বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর ২০১৯


চাঁদপুরে সাড়ে ৫ হাজার মে. টন খিরা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
16.01.2019


কে এম মাসুদ
চাঁদপুর দেশের অন্যতম নদী বেষ্টিত কৃষি প্রধান অঞ্চল। মেঘনা, পদ্মা, মেঘনা ধনাগোদা ও ডাকাতিয়া নদী এ জেলা ওপর দিয়ে বয়ে যাওযায় কৃষি উৎপাদনে নদী অববাহিকায় ব্যাপক ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে।
এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কমবেশি খিরা উৎপাদন হয়ে থাকে । নদীর তীর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ব্যাপকহারে এ খিরার চাষাবাদ ও উৎপন্ন হয় ।
জেলার ১১ টি নদীমাতৃক চরাঞ্চলে এর ব্যাপক চাষাবাদ হয়। এটি দুই মাসের ফসল। বপনের ৩০ দিনের মধ্যেই মাঠ থেকে খিরা তোলা শুরু হয়।
চলতি মৌসুমে চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলায় এবার সাড়ে ৪ শ’ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ সাড়ে ৫ হাজার মেট্টিক টন খিরা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে খাবার বাড়ি চাঁদপুর কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক এক তথ্যে জানা গেছে।
খিরাচাষি রোশনাই প্রামাণিক জানান, প্রতি বছরের মতো এ বছরও তিন বিঘা জমিতে খিরার চাষ করেছেন তিনি। চাষবাস থেকে শুরু করে এ যাবৎ প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আরো প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে।
যদি ফলন ভালো হয় এবং কোনো মোড়ক না আসে তাহলে তিন বিঘা জমি থেকে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি।
কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদরে ১,৫৮০ মে. টন, মতলব উত্তরে ১ হাজার ৮২০ মে. টন, মতলব দক্ষিণ ২’শ ৯৫ মে. টন, হাজীগঞ্জ ৯ শ’ ৮৮ মে. টন, শাহারাস্তি ৩৯৫ মে. টন, কচুয়ায় ২’শ ১৪ মে. টন, ফরিদগঞ্জে ৫৯৫ মে. টন এবং হাইচমচরে ৩৩গ মে. টন খিরা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে চাঁদপুরের সব উপজেলার ছোট-বড় প্রায় ৩ শতাধিক হাট বাজারের শত শত হোটেল- রেস্তোরাঁয় খিরার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। এ ছাড়াও প্রতিটি পরিবারের ছোট বড় সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, ওয়াজ, দোয়া ও বিয়েতে এর চাহিদা অপ্রতিরোধ্য। চিকিৎসকদের মতে, খিরা হজমশক্তি বৃদ্ধি ও চর্বি দমনের একটি টনিক হিসেবে কাজ করে।

০২। সোমবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক সাধারন সভায় বক্তব্য রাখছেন সভাপতি অ্যাড. আব্দুল লতিফ শেখ।

০৩। চাঁদপুর জেলা বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট সংগঠক প্রয়াত পিযূষ কান্তি রায় চৌধুরীকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন চাঁদপুর জেলা বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের নেতৃবৃন্দ।