শুক্রবার ২৩ অগাস্ট ২০১৯


যে কারনে এ হত্যাকান্ড !


আমাদের কুমিল্লা .কম :
15.07.2019


মাহফুজ নান্টুৃ।।

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তিন নং স্পেশাল কোর্টে হত্যা মামলার হাজিরা দিতে এসে ফারুক নামে এক আসামীর ছুরিকাঘাতে হাসান নামে অপর আসামী নিহত। মনোহরগঞ্জ থানার মামলা নং-১৩, তারিখ- ২৬.০৮.২০১৩, ধারা- ৩০২/৩৪ দ:বি:।
ঘাতক ফারুক লাকসাম উপজেলার শহীদুল্লার ছেলে । এদিকে নিহত হাসান পেশায় রাজমিস্ত্রি । সে একই উপজেলার ওহিদুল্লার ছেলে। সর্ম্পকে উভয়ই মামাতো ফুফাতো ভাই।


সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে হাসানসহ অন্যরা ফারুকের নানাকে হত্যা করে । এ ঘটনায় হাসানের কারনে ফারুককেও ওই হত্যা মামলার আসামী করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মামলার শুনানী চলছিলো। আজ বেলা পৌনে বারোটায় পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আসামী ফারুক ও হাসান কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তিন নং স্পেশাল কোর্টের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস বিচারকি কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। মামলার শুনানী চলাকালে হঠাৎ করেই ছুরি বের করে ঘাতক ফারুক হাসানের উপর চড়াও হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘাতক ফারুক হাসানকে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় ঘাতক ফারুক মামলার আইনজীবী এপিপি এড নুরুল ইসলামের উপরেও চড়াও হয়। পরে পুলিশ এসে ঘাতক ফারুককে ছুরাসহ আটক করে। এদিকে ছুরিকাঘাতে আহত হাসানকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়। এ ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বিচারকেই সামনেই আসামী খুনের ঘটনায় হতবাক হয়ে যায় আদালতে অবস্থান করা আইনজীবী ও অন্যান্যরা।


এপিপি এড.নুরুল ইসলাম বলেন আমি যখন বিজ্ঞ বিচারককে মামলার কার্যক্রম শুরু করার কথা বলি তখন ঘাতক ফারুক হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় আসামী হাসানের উপর চড়াও হয়। আসামী হাসানকে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে। পরে সে আমাকেও হত্যার উদ্দেশ্য ছুরি দিয়ে আঘাত করতে উদ্যত হলে আমার সহকর্মী এড.সোমা আমাকে টানে সরিয়ে দিলে আমি প্রানে বেঁচে যাই।
এদিকে ঘটনার পরেই জেলা পুলিশ সুপার মো: সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ সহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের বেশ কয়েকটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার মো:সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম( বার),পিপিএম বলেন, এ ঘটনায় আমরা বেশ হতবাক হয়েছি। আসামী কিভাবে ছুরি পেলো কিংবা কে আসামীকে ছুরি সরবরাহ করেছে বিষয়টি আমরা গুরত্বের সাথে দেখছি।