শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে রীট আমানের কুমিল্লার বাড়িতে যুবদল নেতারা


ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে রীট আমানের কুমিল্লার বাড়িতে যুবদল নেতারা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
15.09.2019

মাহফুজ নান্টু। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ নিয়ে আদালতে রীটকারী ছাত্রদলের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা সদর উপজেলার বলেশ্বর গ্রামে। সেখানে আমান উল্লাকে খুঁজতে যান কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নেতৃত্বে একদল যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। যুবদল নেতাদের দাবি তারা আমান উল্লাহর অভিমানের কারণ জানতে ওই বাড়িতে যান।
সূত্র জানায়,আমানুল্লাহরা পাঁচ ভাই ও এক বোন। গ্রামের বাড়িতে আমানুল্লাহর বাবা-মা ও দুই ভাবি থাকেন।
আমানুল্লার ভাবী বিলকিছ আক্তার জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা এসে বলে আমানুল্লাহ যেন রীট তুলে নেয়। পরে পুলিশ আসলে ওরা চলে যায়।
ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম জানান, আমানুল্লাহ আমান বিএনপির রাজনীতি করে এতটুকুই জানতাম। কিন্তু আমানুল্লাহ যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা তা আমাদের জানা ছিলো না। পুলিশ থেকে তথ্য পেয়ে বুঝতে পেরেছি ছাত্রদলের কমিটি ঘটনের বিষয়ে আদালতে রীট করার ঘটনায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই তপন কুমার বাগচী জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা আমানুল্লাহর বাড়িতে পৌঁছার আগে যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চলে যায়।
আমানুল্লাহর বাড়িতে যাওয়ার বিষয়ে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু জানান, আমানুল্লাহর বাড়িতে গিয়েছি তিনি বাড়িতে আছেন কি না জানতে। কারণ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তার কোন খবর পাচ্ছিলো না। আমরা চিন্তা করেছি আমানুল্লাহ হয়তো রাগ অভিমানের কারণে রীট করেছেন। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে আমরা তার অভিমানের বিষয়ে জেনে কেন্দ্রে জানাবো। এছাড়া আর কোন উদ্দেশ্য ছিলো না।
উল্লেখ্য, ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ১২ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের ওপর অস্থায়ী স্থগিতাদেশ দেন আদালত। ছাত্রদলের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চতুর্থ সহকারী জজ নুসরাত জাহান বিথি কাউন্সিল স্থগিতের আদেশ দেন। একই আদেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১০ নেতাকে ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থায়ীভাবে কেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন আদালত।