শুক্রবার ২২ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » কুমিল্লায় বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না:এমপি বাহার


কুমিল্লায় বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না:এমপি বাহার


আমাদের কুমিল্লা .কম :
03.11.2019

স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেছেন,কুমিল্লায় বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না। অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ করার কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পরিকল্পিত নগরীর জন্য সবাইকে নিয়ম মানতে হবে। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) কুমিল্লা কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ভূমিকম্পের ঝুঁকি’ ও ‘কুমিল্লা নগরীর পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর টাউনহলে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো.মনিরুল হক সাক্কু, বাংলাদেশ সেনা ইন্টারন্যাশনাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কুমিল্লার ভিসি প্রফেসর ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) প্রকৌশলী কেএম সালজার হোসেন,অতিথি বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিচালক প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, এশিয়া ফ্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস প্রফেসর ড. প্রকৌশলী এম শামীম জামান বসুনিয়া। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চুয়েট ভিসি প্রফেসর ড.প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ব^বিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মুনাজ আহমেদ নূর, পানি বিশেষজ্ঞ ড.প্রকৌশলী মো. লিয়াকত আলী। সভাপতিত্ব করেন আইইবি কুমিল্লা কেন্দ্রের সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবুল বাশার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইইবি কুমিল্লা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রহমত উল্লাহ কবীর।
সেমিনারে বক্তারা বলেন,কুমিল্লা অঞ্চল ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে নেই। তবে অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের কারণে কম মাত্রার ভূমিকম্পেও বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে। তাই কোড মেনে ভবন নির্মাণ করতে হবে। বিদ্যুত,পানি ও গ্যাস লাইন ভূমিকম্প প্রতিরোধী করে নির্মাণ করতে হবে। এছাড়া এল শেফের ভবন নির্মাণ না করা,নিচে ছোট উপরে বড় আকারের ভবন নির্মাণ না করা, ভবনের উপরের দিকে ভারী বস্তু না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বক্তারা। নগর পরিকল্পনা মাফিক গড়ে তুলতে কুমিল্লা ডেভোলপমেন্ট অথরিটির দাবি জানানো হয়।
পানির বিষয়ে বক্তারা বলেন,কুমিল্লা সিটি কর্পোরশেন চাহিদার মাত্র ২০ভাগ পানি সরবরাহ করতে পারছে। মাটির নিচের পানির ব্যবহার বাড়ছে, এতে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। তাই নদী ও বৃষ্টির পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে।