্তরাজ্যসহ বভিন্নি দশেে অবস্থান করছ।ে ভারতে কারাবন্দি রয়ছেে দুইজন। অন্য সাত আসামরি অবস্থান সর্ম্পকে নশ্চিতি নয় আইনশৃঙ্খলা বাহনিী।

আদালতে নওেয়ার পথে লুৎফুজ্জামান বাবর (ছব:ি নাসরিুল ইসলাম)

মামলার গুরুত্বর্পূণ আসামি তারকে রহমানকে ফরিয়িে আনতে যুক্তরাজ্য সরকাররে সঙ্গে আলোচনা চলছ।ে আর অন্যদরে ফরিয়িে আনতে ইন্টারপোলরে সহায়তা চাওয়া হয়ছেে বলে জানয়িছেনে পররাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী শাহরয়িার আলম।

অভযিোগ গঠনরে পর বচিারকি র্কাযক্রম শুরুর পর ২২৫ জনরে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরপর আসামদিরে জরো করনে আসামি পক্ষরে আইনজীবীরা। পরে রাষ্ট্র ও আসামপিক্ষে ১১৯ র্কাযদবিস যুক্তর্তিকরে মাধ্যমে শুনানি করনে। এতে আসামপিক্ষ ৯০ র্কাযদবিস এবং রাষ্ট্রপক্ষ ২৯ র্কাযদবিস শুনানি করছেে বলে জানয়িছেনে রাষ্ট্রপক্ষরে সনিয়ির আইনজীবী সয়ৈদ রজোউর রহমান।

উল্লখ্যে, ২০০৪ সালরে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভনিউিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শখে হাসনিার জনসভায় গ্রনেডে হামলা চালানো হয়। হামলায় আওয়ামী লীগরে ২২ জন নতোর্কমী ও অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি নহিত হন। তবে ওই হামলার প্রধান র্টাগটে ছলিনে আওয়ামী লীগ সভানত্রেী ও সে সময়রে বরিোধীদলীয় নতো শখে হাসনিা। প্রাণে বঁেচে গলেওে গুরুতর আহত হন তনি।ি
প্রজিন ভ্যানে করে আদালতে নওেয়া হয় আসামদিরে (ছব:ি নাসরিুল ইসলাম)

হামলার পরদনি ২২ আগস্ট মতঝিলি থানার এস আই শরীফ ফারুক আহমদে বাদী হয়ে দণ্ডবধিরি ১২০/ব,ি ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২, ২০১, ১১৮, ১১৯, ২১২, ৩৩০, ২১৮, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় একটি মামলা (নং-৯৭) দায়রে করনে। মামলা দায়রেরে পর প্রথমে মতঝিলি থানা পুলশি ও পরে ঢাকা মহানগর গোয়ন্দো (ডবি)ি পুলশি মামলাটরি তদন্ত কর।ে গোয়ন্দো পুলশি কছিুদনি মামলাটরি তদন্ত চালানোর পর পুলশিরে অপরাধ তদন্ত বভিাগকে (সআিইড)ি তদন্তরে দায়ত্বি দওেয়া হয়। সআিইডরি সাবকে বশিষে পুলশি সুপার রুহুল আমনি, সাবকে এএসপি মুন্সী আতকিুর রহমান, সাবকে এএসপি আবদুর রশদি র্পযায়ক্রমে তদন্ত র্কমর্কতা নযিুক্ত হয়ে মামলাটরি তদন্ত র্কাযক্রম পরচিালনা করনে। তদন্ত শুরুর কয়কে দনি পরই নোয়াখালীর সনেবাগরে জজ ময়িা নামরে এক যুবককে গ্রফেতার করে গ্রনেডে হামলার রহস্য উদঘাটনরে দাবি করনে সআিইডি র্কমর্কতারা। কন্তিু ২০০৭ সালে ওয়ান ইলভেনেরে পটপরর্বিতনরে পর ২১ আগস্ট হামলা মামলারও চত্রি পাল্টে যতেে থাক।ে তদন্তরে দায়ত্বি দওেয়া হয় সআিইডরি এএসপি ফজলুল কবরিক।ে ২০০৮ সালরে ৯ জুন হরকাতুল জহিাদ নতো মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে অভযিুক্ত করে হত্যা ও বস্ফিোরক আইনে সএিমএম আদালতে দুটি অভযিোগপত্র (র্চাজশটি) দাখলি করনে এএসপি ফজলুল কবরি। ওই বছরই মামলা দুটরি র্কাযক্রম দ্রুত বচিার ট্রাইবুনাল ১-এ স্থানাস্তর করা হয়। এ আদালতে হত্যা ও বস্ফিোরক আইনরে ২৯/১১ (হত্যা) ও ৩০/১১ (বস্ফিোরক) ধারায় মামলা দুটরি বচিার র্কাযক্রম শুরু হয়। পুরনো ঢাকার নাজমি উদ্দনি রোডে পুরনো ঢাকা কন্দ্রেীয় কারাগাররে পাশে পডিব্লউিডরি একটি পুরনো সরকারি ভবনকে অস্থায়ী আদালত ঘোষণা করা হয়। এ আদালতে হত্যা ও বস্ফিোরক আইনরে ২৯/১১ (হত্যা) ও ৩০/১১ (বস্ফিোরক) ধারায় মামলা দুটরি বচিার র্কাযক্রম চল।ে

২১ আগস্টে আওয়ামী লীগরে জনসভায় গ্রনেডে হামলার ঘটনার পর শখে হাসনিা (ফাইল ছব)ি

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নতেৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় গলেে পুরোপুরি পাল্টে যায় এ মামলার তদন্তরে ধারা। ৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণরে পর ২০০৯ সালরে ২৫ জুন আদালতরে কাছে এ মামলার অধকিতর তদন্তরে আবদেন জানান রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শষেে ওই বছররে ৩ আগস্ট আদালত অধকিতর তদন্তরে আবদেন মঞ্জুর করনে। অধকিতর তদন্তরে দায়ত্বি দওেয়া হয় সআিইডরি বশিষে পুলশি সুপার আবদুল কাহার আকন্দক।ে র্দীঘ তদন্তরে পর তনিি বএিনপরি সনিয়ির ভাইস চয়োরম্যান তারকে রহমান, হারছি চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসনে কায়কোবাদ ও আবদুস সালাম পন্টিুসহ আরও ৩০ জনকে অভযিুক্ত করে ২০১১ সালরে ২ জুলাই আদালতে সম্পূরক র্চাজশটি দাখলি করনে। অধকিতর তদন্তে গ্রনেডে হামলার সঙ্গে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জহিাদরে (হুজ)ি পাশাপাশি হাওয়া ভবনরে সংশ্লষ্টিতাও খুঁজে পান তনি।ি মামলাকে ভন্নিখাতে প্রবাহতি করার অভযিোগে সআিইড’ির প্রথম তনি তদন্ত র্কমর্কতাকওে অধকিতর তদন্তে অভযিুক্ত করনে আবদুল কাহার আকন্দ।

এ ঘটনায় দায়রে করা মামলায় মোট আসামি ৫২ জন। এরমধ্যে বএিনপ-িজামায়াত জোটরে মন্ত্রী ও জামায়াতরে সক্রেটোরি জনোরলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহদি, হরকাতুল জহিাদ নতো মুফতি আব্দুল হান্নান ও শরীফ শাহদেুল আলমরে ফাঁসি হয়ছেে অন্য মামলায়। বাকি আসামদিরে মধ্যে ৩১ জন কারাবন্দ।ি

২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলার আসামরিা

পলাতক ১৮ আসামরি মধ্যে বএিনপরি সনিয়ির ভাইস চয়োরম্যান তারকে রহমান ও বএিনপি নতো হারছি চৌধুরী যুক্তরাজ্য,ে বএিনপি নতো মোফাজ্জল হোসইেন কায়কোবাদ ও হরকাতুল জহিাদ নতো জাহাঙ্গীর বদর সংযুক্ত আরব আমরিাত,ে তৎকালীন ডজিএিফআই’র র্কমর্কতা মজের জনোরলে (অব.) এটএিম আমনি যুক্তরাষ্ট্র,ে আরকে র্কমর্কতা ল.ে র্কনলে (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার কানাডায় রয়ছে।ে এছাড়া মাওলানা তাজউদ্দনি ও তার ভাই বাবু ওরফে রাতুল বাবু দক্ষণি আফ্রকিায়, পরবিহন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হানফি থাইল্যান্ডে অবস্থান করছনে। আর ভারতরে কারাগারে আছে দুই জঙ্গ—িআনসিুল ইসলাম মোরসালনি ও মুহবিুল ইসলাম মুত্তাকনি।

অন্য আসামদিরে মধ্যে হরকাতুল জহিাদ নতো শফকিুর রহমান, আব্দুল হাই, দলেোয়ার হোসনে জোবায়রে ওরফে লটিন, খললিুর রহমান ও ইকবাল এবং পুলশি র্কমর্কতা খান সাঈদ হাসান ও ওবায়দুর রহমান কোথায় আছ,ে সে সর্ম্পকে সুনর্দিষ্টি কোনও তথ্য নইে আইনশৃঙ্খলা বাহনিীর কাছ।ে

কারাবন্দি থাকা আসামরিা হলো বএিনপ-িজামায়াত জোট সরকাররে স্বরাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পন্টিু, সামরকি গোয়ন্দো অধদিফতররে সাবকে মহাপরচিালক মজের জনোরলে (অব.) রজ্জোকুল হায়দার চৌধুরী, জাতীয় নরিাপত্তা গোয়ন্দো সংস্থার সাবকে মহাপরচিালক ব্রগিডেয়িার জনোরলে (অব.) আব্দুর রহমি, পুলশিরে সাবকে আইজি শহদিুল হক, খোদা বক্স ও আশরাফুল হুদা, বএিনপি চয়োরপারসন বগেম খালদো জয়িার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডউিক, ঢাকা সটিি করপোরশেনেরে সাবকে কাউন্সলির আরফিুল ইসলাম আরফি, সআিইডরি সাবকে তনি র্কমর্কতা মুন্সী আতকিুর রহমান, আব্দুর রশীদ ও রুহুল আমনি, পাকস্তিানি নাগরকি আব্দুল মজদি ওরফে ইউসুফ ভাট ওরফে আব্দুল মাজদে ভাট, হরকাতুল জহিাদ ও অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনরে নতো মাওলানা শখে আব্দুস সালাম, মাওলানা শখে ফরদি, আব্দুল মালকে ওরফে গোলাম মোস্তফা ওরফে জএিম, মাওলানা আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বরি, মাওলানা আব্দুর রউফ, হাফজে মাওলানা ইয়াহয়িা, মহবিুল্লাহ ওরফে মফজিুর রহমান ওরফে অভ,ি মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডাক্তার আবু জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, হাফজে মাওলানা আবু তাহরে, শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়লে, হোসাইন আহম্মদে তামমি, মঈন উদ্দনি শখে ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বল্লিাহ, আরফি হাসান ওরফে সুমন ওরফে আব্দুর রাজ্জাক, রফকিুল ইসলাম সবুজ ওরফে খালদি সাইফুল্লাহ ওরফে শামমি ওরফে রাশদে, উজ্জ্বল ওরফে রতন ও আবু বকর ওরফে হাফজে সলেমি হাওলাদার। তারা বভিন্নি সময়ে গ্রফেতার হয়ে কারাগারে আছ।ে