সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯


খুঁজে পেতে মাইকিং করে ধর্ষক!


আমাদের কুমিল্লা .কম :
17.03.2019

চৌদ্দগ্রামে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা
                                                                             তাহিদা ইসলাম ইলমা
মাহফুজ নান্টু।।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাহিদা ইসলাম ইলমাকে (৯) ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের ভেতর মাটি চাপা দিয়ে রাখে। পরে ইলমার মরদেহটি পাশ্ববর্তী একটি খালে ফেলে দেয়া হয়। শনিবার খাল থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ইলমার মৃতদেহ পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। ইলমা উপজেলার গজারিয়া গ্রামের ফল ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। এদিকে ইলমাকে খুঁজে পেতে মাইকিং করে ধর্ষক। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই যুবক বাপ্পি ও মিজানকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জ্ঞিাসাবাদে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে ধর্ষক বাপ্পি। বাপ্পি ওই গ্রামের জাকারিয়ার ছেলে ও মিজান আবদুল করিমের ছেলে।

                                                                       জড়িত সন্দেহে দুই যুবক
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইলমার মা হাসিনা বেগম জানান, শুক্রবার স্কুল ছুটি থাকায় দুপুরের ভাত খেয়ে ইলমা তার প্রিয় ভেড়ার ছানাকে দেখতে খালপাড়ে যায়। পরে ইলমাকে না পেয়ে তার স্বজনরা তাকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রতিবেশী যুবক বাপ্পি তার অটোরিকশায় মাইক লাগিয়ে চারদিকে মাইকিং করে ইলমাকে খুঁজতে থাকে। শনিবার সকালে বাপ্পির বাড়ির অদূরে খাল থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ইলমার লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। বাপ্পির বাড়ির নিকট থেকে ইলমার রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়। বাপ্পি আগেও এক মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। স্থানীয়রা বাপ্পিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যা ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। বাপ্পি জানায়, ইলমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে ঘরের ভেতর মাটি চাপা দেয়। ভোররাতে ইলমার লাশটি পাশের খালে ফেলে আসে। এমন লোমহর্ষক ঘটনা শুনে ধর্ষক বাপ্পি ও মিজানের বসতভিটায় আগুন লাগিয়ে দেয় স্থানীয়রা।
চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক (অপরারেশনস) ত্রিনাথ সাহা জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ইলমার রক্তাক্ত পোশাকসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়। উত্তেজিত জনতার হাতে আটক ধর্ষক বাপ্পি ও মিজানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাপ্প্ িধর্ষণ ও খুনের বিষয়টি স্বীকার করে। তবে মিজান সাথে ছিলো বলে জানায়।