সোমবার ২২ জুলাই ২০১৯
  • প্রচ্ছদ »sub lead 2 » কাজী জাফরের সম্পত্তি থেকে জরিমানা আদায়ের নির্দেশ


কাজী জাফরের সম্পত্তি থেকে জরিমানা আদায়ের নির্দেশ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
30.01.2019


সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদের মৃত্যুর কারণে তার ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। তবে তাকে জারিমানা করা ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ হয়।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। আর আসামির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, এরশাদ সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ৯১ দশমিক ৫৮০ মেট্রিক টন গম ও ৪৬ হাজার মেট্রিক টন চাল আত্মসাত করেন কাজী জাফর আহমেদ। ওই গম ও চালের তৎকালীন সরকারি মূল্য ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৫ টাকা। পরে বিষয়টি তদন্ত করে ১৯৯৪ সনের ১২ জানুয়ারি খুলনা জেলা দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তৎকালীন পরিদর্শক মো. মহীদুল ইসলাম মোল্যা খুলনা দিঘলিয়া থানায় তিন জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
কাজী জাফর ছাড়াও মামলার অন্য দুই আসামি হলেন, খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন ও সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গাজী মো. সিরাজ।
মামলাটির বিচার শেষে খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ ১৯৯৯ সনের ২ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন। রায়ে কাজী জাফর আহমেদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে আরও চার বছরের কারাদণ্ড দেন। এরপর সেই রায়ের বিরুদ্ধে কাজী জাফর আহমেদ হাইকোর্টে আপিল করেন।
কিন্তু আপিলটি শুনানিতে আসার আগেই কাজী জাফর আহমেদ ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট মারা যান। তার মৃত্যুর প্রায় তিন বছর পর আপিল আবেদনটি শুনানির জন্য উঠলে আদালত কাজী জাফরকে বিচারিক আদালতের দেওয়া কারাদণ্ডাদেশ বাতিল করেন এবং জরিমানার অর্থ আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

তামিমের ব্যাটে শীর্ষে কুমিল্লা
চট্টগ্রামে হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না চিটাগং ভাইকিংস। তাদের টানা তৃতীয় হারের তেতো স্বাদ দিয়ে বিপিএলে শীর্ষে উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তামিম ইকবালের চমৎকার ফিফটিতে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে চিটাগংকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে কুমিল্লা। এই জয়ে ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে তারা। সমান খেলে ১২ পয়েন্টে দুই ও তিনে রংপুর রাইডার্স ও চিটাগং।
বৃষ্টির কারণে দুই ইনিংসই নির্ধারিত হয় ১৯ ওভার করে। তাতে আগে ব্যাট করা চিটাগং ৮ উইকেটে করে ১১৬ রান। কুমিল্লা ১৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে করে ১১৭ রান।
লক্ষ্যে নেমে স্বাচ্ছন্দ্যে জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা। ওপেনিংয়ে নেমে তামিম ৫৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান। তার ৫১ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও দুটি ছয়। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের সঙ্গে ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন থিসারা পেরেরা।
তার আগে এনামুল হক বিজয় (৮) দলীয় ২৬ রানে বিদায় নিলে ভাঙে কুমিল্লার উদ্বোধনী জুটি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে তামিম ও শামসুর রহমানের ৬৫ রানের জুটি দলের জয়ের পথ সুগম করে। শামসুর ২২ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩৬ রান করে রাহীর শিকার হন। চিটাগং পেসার তার পরের ওভারে ফেরান কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুল কায়েসকে (৮)। ৪ ওভারে ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন কুমিল্লার অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি।

টাকা নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল বাবার, গেল র‌্যাব
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা থেকে অপহরণকৃত কিশোর জিতু মিয়াকে (১৩) ময়মনসিংহ থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার ভোরে ময়মনসিংহ সদর থেকে তাকে উদ্ধার করে র‌্যাব-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। এ ঘটনায় সাতজন অপহরণকারীকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে র‌্যাব-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আটককৃতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে লোকমান হোসেন (৪০), একই গ্রামের তনজু খাদেমের ছেলে ফোরকান খাদেম (৩০), ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চক ছত্তরপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মো. চাঁন মিয়া (৩২), কেরয়াটখালী গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আজিজুল হাকিম (২২), তারাকান্দা উপজেলার শিমুলতলী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে খায়রুল ইসলাম (২২), ত্রিশাল উপজেলার কুইষ্টা গ্রামের নেওয়াজ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২২) ও ধোবাউড়া উপজেলার মাহামুদ আলীর ছেলে এরশাদ আলী (২৫)।
র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার রাফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, ২৫ জানুয়ারি বিজয়নগর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে জিতু মিয়া বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দুইদিন পর অপহরণকারী দলের সদস্যরা জিতুর বাবা আল আমিনকে ফোন করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
মুক্তিপণের টাকা কবে-কোথায় দিতে হবে জানতে চাইলে অপহরণকারীরা কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার দুর্জয় মোড়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। পরে বিষয়টি র‌্যাবকে জানায় জিতুর বাবা-মা। এর প্রেক্ষিতে র‌্যাবের একটি অভিযানিক দল সোমবার রাত ৯টার দিকে দুর্জয় মোড় থেকে অপহরণকারী দলের সদস্য লোকমান ও ফোরকানকে আটক করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে জিতুকে অপহরণকারীরা ময়মনসিংহে আটকে রেখেছে বলে জানায়।
রাফিউদ্দীন আরও বলেন, মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহ সদরের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়ি থেকে অপহৃত জিতুকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় আরও পাঁচ অপহরণকারীকে আটক করা হয়। এ অপহরণের ঘটনার মূল হোতা চাঁন মিয়া। জিতুকে খরমপুর গ্রাম থেকে চেতনানাশক জুস খাইয়ে ময়মনসিংহে নিয়ে যায় বলে জানায় চাঁন মিয়া।
পুরো অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন র‌্যাব-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার রাফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের ও র‌্যাবের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক চন্দন দেবনাথ।

সাহসিকতা-বীরত্বে পদক পেলেন ৩৪৯ পুলিশ
২০১৮ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ বাহিনীর ৩৪৯ জন সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক- বিপিএম, বিপিএম সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক- পিপিএম ও পিপিএম সেবা পদক দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৪০ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম, ৬২ জনকে পিপিএম এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ১০৪ জন পুলিশকে বিপিএম সেবা এবং ১৪৩ জনকে পিপিএম সেবা পদক প্রদান করা হলো।’
বিপিএম পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল কাহার আকন্দ, সোয়াটের সিনিয়র সহকারী কমিশনার এসএম জাহাঙ্গীর হাছানসহ ৪০ জন।
বিপিএম সেবা পদক পেয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, ডিআইজি আব্দুল বাতেন (ডিবি), যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম , র‌্যাব-১ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম, ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার, নারায়ণগঞ্জের এসপি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, কিশোরগঞ্জের এসপি মাশরুকুর রহমান খালেদ, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকারসহ ১০৪ জন।
পিপিএম পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে র‌্যাব-১৫ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমদ, ডিবির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গোলাম সাকলায়েন, সোয়াটের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহবুব-উর-রশীদসহ ৬২ জন।
পিপিএম সেবা পদক পেয়েছেন এসবির ডিআইজি মাহবুব হোসেন, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহম্মদ, পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, ডিএমপির উত্তরার ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল , রাজবাড়ীর এসপি আসমা সিদ্দিকা মিলিসহ ১৪৩ জন।

সাবেক এমপির গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের ১৫০ রাউন্ড গুলি
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়ার গাড়ি ভাঙচুর করেছে বর্তমান সংসদ সদস্যে সমর্থকরা।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলা বিআরডিবি কার্যালয়ের সামনে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও দেড় শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব আলম সোহাগ জানান, সকালে বিআরডিবি কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা শুরু হয়। সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক আবু সাহেদ সরকার, সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমানসহ উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, সভার শেষ পর্যায়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদুর ইসলাম রোমান বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানের সমর্থকরা একটি মিছিল নিয়ে বর্ধিত সভায় প্রবেশ করে সবাইকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। একপর্যায়ে বর্ধিত সভা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য শামসুল হক ভূঁইয়ার গাড়িসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানের সমর্থকরা।
পুলিশের গুলিতে আহতরা হলেন- উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ, জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিপন, ছাত্রলীগ নেতা রিপন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি একরাম হোসেন ভূঁইয়া, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, রূপসা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী আকবর হাজী, শরিফসহ প্রায় ৩০ জন। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতদের ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগের দাবি- পুলিশ কারও ইন্ধনে বর্ধিত সভায় গুলি চালিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমানের সমর্থক জানান, বর্ধিত সভায় চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযুদ্ধা সাংবাদিক শফিকুর রহমানকে দাওয়াত না দেয়ায় তার সমর্থকরা বর্ধিত সভায় বাধা দিয়েছে। এতে সাবেক সংসদ সদস্য ড. শামসুল হক ভূঁইয়ার কর্মী সমর্থকরা তাদের উপর হামলা করেছে।
চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল বলেন, সংঘর্ষের কারণ আমার জানা নেই। তবে আজকে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে তা আওয়ামী লীগের জন্য লজ্জাজনক। এর চাইতে বেশি কিছু আমি বলতে পারবো না।
এ বিষয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বলেন, ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা চলছিলো। সভায় বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ কারণে তার সমর্থকরা সভাস্থলে গিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়। পুলিশ উভয় পক্ষকে নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।