শনিবার ৮ অগাস্ট ২০২০


নান্দনিক রুপে কুমিল্লা নগর উদ্যান


আমাদের কুমিল্লা .কম :
25.11.2019

স্টাফ রিপোর্টার: ঝলমলে আলোকসজ্জার পাশাপাশি পুন:সংস্কারে নান্দনিক হয়ে উঠেছে কুমিল্লা ধর্মসাগরপাড় নগর উদ্যান। মনোরম পরিবেশের কারণে বেড়েছে দর্শনার্থীর সংখ্যাও। সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর ব্যক্তিগত অর্থায়নে নান্দনিক রুপ পেয়েছে নগর উদ্যান ও ধর্মসাগরপাড়।
নগরীর বাদুরতলা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের পাশ ঘেঁষে ধর্মসাগরে প্রবেশ করলেই মূল ফটকে চোখ পড়বে দেয়ালে দৃষ্টি নন্দন কারুকার্য। একটু এগিয়ে গেলে আরো দেখা পাওয়া যাবে বাহারী নকশার বসার বেঞ্চ। আধুনিক ডিজাইন আর নজরকাড়া রংয়ের এক অপূর্ব মিশেল। ঠিক যেন ছবির মতো।
ধর্মসাগরপাড়ে হাটতে আসা বিল্লাল হোসেন জানান,সংস্কারের পর ধর্মসাগর ও নগর উদ্যান এখন দেখতে ছবির মতন হয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়াতে এসে ভালোই লাগছে। একই কথা জানালো ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ¯œাতকের শিক্ষার্থী আসফা,তুলি ও সানজিদা। ভালো লাগার কথা বলতে গিয়ে তারা জানান,খুবই সুন্দর মনোরম পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে নগর উদ্যানে।
নগর উদ্যানের কাজটি বেশ সুন্দর হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সিটি কর্পোরেশনের ১০নং ওয়ার্ডের কান্সিউলর মো:মন্জুর কাদের মনি। নগর উদ্যানটি তার ওয়ার্ডের অধীনে বলে বেশ তৃপ্তি সহকারে কাউন্সিলর মনি বলেন,এমপি ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ এমন মহতী একটি কাজ করার জন্য। আশা করি মেয়র মহোদয় ভবিষ্যতেও সৃষ্টিশীল কাজের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখে নগরবাসীর জন্য একটি বসবাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলবেন।
জানা যায়, সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর নিজস্ব অর্থায়নে কুমিল্লা নগর উদ্যানের পুন:সংস্কারের কাজটি করেছেন মেসার্স ভুইয়া বিল্ডার্স। ৩টি ভাগে বিভক্ত করা সংস্কার কাজটির জন্য প্রায় ৬২ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। নগর উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ধনে কাজটি করেন কুমিল্লার সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা ইনন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী জোনায়েদ মোস্তফা।
নগর উদ্যানের পুন:সংস্কার কাজটি অত্যন্ত শৈল্পিকতার ছোঁয়া রয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রভাতে নিয়মিত হাটতে আসা মজিবুর রহমান। তিনি জানান,সংস্কারের আগে খুব বিরক্ত লাগতো। এখন সকালে হাটতে আসলে ভালো লাগে।
সকালে হাটতে আসা ঝাউতলা এলাকার গৃহিনী আফরোজা আইরিন জানান,কাজ করার পর নগর উদ্যানটি অনেক সুন্দর হয়েছে। ঢাকা শহরের পার্কগুলোর চেয়ে কোন অংশে কম না কুমিল্লা নগর উদ্যানটি।
নগর উদ্যান পুন:সংস্কারের বিষয়ে সিটি মেয়র মো:মনিরুল হক সাক্কু বলেন,আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিলো কুমিল্লাবাসীর বিনোদনের জন্য একটি প্রথম শ্রেণীর নগর উদ্যান গড়ে তুলি। সে থেকে আমার এ চেষ্টা। এখন বাকী রয়েছে ধর্মসাগরের তিনপাড়ের মধ্যে হাটার রাস্তা (ওয়াকওয়ে) নির্মাণ করা।এ জন্য বিশ্ব ব্যাংক ও জাইকাকে আহবান করা হয়েছে। যে উপযুক্ত তাকেই কাজটি দেয়া হবে।