বৃহস্পতিবার ২৩ †g ২০১৯
  • প্রচ্ছদ »আজকের পত্রিকার নিউজ » কর্নেল আকবর ও কমান্ডার বাবুল আমাদের খাবার কেড়ে নেয় -ফারুক আহমেদকর্নেল আকবর ও কমান্ডার বাবুল আমাদের খাবার কেড়ে নেয় -ফারুক আহমেদ


কর্নেল আকবর ও কমান্ডার বাবুল আমাদের খাবার কেড়ে নেয় -ফারুক আহমেদকর্নেল আকবর ও কমান্ডার বাবুল আমাদের খাবার কেড়ে নেয় -ফারুক আহমেদ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
08.03.2019

সম্মুখ সমরের মুক্তিযুদ্ধা-৮

শাহাজাদা এমরান ।।
বীরমুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধাকালীন সময়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া যে যুবকটি যুদ্ধের পাশাপাশি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরে এ দেশের তরুণ যোদ্ধাদের জন্য খাবার যোগাড় করেছিলেন, এমন কি কুমিল্লার এক এমপি ও এক এম এল এ যখন সোনামুড়ায় দিকবিদিক ঘুরছিল তখন তাদের তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের সাথে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন যে যুবকটি তিনি হলেন কুমিল্লা নগরীর কাশারীপট্রি এলাকার ফারুক আহমেদ। তিনি তার সোনামুড়ার বন্ধুদের নিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে সীমান্ত এলাকায় একটি ক্যাম্প করে স্থানীয় জনগন থেকে খাবার সংগ্রহ করে ক্যাম্পে মজুদ করে রেখে এ দেশ থেকে যাওয়া তরুণ ছেলেদের ক্যাম্পে রেখে খাওয়া -পোশাকের ব্যবস্থা করে পরবর্তী পর্যায়ে যোগোযোগ করে বিভিন্ন প্রশিক্ষন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিতেন। কর্নেল আকবর হোসেন বীর প্রতীক (পরবর্তী পর্যায়ে মন্ত্রী ও এমপি হন) ও কমান্ডার সফিউল আহমেদ বাবুল তাদের ক্যাম্পে খাদ্য সংকট দেখা দিলে তারা অস্ত্রের মুখেএক সকালে এসে ফারুক আহমেদের ক্যাম্পের সকল খাবার নিয়ে যান।
ফারুক আহমেদ। পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পুলিশ কর্মকর্তা মো.ইদ্রিছ মিয়া এবং মা রেনু বেগম। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তিনি জন্ম গ্রহন করেন কুমিল্লা শহরের কাশারী পট্রিতে। কুমিল্লা ইউছুফ হাই স্কুলে দশম শ্রেনীতে পড়ার সময়ই ছাত্রলীগের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ছাত্রলীগের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামেই একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে অংশ নিয়েছেন তিনি। তাই হাই স্কুলের ছাত্র হলেও দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে ভাল ওয়াকিবহাল ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষন শুনার পরই মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন যুদ্ধে যাওয়ার।
কিভাবে যুদ্ধে গেলেন জানতে চাইলে ফারুক আহমেদ বলেন, ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক কুমিল্লা শহরে আক্রমনের পর ২৬ মার্চ সকাল থেকে নেতৃত্ব শূন্য হয়ে পড়ে শহর কুমিল্লা। নেতাদের না পেয়ে আমি একাই সিদ্ধান্ত নেই ভারত যাওয়ার। কারণ ভারতের সোনামুড়া রয়েছে আমার বিশাল বন্ধু বাহিনী। তখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারতে কোন ক্যাম্প খোলা হয়নি। ২৭ মার্চ সকালে কুমিল্লা পুলিশ লাইনের ৪জন পুলিশকে সাথে নিয়ে কুমিল্লা থেকে রওয়ানা দেই। গোলাবাড়ি সীমান্তে অবস্থিত আবুল হোসেন ভুইয়ার বাড়িতে পুলিশ ৪জনকে রেখে আমি সীমানা পাড় হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া বাজারে যাই। তখন সোনামুড়া ছিল ত্রিপুরার একটি মহাকুমা। সোনামুড়া গিয়ে বন্ধু বাবুল সেন, প্রদীপ সাহা,জহিরুল হক ভুইয়া,তপন চক্রবর্তীর সাথে ৪ পুলিশকে কোথায় কিভাবে রাখা যায় এ বিষয়ে আলাপ করে তাদের নিয়েই বিকালে গোলাবাড়িতে ফিরে আসি। রাত নাগাদ আবার সোনামুড়া গিয়ে ৪ পুলিশকে জহিরদের বাড়িতে রাখি আমরাও থাকি। পরদিন ২৮ মার্চ সকালে যখন সোনামুড়া ঘুরতে ছিলাম হঠাৎ দেখি আমাদের এমপি মীর হোসেন চৌধুরী ও এমএলএ আলী আকবর ভাই সোনামুড়ার জলযোগের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ছাত্র রাজনীতি করার কারনে তারা আমাকে খুব ভালভাবেই চিনে এবং জানে। আমি তাদের দেখেই সালাম দিয়ে জানতে চাইলাম ভাই এখানে যে। তখন মীর হোসেন চৌধুরী বলল, কোথায় যে যাব তাই ভাবছি। সোনামুড়ার ছাত্র থেকে যুব অনেক নেতার সাথেই আমার চেনা জানা ছিল। আমি আমার স্থানীয় বন্ধুদের ডেকে বললাম,তারা দুই জন আমাদের দেশের এমপি,বড় নেতা। তাদের জন্য তো কিছু করতে হবে। তখন সাথে সাথে বন্ধু জহির থানার ওসিকে ফোন করে বিষয়টি জানালে তিনি তাদের থানায় নিয়ে যেতে বললেন। মীরু ভাই ও আলী আকবর ভাইকে নিয়ে আমরাও থানায় যাই। ওসি সাহেব সব কিছু শুনে আমাদের সামনেই এসপিকে ফোন করলেন। পরে এসপি আবার ফোন করলেন এসডিওকে । তখন ত্রিপুরার মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন সচিন্দ্র লাল সিংহ। এসডিও সাহেব মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের সাথে কথা বলে ওসি সাহেবকে বললেন, পূর্ববাংলার এই দুই এমপি ও এমএলএকে পুলিশ প্রটোকশন দিয়ে দ্রুত মূখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য। তখন মীরু ভাই ও আলী আকবর ভাইকে নিয়ে তারা চলে যায়। আমরা থানায় অপেক্ষা করি। পরে তারা ভোর রাতের দিকে ফিরে এলে তাদের নিয়ে সকালে আমরা থানা থেকে থানার পেছনের বাসা বন্ধু বাবুল সেনের বাসায় নিয়ে যাই।
মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য প্রশিক্ষনের বিষয়ে জানতে চাইলে ফারুক আহমেদ বলেন, এপ্রিল মাসের শেষ দিকে কাঠালিয়া ক্যাম্পের দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষনে আমাদের ৪০ থেকে ৪৫ জনকে নেওয়া হয়। এই ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন মেডিকেল কোরের মেজর আক্তার আর আমাদের প্রশিক্ষনের দায়িত্বে ছিলেন আমাদের কোটবাড়িস্থ চাঙ্গিনী গ্রামের সুবেদার নজির আহমেদ ও সুবেদার ইদ্রিস । এখানে একটানা ১৫দিন প্রশিক্ষন গ্রহন করার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে এই ক্যাম্পটি বাতিল করে দেওয়া হয়। পরে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে অধ্যক্ষ আফজল খান এডভোকেট, অধ্যক্ষ আবদুর রউফ,সুবেদার নাজির আহমেদ ও সুবেদার ইদ্রিস,সদর দক্ষিনের বাগমারার আবু তাহের মজুমদার, চৌদ্দগ্রামের মফিজুর রহমান বাবুলসহ আমরা রাধানগর চলে যাই। এখানে ৪/৫ দিন থাকার পর আমি আফজল ভাইকে বলে সোনামুড়া চলে আসি যেখানে রয়েছে আমার অনেক বন্ধু। তখন সারা দেশে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার নারী -পুরুষ শিশু, তরুন ও বৃদ্ধাসহ সকল বয়সের মানুষ আসছে হানাদার বাহিনীর অত্যাচার নির্যাতনে টিকতে না পেরে। আমরা বন্ধুরা মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম,সীমান্ত ঘেষে আমরা একটি ক্যাম্প করব নিজস্ব উদ্যোগে। আমাদের কাজ হবে বাংলাদেশ থেকে যে সকল তরুন এই সীমান্ত দিয়ে আসবে তাদের প্রথমে আমরা আমাদের ক্যাম্পে কয়েকদিন রেখে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য মানুষিক প্রস্তুতি করে তাদের প্রশিক্ষনের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষন ক্যাম্পে পাঠাব নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে। এটা হবে আমাদের একটি ক্যাম্পে পাঠানোর অগ্রবর্তী ক্যাম্প। পরে আমরা সীমান্তবর্তী করাইল্লা মুরা একটা ক্যাম্প করি।
সুনামুড়া যুব কংগ্রেসের সভাপতি রন্দলাল সাহার তামসা বাড়িতে এমপি খোরশেদ আলম,এমএলএ অলি আহমেদ,আবদুর রশিদ ইঞ্জিনিয়ারসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতা থাকতেন। আমাদের দায়িত্ব ছিল এই সকল সিনিয়র নেতাদের দেখভাল করাও। আর আমাদের ক্যাম্পের তরুণদের কয়েকদিন রেখে তাদের কাছে পাঠাতাম তারা তখন প্রশিক্ষনের জন্য বিভিন্ন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিতেন। ইতিহাসে আমার এই ক্যাম্পের কথা না থাকলেও আজ আমি জোড় দিয়ে বলতে পারি স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের প্রতিষ্ঠিত বেসরকারী করাইল্লা মুড়া ক্যাম্পের অবদান ছিল অনেক বেশী।
আমরা আমাদের করাইল্লা মুড়া ক্যাম্পের সামনে সবাই বসে থাকতাম। সাথে সোনামুড়া বাজার ছিল। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মানুষেরা এই বাজার ব্যবহার করত। তারা বাজারে যা কিছু বিক্রি করতে নিয়ে আসতো তাদের কাছ থেকে চেয়ে আমরা কিছু কিছু রেখে দিতাম। যেমন, একজন ব্যক্তি বাজারে মাছ বিক্রি করতে আসলে তার থেকে আমরা মাছ রাখতাম। এমন করে চাল ডালসহ সব আমরা খাবার সংগ্রহ করেছি। আবার বিভিন্ন বাজার থেকেও আমরা খাবার সংগ্রহ করে মজুদ করেছি। এক পর্যায়ে আমাদের ক্যাম্পে অনেক চাল ডালসহ বিভিন্ন খাবার মজুদ হয়ে গেল। অপর দিকে, কর্নেল আকবর হোসেন ও কমান্ডার সফিউল আহমেদ বাবুলদের ক্যাম্পে দেখা দিল খাবার সংকট। তারা হঠাৎ করে একদিন আমাদের ক্যাম্পে এসে আমাদের সব খাবার গাড়িতে ভরে নিয়ে গেল। এর পর আমরা আমাদের ক্যাম্প বন্ধ করে দেই।
প্রথম যুদ্ধের কথা জানতে চাইলে ফারুক আহমেদ বলেন, জুনের শেষ দিকে হবে। আমাদের কাছে খবর এলো , চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা দিয়ে হানাদার বাহিনীর যাতায়াত বেড়ে গেছে। তখন সুবেদার নজির আহমেদের নেতৃত্বে ১২/১৩ জনের একটি বাহিনীকে পাঠানো হয় এ্যামবুশ করার জন্য। আমরা সীমান্ত পাড় হয়ে আমানগন্ডা এ্যামবুশ করে আবার সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে ওপারে চলে যাই। এর কিছু দিন পর মিয়াবাজার সংলগ্ন নোয়াবাজারে একটি ব্রিজ ছিল। হানাদার বাহিনী যাতে চৌদ্দগ্রামের দিকে বেশী যেতে না পারে সেজন্য একদিন ভোর রাতে এসে আমরা মাইন দিয়ে ব্রিজটি উড়িয়ে দেই। এই অপারেশনেও আমাদের কমান্ডার ছিল নজির আহমেদ । আর আমার হাতে ছিল একটি স্টেনগান।
জুলাই মাসের দিকে অধ্যক্ষ আফজল খানকে হাতিমারা ক্যাম্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তখন তিনি ক্যাম্পে যাওয়ার সময় আমাকেও সাথে নিয়ে যায়। বড়মোরা ক্যাম্পের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রফেসর আশরাফকে আর বক্্রনগর ক্যাম্পের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রয়াত অধ্যক্ষ আবদুর রউফ স্যারকে। মাছিমা ক্যাম্পের দায়িত্ব দেওয়া হয় আমান চৌধুরীকে। এই চারটি ক্যাম্পকে সংশ্লিষ্ট জায়গায় থেকে উঠিয়ে নিয়ে বাগমা পদ্য নগরে স্থানান্তর করা হয়। জুলাই থেকে একেবারে ডিসেম্বর পর্যন্ত অধ্যক্ষ আফজল খান আমাকে হাতিমারা ক্যাম্পের রেশমের দায়িত্ব দেখভাল করার দায়িত্ব দেয়।আর ক্যাম্পের লিয়াজো অফিসার অধ্যাপক খোরশেদ আলম স্যার আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন ক্যাম্পে আগত ইপিআর সদস্যদের সংগঠিত করার। খোরশেদ স্যার বললেন, তুমি যেহেতু নিজে ক্যাম্প করে যুবকদের সংগঠিত করতে পেরেছ তাহলে এবার তুমি ইপিআরদের সংগঠিত কর। আবার ফাকে ফাকে বিভিন্ন কমান্ডের সাথে আমি গেরিলা অপারেশনেও যোগ দিতাম।
১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়েছে হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পন করেছে এ কথা কখন শুনলেন জানতে চাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক চৌধুরী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর রাতেই আমরা শুনেছি। তবে দেশ একেবারে স্বাধীন হয়ে গেছে এ কথা শুনি ১৭ ডিসেম্বর সকালে। এ কথা যখন ক্যাম্পের সবাই শুনে গেল যে, হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পন করেছে দেশ স্বাধীন হয়েছে তখন ক্যাম্পের সবাই যে যেভাবে পাড়ছে পালিয়ে দেশে চলে আসছে। আমি বিকালে অধ্যক্ষ আফজল খানকে বললাম, ক্যাম্পতো খালি সবাই চলে গেছে বাংলাদেশে এখন আমি কি করব। আফজল খান বললেন, আমি আর রঊফও কুমিল্লা যাচ্ছি। ক্যাম্পে তো অনেক মাল আছে। তুই আর কিছু দিন থাক।
এ দিকে ১৬ ডিসেম্বর সকালে ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনে হানাদার বাহিনীর হাতে আমার বাবা পুলিশ কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস মিয়া শহীদ হন।
দেশ স্বাধীন হয়েছে এক দিকে বাবা শহিদ হয়ে গেছে আর আমিও দেশে আসছি না মা আমার পাগলের মত হয়ে গেছে। তখন আফজল খান আর আবদুর রউফ আমাদের বাড়ি গিয়ে মা কে বললেন, ফারুক ২/১ দিনের মধ্যে চলে আসবে। ভাল আছে। পরে আমি ২৫ডিসেম্বর দেশে আসি।
মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী জীবন কেমন ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুব খারাপ ছিল। খুব কষ্টে দিন কেটেছে। একটি কাজের জন্য রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি পাইনি। যুদ্ধে বাবা শহীদ হয়েছেন। আর আমি দেশের জন্য সর্বোচ্চ দেয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু স্বাধীন দেশে আমাদের কোন মূল্যায়ন হয়নি।
যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন তা পূরণ হয়েছে কি না জানতে চাইলে ফারুক আহমেদ বলেন, না ভাই দেশের স্বাধীনতা অর্জন ছাড়া আমাদের আর কোন স্বপ্ন পূরণ হয়নি।
আগামীর বাংলাদেশ কে কেমন দেখতে চান জানতে চাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ বলেন, ভাল দেখতে চাই।