সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » কুমিল্লায় দিনভর আষাঢ়ের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন


কুমিল্লায় দিনভর আষাঢ়ের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন


আমাদের কুমিল্লা .কম :
13.07.2019

 

# খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষদের দূর্ভোগ চরমে
# দ্বিগুন ভাড়ায় গন্তব্য পৌঁছাতে হয় নগরবাসীকে

মাহফুজ নান্টু।
একটু পর পর হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। হঠাৎ করে বাতাসের ঝাপটায় বৃষ্টির পরিমান বাড়ছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু গতকাল শুক্রবার টানা দু দিন এমন হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নগর কুমিল্লার জনজীবন।
তবে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষদের ভোগান্তি চরমে। কাজ না থাকায় ঘরে অপেক্ষায় থাকা স্ত্রী
সন্তানদের নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিন যাপন করছে। আগামী দু দিন এমন বৃষ্টিপাত অব্যহত থাকবে। ফলে বেশ চিন্তায় আছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো।
বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার টানা দু’দিন ধরে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নগরীর ব্যস্ততম এলাকা কান্দিরপাড়ে গিয়ে দেখা যায়, অন্যদিনের চেয়ে অনেক ফাঁকা। শিক্ষার্থীরা ছুটির পর কাক ভেজা হয়ে বাসায় যাচ্ছে। বৃষ্টির কারনে সড়কে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশার পরিমান কম থাকায় প্যাডেল চালিত রিক্সাওয়ালারা বৃষ্টির অযুহাতে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন৷ উপায়ন্তু না দেখে রিক্সাওয়ালাদের চাহিবামাত্র ভাড়া দিয়ে গন্তব্য পৌছাতে দরদাম করছেন লোকজন,পাছে আবার রিকসাটি অন্য কেউ ভাড়া করে ফেলে। হারাতে হয়।
মুরাদনগর উপজেলা থেকে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে আসা আবদুল গফুর জানান, নগরীর শাসনগাছা থেকে ফৌজদারিতে রিকশায় করে আসতে ভাড়া লাগে ২০/২৫ টাকা লাগে। আর সিএনজি চালিত অটোরিকশা লাগে ১০ টাকা।আজ বৃষ্টির অযুহাত দেখিয়ে রিক্সাওয়ালা ২০/২৫ টাকার ভাড়া ৩০/৪০ টাকা হাকাচ্ছেন। না যেয়েও উপায় নেই।
ভোগান্তিতে আছেন নগরীর ফুটপাতে ফেরী করে সংসার চালানো নিম্ন আয়ের মানুষজন।
বেচাকেনা না হওয়ায় খালি হাতেই ফিরতে হয় ঘরে।
এদিকে আষাঢ়ের শেষ সময়ে বৃষ্টিপাত আরো দু দিন স্থায়ী হতে পারে বলে জানান কুমিল্লা আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া। তিনি জানান, বৃষ্টিপাতের মৌসুম এখন তাই যে কোন সময় বৃষ্টিপাত হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। তবে আগামী দু দিন আকাশ ভারি থেকে হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতা থাকতে পারে