বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » কুমিল্লায় ৩০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়


কুমিল্লায় ৩০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়


আমাদের কুমিল্লা .কম :
17.09.2019

মাহফুজ নান্টু। এক মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। গত একমাস আগেও কুমিল্লার বাজারে খুচরা কেজি প্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে বাজারে এখন এই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে। এ নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ^াস চরমে উঠেছে। খুচরা বাজারের বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে আবারো নতুন পেঁয়াজ আমদানী করা হবে। তাতে আগামী সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে কুমিল্লার রাজগঞ্জ খুচরা বাজারে ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়,অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতা জানেন না কি কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। রাজগঞ্জ বাজারের মুদি দোকানী বেলায়েত হোসেন জানান, আসলে পেঁয়াজের দাম কেন বাড়ছে তার সঠিক কারণ জানি না। এ বিষয়ে ভালো বলতে পারে চকবাজার পাইকারী ব্যবসায়ী ও আড়ৎদাররা।
নগর কুমিল্লায় মুদি মালামালের পাইকার বাজার বলে খ্যাত চকবাজারে ঘুরে পাইকারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবেশী দেশ ভারতে যে পরিমাণ পেয়াজ উৎপাদন হয় এ বছর তার থেকে কম উৎপাদন হওয়ায় দেশটির নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে আর প্রতিবেশী দেশগুলোতে রপ্তানী করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশে ভারত থেকে আমদানী কমে যাওয়ায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে বাংলাদেশে। এতে করে প্রভাব পড়েছে দেশের প্রতিটা খুচরা বাজারে।
চক বাজারের ব্যবসায়ী আমানত উল্লাহ বলেন, ভারতের কয়েকটি রাজ্যে বন্যার কারণে পেঁয়াজ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। নিজেদের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য টন প্রতি ৩শ’ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৮শ’ ৫২ ডলার নির্ধারণ করে দেশটি। এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে হিলি বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি প্রায় বন্ধের পথে।
আমদানি ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির প্রভাব ভালোভাবেই পড়েছে খুচরা বাজারে। কুমিল্লা নিউমাকের্টে পেঁয়াজ কিনতে আসা আবদুল ওয়াহিদ বলেন,এমনিতে পেঁযাজ একটি নিত্যপণ্য। এমন নিত্যপণ্যের দাম যদি পনের দিন কিংবা মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণের চেয়ে বেশী হয়ে তাহলে আমরা কম আয়ের মানুষকে খুব বিপদে পড়তে হয়। শুনেছি আগামী সপ্তাহ দুয়েক বাদে দাম আরো বাড়তে পারে।
এদিকে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কুমিল্লা রাজগঞ্জ দৈনিক বাজারের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজগর বলেন,ভারত থেকে আমদানী করা পেয়াজ দিয়ে বাজারের চাহিদা মিঠে। এমতাবস্থায় ভারতেই যদি পেঁয়াজের সংকট হয় সেখানে স্বাভাবিকভাবে আমাদের দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়বে। তবে আশা করি শীঘ্রই ভারতে পেঁয়াজ উৎপাদন ও রপ্তানি স্বাভাবিক হবে। এতে করে আমাদের দেশের পেঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক হবে।