সোমবার ২৩ †m‡Þ¤^i ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » হাসপাতালের স্টাফকে ৩০ বারের অধিক ধর্ষণ করে মালিক ধর্ষণের পর শরীরে ইনজেকশন পুশ


হাসপাতালের স্টাফকে ৩০ বারের অধিক ধর্ষণ করে মালিক ধর্ষণের পর শরীরে ইনজেকশন পুশ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
11.07.2019


লাকসাম প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার লাকসামে ধর্ষণের অভিযোগে এক ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে র‌্যাব। ওই ভুয়া ডাক্তার লাকসাম শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক। চাকুরি দেয়ার নামে ওই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে সে ধর্ষণ করেছে। বুধবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, কনডমসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ তাকে আটক করে। সে পৌর শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।
কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর নিকট লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারে কর্মরত জোসনা (ছদ্মনাম) চার মাস যাবত হেলথ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলো। ওই হেলথ কেয়ারের মালিক ডাঃ মীর হোসেন চাকুরীর শুরু থেকেই তাকে বিভিন্ন ভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। কিন্তু তিনি চাকুরী রক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের জন্য সবকিছু সহ্য করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে ডাঃ মীর হোসেন তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে। গত চার মাসে সে তাকে ৩০ বারের অধিক ধর্ষণ করে। প্রতিবার ধর্ষণ করার পর সে তার শরীরে অজ্ঞাত একটি ইনজেকশন পুশ করতো। ধর্ষণের পর মীর হোসেন হুমকি দিয়ে বলে, এ কথা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে তাকে চাকুরিচ্যুত করে মিথ্যা মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়। দ্ররিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জক্ষ হওয়ায় তার এ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলেন। কিন্তু দিন দিন তার অত্যাচার বেড়ে চলায় নিরুপায় হয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয় ভাবে জানা যায়, ডাঃ মীর হোসেন একই ভাবে তার চেম্বারে বহু তরুণীকে চাকুরি দেয়ার নাম করে ধর্ষণ করেছে। এছাড়া ভুয়া ডাঃ মীর হোসেনকে কয়েক বার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তার চেম্বার বন্ধ করে দেয়া হয়। কিছু দিন পর আবার সে কৌশলে চেম্বার খুলে তার পুরোনো অপকর্ম শুরু করে।
কুমিল্লা র‌্যাব-১১এর কোম্পানি কমান্ডার প্রণব কুমার জানান, ওই মেয়ের লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমরা লাকসাম ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক মীর হোসেনের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, বিপুল পরিমাণ কন্ডমসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া যায়। সে কোন ডাক্তার নয়। সে চাকুরি দেয়ার নামে এই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। তাকে ও তার চেম্বারে কর্মরত অপর এক মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।