মঙ্গল্বার ১২ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » কুমিল্লায় হামলায় যুবলীগ নেতার হাত বিচ্ছিন্ন ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ সভা


কুমিল্লায় হামলায় যুবলীগ নেতার হাত বিচ্ছিন্ন ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ সভা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
17.10.2019

স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পূর্ববিরোধের জের ধরে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের সাইকচাইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবলীগ নেতা আকতারুজ্জামান সুমন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোবারক উল্লাহর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক ও সাইকচাইল বাজারের ব্যবসাযী। এদিকে সুমনের উপর নৃশংস হামলার ঘটনায় বুধবার প্রতিবাদ সভা করেছে সাইকচাইল বাজার ব্যবসায়ী সমিতি। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান সায়েদুর রহমান দুলাল, প্যানেল চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহফুজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ভেন্ডার, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আলম হিরণ ও সাইকচাইল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মোবারক উল্লাহ।
থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে গত রোববার রাতে সাইকচাইল গ্রামের মোঃ সাদেক আলীর ছেলে রবিউল হোসেন (৩৩), মৃত শামসুল হক মেম্বারের ছেলে কামরুজ্জামান সুজন (৩০), হেদায়েত উল্লাহর ছেলে শাহজাহান সাজু (৪২) ও মৃত নুরুল হকের ছেলে মোঃ সেলিম (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজনকে নিয়ে সুমনের দোকানে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে সুমনের মাথা লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রবিউল হোসেন। আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সুমনের বাম হাতের কব্জি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে সুমন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে আহত সুমনের ভাই, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ভাইয়ের উপর হামলা করা হয়েছে। হামলাকারীরা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জড়িত। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযুক্ত শাহজাহান সাজু বলেন, সুমনের সাথে আমার কোনো পূর্ববিরোধ নেই। ওইদিন ঔষধ কিনতে সাইকচাইল বাজারে গিয়ে দেখি কিরিজ হাতে রবিউল হোসেন চিৎকার-চেঁচামেচি করছে। বাজারের ব্যবসায়ীরাসহ আমরা তাকে থামানোর চেষ্টাও করেছি। এর কিছুক্ষণ পরই শুনতে পাই রবিউল সুমনকে কুপিয়েছে। এদিকে ফোন বন্ধ থাকায় অন্য অভিযুক্তদেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, আহত সুমনের ভাই, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।