শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯


প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
05.08.2019

কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত স্থানীয় দৈনিক ডাক প্রতিদিনের গত ২ আগষ্ট শুক্রবার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংখ্যায় “বুড়িচংয়ে মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ীকে আটকের অভিযোগ পরিবারের” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে আটক কামাল একজন পোল্ট্রি খামারী। সে আটকের আগে মুরগীর চালান পাঠিয়ে দোকানে চা পান করছিলো। বিষয়টি মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমরা অন্তত আড়াই’শ থেকে ৩শ জন স্থানীয় বাসিন্দা দীর্ঘদিন যাবত কামালের অত্যাচারে অতিষ্ট। কামাল কোন ভাবেই ব্যবসায়ী নয়। তার কোন মুরগীর খামারও নেই। কামালের কাজ ছিলো প্রতারণা করা আর প্রতারনার টাকা দিয়ে মাদক সেবন করা।গোয়েন্দা পুলিশের বড় কর্তা সেজে কখনো গোয়েন্দা পুলিশের সোর্স পরিচয়ে এলাকার নিরীহ বাসিন্দাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করতো। এছাড়াও কামাল আন্ত:জেলা ছিনতাই চক্রের অন্যতম হোতা। তার এমন অপকর্মের কারনে শুধু রামপুর ভূইয়া বাড়ি নয় পুরো ভারেল্লা ইউনিয়নের মানুষজন কামালকে এড়িয়ে চলতো।
কামালের বিষয়ে দেবপুর ফাঁড়ির অফিসার্স ইনচার্জ আবু ইউসুফ মো:ফসিউজ্জামান বলেন,কামালের বিরুদ্ধে প্রতারনার অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে কখনো ছিনতাই-কখনো ডাকাতি করতো। সে নিজে মাদক সেবন করেএবং স্থানীয় তরুন যুবকদেরকে সাথে করে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গিয়ে মাদক সেবন করায়।এক পর্যায়ে ওই তরুন যুবকরা যখন মাদকাসক্ত হয়ে যেত তখন কামাল তাদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করতো। চাহিদামত চাঁদার টাকা না পেলে নিজেই আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে অপরিচিত সেজে মোবাইল ফোনে ওইসব মাদকসক্ত তরুন-যুবকদের ধরিয়ে দিতো। আটক কামাল দীর্ঘ দিন ধরে এমন কাজ করছিলো। একটা দূর্বৃত্ত। বুড়িচং খানার অফিসার্স ইনচার্জ আকুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন,কামালের বিরুদ্ধে থানীয় জনসাধারণ অনেক অভিযোগ করেছে। এখন পর্যন্ত তার বিষয়ে কাউকে ভালো বলতে শুনিনি। আর সে কোন পোল্ট্রি খামারী কিংবা ব্যবসায়ী নয়।
দূর্বৃত্ত কামালের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার্স ইনচার্জ মো:মাইন উদ্দিন বলেন, কামালকে কিছুদিন পূর্বে একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে আটক করে আদালতে সোর্পদ করা হয়। সে একটা প্রতারক। সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা উর্পাজন করতো।
কামালের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো:তানভীর সালেহীন ইমন বলেন,কামালের বিষয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া যায়। গোয়েন্দা নজরদারীর সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় তার নিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তার বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের পরে তার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।