শুক্রবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯


পুরনো প্রশ্নে বাংলা পরীক্ষা দিলেন ৭৯ পরীক্ষার্থী


আমাদের কুমিল্লা .কম :
02.02.2019

আসমা শাহীন বলেন, ‘বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে জানিয়েছি। এটা কক্ষ পরিদর্শকের ভুল। বিষয়টি হল সুপার বা কেন্দ্র সচিবকে জানানোর কথা থাকলেও কক্ষ পরিদর্শকেরা তা জানায়নি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য বোর্ড এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসকও এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছেন।’

পরীক্ষার্থীদের দাবি, সৃজনশীল অংশের প্রশ্নটি ২০১৮ সালের ছিল। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের কয়েকজন বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানালেও তারা তা আমলে নেননি।

কে. কে. গভ: ইন্সটিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. মনসুর রহমান বলেন, ‘সাংঘাতিক ও মারাত্মক একটি ভুল। এ কারণে পরীক্ষার্থীরা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শকের গাফিলতির কারণে এটা হয়েছে। আমি পরীক্ষার্থীদের কাছে শুনেছি, আমার স্কুলের ৪০ জন শিক্ষার্থী এ ঘটনার শিকার হয়েছে। দুইটা রুমে এই সমস্যা হয়েছে। দুইটা রুমের একটিতে ৪০ জন ও অন্যটিতে ৩৯ জন পরীক্ষার্থী ছিল। ঊধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আমি বিষয়টি অবগত করেছি।’

কেন্দ্র সচিব ও এ. ভি. জে. এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শিউলি আক্তার বলেন, ‘দুইটি কক্ষে এরকম সমস্যা হয়েছে। কে. কে. গভ: ইন্সটিটিউশনের ৪০ জন পরীক্ষার্থী, মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ২০ জন পরীক্ষার্থী ও রামপাল এন বি এম উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯ জন এই পুরনো প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। এটি কক্ষ পরিদর্শকের ভুল। জেলা প্রশাসক তাদের আর ডিউটি দিতে নিষেধ করেছেন।’