রবিবার ২১ জুলাই ২০১৯


সড়কে চাপ রুটির ব্যবসা নিয়ে রেস্তরাঁ মালিকদের ক্ষোভ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
11.03.2019

আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

মাহফুজ নান্টু ।।

গতকাল কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা রেস্তরাঁ মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা বলেন, সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন সড়ক দখল করে চাপ রুটির ব্যবসা করছে এক শ্রেণীর ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ী। তাদের কারণে আমরা সরকারকে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা করে ক্ষতির শিকার হচ্ছি। অন্যদিকে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা সড়ক দখল করে যানজট সৃষ্টি করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন ও ভ্যাট-ট্যাক্সবিহীন ব্যবসা করছে। যা সব দিক থেকে জনসাধারণের জন্য ক্ষতিকর।
জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল ফজল মীর বলেন,সরকারি সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধ পরিকর। আর প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে সরকারি এমন নির্দেশনাকে যথাযথ অনুসরণ করুন। তিনি আরো বলেন, যে সব অফিসারদের উপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হবে তা পালন করতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করবো।
সভায় উপস্থিত সদ্য পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত বর্তমানে কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন জেলার বর্তমান পরিস্থিতির তথ্য উপাত্ত অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা অস্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে কিছু অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নগরীর যানজটের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কামাল উদ্দিন জানান, বিআরটিএ যদি সিএনজি চালিত অটোরিক্সাগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় নিয়ে আসে এবং সিটি কর্পোরেশন যদি অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় তাহলে নগরীতে যানজট শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। অন্যথায় যত যাই করা হউক নগরীতে যানজট হ্রাস করা যাবে না।
এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক মো:আবুল ফজল মীর এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাইওয়ের পুলিশের প্রতিনিধি না থাকায় এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যায় নি।
এদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) কায়জার মোহাম্মদ ফারাবীর সঞ্চালনায় আইনশৃংখলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, এ মার্চ মাসে সরকারি অনেক অনুষ্ঠান হবে। জাতীয় পতাকার সাংবিধানিক ব্যবহার রক্ষায় জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর হবে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান।
সভায় উপস্থিত সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিত শতভাগ করার আহবান জানিয়ে সভার কার্যক্রম শেষ করেন।