মঙ্গল্বার ১৯ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস; #৫৭ পর্যটন কেন্দ্রের জন্য ১৫ পুলিশ; #বেহাল সড়কের কারণে রাজস্ব হাড়াচ্ছে সরকার


আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস; #৫৭ পর্যটন কেন্দ্রের জন্য ১৫ পুলিশ; #বেহাল সড়কের কারণে রাজস্ব হাড়াচ্ছে সরকার


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.09.2019

আবু সুফিয়ান রাসেল।। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বপর্যটন দিবস। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে কুমিল্লায়ও পালিত হচ্ছে দিবসটি।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম, চাঁদপুর-বি.বাড়িয়ার মাঝামাঝি কুমিল্লা হওয়ায় পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও ইতিহাস, ঐতিহ্যের লীলাভূমি হিসাবে পরিগণিত করা হয় কুমিল্লাকে। কুমিল্লায় সরকারি ৫৭সহ মোট শতাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। সাথে রয়েছে নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতা। যাতায়াত ব্যবস্থা দীর্ঘ সময় খারাপ থাকার কারণে একদিকে পর্যটক কমছে, অন্যদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। নিরাপত্তা নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ।
ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দেলোয়ার হোসেন অনিক অভিযোগ করেন, কোটবাড়ি এলাকায় পর্যটকদের থেকে অধিকাংশ হোটেলে খাবারের অতিরিক্ত দাম রাখে। মেয়েদের বিরক্ত করে বখাটেরা।
চাঁদপুরের বাসিন্দা শাহিদা আক্তার জানান, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। তাই কোটবাড়ি রোডে যাতায়াত করা যায়। কলেজ থেকে গতবছর গিয়ে অনেক কষ্ট হয়েছে। এবছর আর যাওয়ার ইচ্ছা নেই।
খালেদা-বিল্লাল দম্পত্তি অভিযোগ করেন, কোটবাড়ি এলাকায় ভ্রমণে গেলে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়। এছাড়াও বিশেষ দিবসে ফুল ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়। ২০-৩০ টাকা দামের ফুল দিয়ে একশ টাকা বখশিস দাবি করা হয়।
সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ঐতিহ্য কুমিল্লার পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল মনে করেন, পর্যটন কর্পোরেশনের কুমিল্লায় একটি আঞ্চলিক অফিস প্রয়োজন। এছাড়াও সরকারি ভাবে হোটেল নির্মাণ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি, যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করা প্রয়োজন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুমিল্লা জোন ইনচার্জ জিএম ইমদাদুল হক জানান, সরকারি ভাবে আমরা ৫৭টি কেন্দ্র পরিদর্শনের নির্দেশ রয়েছে। কোটবাড়ি, শালবন বিহার, ময়নামতি, মুক্তিযুদ্ধের সমাধি স্থলসহ বিশেষ বিশেষ স্থানগুলো নিয়মিত টহল দেওয়া হয়। এছাড়া ভিআইপি ও বিদেশি পর্যটকদের সরকারি নিয়মানুযায়ী নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। কুমিল্লা জোন বর্তমান ভাড়া অফিসে কার্যক্রম চলছে। একটি মাইক্রোবাস, একটি মটর সাইকেল, ১ জন নারী সদস্যসহ মোট ১৫ জন জনবল রয়েছে। কুমিল্লার পর্যটন এলাকা যেহেতু অনেক বড় এ হিসাবে অবকাঠামো আরো উন্নত হওয়া প্রয়োজন। জনবল ও অফিসিয়াল সম্পদ আরো বৃদ্ধি করা দরকার।
প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পরিচালক ড. আতিউর রহমান বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলে পর্যটকদের জন্য আরো সুযোগ সুবিধা বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রতœপর্যটনের স্থানগুলোকে আরো সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকারের বাজেট আরো বাড়ানো প্রয়োজন। পর্যটন এলাকায় যেন দূর থেকে আগতরা রাত্রী যাপন করতে পারেন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। বিগত বছর থেকে এবছর শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরে তুলামূল দর্শক কিছুটা কম। কারণ যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই খারাপ, এর কারণে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।