মঙ্গল্বার ১২ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » বুড়িচংয়ে শ্বশুর বাড়িতে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু


বুড়িচংয়ে শ্বশুর বাড়িতে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু


আমাদের কুমিল্লা .কম :
24.10.2019

বুড়িচং প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে সোহাগ মিয়া (২৬) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার চান্দিনা উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ সুইলপুর গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে সোহাগ মিয়া ৫ বছর পূর্বে জেলার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের গজারিয়া বাহারীপাড়া গ্রামের সাহেব আলীর মেয়ে শাহীনা আক্তারকে বিয়ে করে। বিয়ের পর তাঁদের সংসারে দুটি ছেলের জন্ম নেয়। উভয় পরিবারের মধ্যে সু-সম্পর্ক ও যাওয়া আসা ছিলো। ১০ দিন পূর্বে নিহত সোহাগের স্ত্রী শাহীনা আক্তার তাঁর বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। নিহত সোহাগ মাছের ব্যবসায় করতো, সে মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রী সন্তানকে দেখতে আসে। সকালে অসুস্থ হয়ে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সোহাগের মৃত্যু হয়।
নিহত সোহাগের স্ত্রীর বরাত দিয়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবু ইউসুফ ফসিউজ্জামান বলেন, রাতে সোহাগের বুকে ব্যথা হলে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আঃ ছামাদ তাঁদের বাড়িতে এসে সোহাগের শরীরের অবস্থা দেখে। বুক ব্যথার কারণে গ্যাস্টিকের ঔষুধ সেকলো খেতে বলে চলে যায়। সকালে সোহাগের শরীরের অবস্থা খারাপ হলে বাড়ির লোকজন তাঁকে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে সোহাগের স্বাস্থ্যের আরো অবনতি দেখা দিলে ডাক্তার তাঁকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। স্বজনরা সোহাগকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত সোহাগের বাবা হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংকের কিস্তির টাকা নিয়ে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সাথে সোহাগের মনোমালিন্য চলে আসছিলো। শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাঁকে হত্যা করেছে।
দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এস আই শাহীন কাদির জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসছি। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে।