বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » কুমিল্লায় সম্রাটের গ্রেফতার নিয়ে ধু¤্রজাল দেশজুড়ে হৈ চৈ


কুমিল্লায় সম্রাটের গ্রেফতার নিয়ে ধু¤্রজাল দেশজুড়ে হৈ চৈ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
06.10.2019

শাহাজাদা এমরান।।
চলতি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের দেশ ব্যাপী সমালোচিত আলোচিত ব্যক্তি ও ঢাকা মহানগরের দক্ষিনের যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের কুমিল্লায় গ্রেফতার নিয়ে ধ্রুমজাল সৃষ্টি হয়েছে। কুমিল্লাসহ দেশ ব্যাপী চলছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতুহল। শনিবার দিবাগত রাত ২টার পর থেকে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কুমিল্লার সংবাদকর্মীদের কাছে ফোন আসা শুরু করে যুবলীগ নেতা সম্রাটের গ্রেফতারের খবরটি সঠিক কি না। কিন্তু দায়িত্বশীল কোন পক্ষের বক্তব্য না পাওয়াতে এই খবরের সত্যতা নিয়ে ধ্রুমজাল সৃষ্টি হয়েছে। এবং গ্রেফতার নিয়েও নানা সন্দেহ ও অবিশ্বাস দেখা দিয়েছে জণসাধারনের মধ্যে। চলছে নানা গুজবও। কিন্তুএ বিষয়ে স্থানীয় আলকরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক হেলাল বলেছেন, গস্খামের লোকজন বলেছে, রাতে র‌্যাব গ্রামটি ঘেরাও করে রেখেছিল।
একটি সূত্র থেকে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর কয়েক ঘন্টা অভিযান চালিয়ে র‌্যাব ৭ এর একটি স্পেশাল টীম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কৃঞ্চশ্রীপুর গ্রাম থেকে চলতি ক্যাসিনো বিরোধী আলোচিত সমালোচিত ঢাকা মহানগরের দক্ষিনের যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং গ্রেফতারের পর সাথে সাথেই তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঢাকা দক্ষিনের যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
কিন্তু এ বিষয়ে জানার জন্য র‌্যাব ১১ সিপিসি ২ এর কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার প্রনব কুমার সেল ফোনে অসংখ্যবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, সম্রাটের গেস্খফতারের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।
এ বিষয়ে স্থানীয় আলকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক হেলাল বলেন, আমি লোক মারফত শুনেছি। যেহেতু ইফনিয়নটি আমার । তাই এলাকার লোকজন আমাকে বলেছে, রাতে র‌্যাব গস্খামটি ঘেরাও করে রেখেছিল। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেয়নি। পরে রাতে তাকে নিয়ে গেছে। যেহেতু প্রশাসন থেকে স্বীকার করা হয়নি। তাই এ বিষয়ে আমি আর কি বলব।
এ দিকে কুমিল্লাসহ সারা দেশ থেকেই কৌতুলী মানুষের সংবাদকর্মীদের কাছে ফোন কলের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা ঘটনার সত্যতা জানতে চান। কিন্তু সব জায়গায়তেই ধোঁয়াশা থাকার কারণে সঠিক খবর পাচ্ছে না বলে জানান উৎসুক জনতা।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুর ইসলামকে ফোন করলে তিনিও ফোন রিসিভ করেন নি। ফলে তার বক্তব্যও নেওয়া যায় নি।
জানা যায়. ঢাকা মহানগর যুবলীগের এই প্রভাবশালী নেতা সম্রাট চলমান ক্যাসিনো-জুয়াবিরোধী অভিযানের পর হতেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য দেশের সকল সীমান্তকেও সতর্ক করা হয়েছিল।

এর আগে, গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান যুবলীগের এই প্রভাবশালী নেতার বিষয়ে বলেছেন, আপনারা শিগগিরই দেখবেন। সম্রাট হোক আর যেই হোক, অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনব। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।’