বুধবার ২৬ জুন ২০১৯


কুমিল্লায় দুই প্রবাশী শ্রমিকের দাফন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
13.04.2019


স্টিাফ রিপোর্টার।।
মালেয়শিয়ার সেপাং শহরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে নিহত কুমিল্লার দুই শ্রমিকের মরদেহ বাড়িতে এসে পৌঁছায়। জানাযা শেষে তাদের চলছে দাফন করা হয়। শুক্রবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছানোর পর রাত দেড়টায় রাজিব মুন্সি ও মহিন উদ্দিনের লাশের কফিন স্বজনরা বুঝে পায়। এরপর রাতেই কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকারগাঁও গ্রামে রাজিব মুন্সির মরদেহ এবং কুমিল্লার লালমাই উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে মহিন উদ্দিনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজিব মুন্সির মামাতো ভাই জাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিমান থেকে মরদেহ নামানোর পর রাত দেড়টায় আমি রাজিবের মরদেহ বুঝিয়ে পাই। সাথে তার মামা এবং বাবা ছিলেন। এরপর মরদেহ তার বাবার বাড়ি দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকারগাঁও গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ১১টায় সেখানে একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজিবকে তার মামার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস গ্রামে দাফন করা হবে। দাউদকান্দি জানাজা শেষে মরদেহ মামার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার বাদ আসর বরুড়া খোশবাস কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আরেক প্রবাসী মোহাম্মদ মহিন উদ্দিনের মরদেহ কুমিল্লার লালমাই উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে এসে পৌঁছেছে। মহিনের চাচা জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিমান থেকে মরদেহ নামানোর পর তার তাজুল ইসলাম রাত দেড়টায় লাশের কফিন বুঝে পায়। এরপর রাতেই মরদেহ নিয়ে কুমিল্লা রওনা হয়ে সকালে দুর্লভপুর গ্রামে নিয়ে আসে। আজ শনিবার বাদ জোহর দুর্লভপুর গ্রামের উত্তর বড় বাড়িতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য- মালয়েশিয়ার সেপাং শহরে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পাঁচজন বাংলাদেশীসহ ১১ জন শ্রমিক নিহত হন। এদের মধ্যে দুইজন কুমিল্লার। তারা হলেন জেলার লালমাই উপজেলার দুর্লভবপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মহিন (৩৭), দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকারগাঁও গ্রামের মো. ইউনুস মুন্সির ছেলে মো. রাজিব মুন্সি (২৭)।