মঙ্গল্বার ১৯ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এপেক্সের জাতীয় সভাপতি বীর নারী আফিয়াকে সংবর্ধিত করে এপেক্স ক্লাব কুমিল্লা প্রশংসনীয় কাজ করেছে


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এপেক্সের জাতীয় সভাপতি বীর নারী আফিয়াকে সংবর্ধিত করে এপেক্স ক্লাব কুমিল্লা প্রশংসনীয় কাজ করেছে


আমাদের কুমিল্লা .কম :
05.10.2019

স্টাফ রিপোর্টার।। এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি এপে.এম এ কাইয়ুম চৌধুরী সংবর্ধিত অতিথি বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা আফিয়া খাতুন চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আফিয়া খাতুনদের মত মায়েদের ভুমিকা ছিল অপরীসিম। তাদের আত্মত্যাগ,ইজ্জ্বত ও রক্তের বিনিময়েই অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা। তিনি বলেন, এই বীর নারীকে সংবর্ধিত করতে পেরে একজন এপেক্সিয়ান হিসেবে নিজকে ধন্য মনে করছি এবং একই সাথে প্রশংসনীয় ও মহত এই কাজটি করার জন্য এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি গতকাল শুক্রবার দুপুরে এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লার আয়োজনে বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা আফিয়া খাতুন চৌধুরীকে দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। কুমিল্লা শহরতলীর রঘুপুরের এইড কুমিল্লা কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লার প্রেসিডেন্ট এপে.শাহাজাদা এমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের অতীত জাতীয় সভাপতি এপে.এড.সৈয়দ নুরুর রহমান,জেলা ৮ এর গর্ভনর এপে.মো. কাইমুল হক,জেলা ৩ এর গর্ভনর এপে.এড.আরশাদুর রহমান রিটু।
অনুষ্ঠানে এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লার সদস্যবৃন্দসহ এপেক্স বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লার পক্ষ থেকে সংবর্ধিত অতিথি বীর নারী আফিয়া খাতুন চৌধুরী ওরফে খঞ্জনী বেগমকে শারী,চাদও,খাদ্য সামগ্রীসহ নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত,নিপিড়িত হন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আফিয়া খাতুন চৌধুরী ওরফে খঞ্জনী। সেই সময়ে নিজের ইজ্জ্বতের বিনিময়ে রক্ষা করেন চৌদ্দগ্রামের সোনাপুর গ্রামের অসংখ্য মা বোনদের। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এলাকার জনগণ গ্রহন করেন নি এই বীর নারীকে। নষ্টা ভ্রষ্টা বলে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেন গ্রামবাসী। ফলে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়ে পথে ঘাটে ভিক্ষাবৃত্তি কওে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন খঞ্জনী। বর্তমানে একেবার চলা ফেলা করতে পারেন না। থাকেন একমাত্র মেয়ে রোকসানার বস্তি ঘরে। সম্প্রতি সরকার তাকে বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।