মঙ্গল্বার ১২ নভেম্বর ২০১৯


দীপাবলি ও শ্যামাপূজা আজ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.10.2019

স্টাফ রিপোর্টার।। আজ ২৭ অক্টোবর রবিবার হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় আলোর উৎসব দীপাবলি ও শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা।
শিউলি ফোঁটা হেমন্তের ঘনঘোর অমাবস্যায় দীপাবলির আলোকে আজ উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে চারদিক। আলোকের এই ঝর্ণাধারায় সকল অন্ধকার, কালিমা, ধুইয়ে নিজেকে ও পৃথিবীকে আলোকিত করতে জ্বালানো হবে সহস্রদীপ। সনাতনধর্ম মতে, এই মাহেন্দ্রক্ষণে আর্বিভাব মঙ্গলময়ী জননী শ্যামা দেবীর। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আজ যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় মঙ্গলময়ী, শক্তিরূপিনী শ্যামা মায়ের পূর্জাচনা করবেন। একই সঙ্গে মন্দিরে, শ্মশানে ও ঘরে ঘরে তেল দিয়ে সহস্র মাটির প্রদীপ জ্বালানো হয়। তবে শহরাঞ্চলে অনেকে তেলের পরির্বতে মোমবাতি ব্যবহার করেন।
এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের নিমিত্তে দুর্গাপূজার বিজয়ার পরবর্তী অমাবস্যার রাতেই দীপাবলি। আর দীপাবলির রাতেই অনুষ্ঠিত হয় শ্রী শ্রী শ্যামা কালী পূজা। বাংলাদেশে দীপাবলি দিনে কালীপূজা হয়, তাই দীপাবলী আর কালীপূজা একসাথে গাঁথা। অমাবস্যা রজনীর সমস্ত অন্ধকার দূর করে পৃথিবীকে আলোকিত করার অভিপ্রায়ে প্রদীপ প্রজ্বলন। পৃথিবীর সকল অন্ধকারের অমানিশা দূর করতেই এই আয়োজন। অশুভ শক্তির হাত থেকে প্রতিনিয়ত পৃথিবীকে রক্ষা করতেই এই আলোকিত করা। হিন্দুদের বিশ্বাস, এ প্রদীপের আলোক রেখা যদ্দুর অব্দি যায়, ততদূর কোন অশুভ শক্তি আসতে পারবে না। তিনি আরও বলেন- হেমন্তের এই ঘনঘোর অমাবস্যাতিথিতে আজ রবিবার দীপাবলির আলোকে উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে চারদিক। এই মাহেন্দ্র লগ্নে আবির্ভাব ঘটবে মঙ্গলময় জননী কালী দেবীর। মঙ্গল শিখায় হিন্দু গৃহগুলো আলোকিত করে রাখা হবে। আজ সন্ধ্যায় প্রতিটি বাড়িতে, মন্দিরে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে প্রয়াত স্বর্গীয় পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনেরও আত্মার শান্তি কামনা করবেন। স্বামী-সন্তান ও স্বজনরা যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দর থাকতে পারে কল্যাণ কামনায় শ্রী শ্রী শ্যামা মায়ের কাছে প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। কালীপূজাও পালিত হয় অনেকটা দূর্গাপূজার মতো জাঁকজমকে। সন্ধ্যায় দীপাবলি, আতশবাজি ও মঙ্গল শিখা প্রজ্জ্বলন এবং দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিটে শ্যামাকালী পূজা ও অঞ্জলি। এছাড়াও আরতি, ধর্মীয় সঙ্গীতানুষ্ঠান শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হবে।