শনিবার ১৯ জানুয়ারী ২০১৯


বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে জেগে উঠে বাংলাদেশ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
10.01.2019


স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ যখন নেতৃত্ব শূন্য, দিশেহারা, যুদ্ধবিধস্ত পোড়া মাটিতে হাহাকারের আর্তনাদ চলছিলো। তখন এক পশলা বৃষ্টির মতো এলেন বঙ্গবন্ধু। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তিনি পোড়া মাটিতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নবীজ রোপণ করেছিলেন। তিনি যুদ্ধ পরবর্তী দেশে ফিরে শূন্য হাতেই দেশের প্রতিটি সেক্টরকে অল্প সময়ে গুছিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা শুরু করেন। আজ সে স্বপ্নের অগ্রযাত্রার পদধ্বনি শুনছে বিশ্ববাসী। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কথা বলেছেন শিক্ষক, কুমিল্লার জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদরা। তাদের সাথে কথা বলেছেন আমাদের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার মাহফুজ নান্টু।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ফসল আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ
রাশেদা রওনক খান
শিক্ষ, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

কিভাবে একটি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে আবার যুদ্ধ বিধস্ত দেশটিকে পুন:গঠন করতে হয় তা করে দেখিয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।
স্বাধীনতা অর্জনের পরে প্রিয় মাতৃভূমি যখন নেতৃত্ব শূন্য দিশেহারা, যুদ্ধবিধস্ত পোড়া মাটিতে হাহাকারের আর্তনাদ চলছিলো বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে পোড়া মাটিতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নবীজ রোপণ করেছিলেন। তিনি যুদ্ধ পরবর্তী দেশে ফিরে শূন্য হাতেই দেশের প্রতিটি সেক্টরকে অল্প সময়ে গুছিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা শুরু করেন। আজ সে স্বপ্নের সে অগ্রযাত্রার পদধ্বনি শুনছে বিশ্ববাসী, সে স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটে চলছে। তাই নিঃসন্দেহে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনটি বাঙ্গালী জাতির জন্য একটি গুরত্বপূর্ণ অধ্যায়। তবে তার সাথে জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলংকজনক অধ্যায়টিও যুক্ত হয়েছিলো নিজ দেশে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনায়। এখানে একটি বিষয় আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে, বঙ্গবন্ধুকে যেসব চিহ্নিত শত্রুরা হত্যা করতে সাহস পায়নি সে বীরকে নিজ দেশের শত্রুদের হাতে নির্মম ভাবে প্রাণ দিতে হলো। তাই আমি বলবো বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রীর সাথে হাত হাত মিলিয়ে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনই আজকের স্বপ্নের সোনার বাংলা- ভবিষ্যতের উন্নত বাংলাদেশ.. আবদুল হাই বাবলু,সাংগঠনিক সম্পাদক, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ।

যুদ্ধের ডাক দিয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে স্বাধীনতা স্বাদ পাওয়া জাতিকে পুন:গঠিত করতে যে পরিকল্পনা করেছেন সে পরিকল্পনার সুফল ভোগ করছে পুরো বাঙ্গালী জাতি। তবে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার মধ্য দিয়ে সে স্বপ্নকে আবারো দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছিলো। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কারিগর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা জাতির জনকের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে চলছেন মূলত আজকের সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং ৪১ সালের উন্নত দেশের মূলভিত্তি বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক৷ আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে অচিরেই বাংলাদেশ বিশ্বের মাঝে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। আর এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে – বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও দেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পনাকে অনুসরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বক সমর্থন করে এগিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তণ বাঙ্গালী জাতির অহংকারের দিন- সৌভাগ্যের দিন ।। নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম। ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ।

দেশ স্বাধীন করার পর বঙ্গবন্ধুর শূন্যতায় ভুগছিলেন পুরো জাতি। যুদ্ধ বিধস্ত দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর দেশটিকে তিনি নেতৃত্বে দিয়ে দাঁড় করিয়েছেন।
জাতি তখন পর্যন্ত শংকিত ছিলো- বঙ্গবন্ধু জীবিতভাবে দেশে ফিরতে পারবেন কিনা। যখন বঙ্গবন্ধুকে বহণকারী বিমানটি বাংলার মাটিতে এসে থামলো তখন সাড়ে সাত কোটি মানুষ কেঁদেছিলো। এ কান্না ছিলো আনন্দের, এ কান্না ছিলো নেতাকে ফিরে পাওয়ার। তারপর আবারও এক ট্য্রাজেডি ঘটলো। বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে হত্যা করে।
তবে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্য বাঙ্গালী জাতির আলোর দিশারী চারবারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে খুব অল্প সময়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে সর্বক্ষেত্রে অবস্থান জানান দিচ্ছে।

দেশের একজন নাগরিক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনটি আমি পুরো দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইল ফলক হিসেবে দেখছি। আমি আশা করি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করতে সচেষ্ট থাকবে।

বাঙ্গালী জাতির জন্য আর্শীবাদ ছিলো বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যবর্তন: এড. আমিনুল ইসলাম টুটুল। উপজেলা চেয়ারম্যান,আদর্শ সদর,কুমিল্লা।

বাংলাদেশকে পরাধীনতার শৃংখল থেকে মুক্ত করে সাত কোটি বাঙ্গলী ও পোড়া মাটির যুদ্ধবিধস্ত দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে থেমে থাকেননি বঙ্গবন্ধু।
গোটা জাতির জন্য বিভিন্ন দেশ ও আমাদের দেশের মানুষজনের সাথে পরামর্শ করে করেছিলেন। তার ফলশ্রুতিতে আমরা একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি।
তবে শত্রুপক্ষ আমাদের সে স্বপ্নকে ধুলিস্মাৎ করে দিতে ১৯৭৫ সালের১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। তবে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ খুব কম সময়ে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমি দেশের একজন নাগরিক হিসেবে কিংবা একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি ও বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পরিবারের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। পাশাপাশি দেশের একজন নাগরিক হিসেবে বলতে চাই, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।এতে করে আগামী দিনে যারা দেশকে নেতৃত্ব দিবে তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত থাকবে। আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আকড়ে ধরা নেতৃত্ব সফল হবেই।