মঙ্গল্বার ৪ অগাস্ট ২০২০


ভর্তি পরীক্ষা না দিয়ে ১২ তম সাক্ষাৎকারে অনুপস্থিত


আমাদের কুমিল্লা .কম :
30.11.2019

জাহিদুল ইসলাম, কুবিঃ কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ¯œাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই মেধাতালিকায় ১২ তম হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের (কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষায় এক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। জালিয়াতির উদ্দেশ্যে কোন পরীক্ষার্থী বা কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কোন শিক্ষকের অবহেলার কারণে ওই শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকা সত্তে¡ও অন্য উপস্থিত থাকা কোন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে তার রোল লিখে দিতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ইউনিটের দায়িত্বরতরা।
জানা যায়, গত ৮ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ¯œাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষায় একজন আবেদনকারী ছিলেন মেধাতালিকায় ১২ তম হওয়া ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। কেন্দ্রীয় আসন বিন্যাস অনুযায়ী তার পরীক্ষার কেন্দ্র থাকে কোটবাড়ির টিচার্স ট্রেনিং কলেজে। কেন্দ্রের আসন বিন্যাস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার্থীর নাম মো. সাজ্জাতুল ইসলাম, বাবার নাম মো. রেজাউল করিম। ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর ২০৬০৫০। ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার হলে সরবরাহ করা উপস্থিতির তালিকায় স্বাক্ষরের স্থলে সাজ্জাতের স্বাক্ষর নেই। যেখানে তাকে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। তবে গত ১২ নভেম্বর বিশ^বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী তিনি মেধাতালিকায় ১২তম স্থান অধিকার করেছেন। তবে এ বিষয়টি আগ থেকেই জানা ছিল ‘বি’ ইউনিটের সদস্যদের বলে জানান সংশ্লিষ্ট ইউনিটের দায়িত্বরতগণ ।
‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন,‘বিশ^বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রে কোন শিক্ষার্থী ভুলবশত অথবা জালিয়াতির উদ্যেশ্যে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর রোল লিখেছে যা কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের অবহেলার কারণে ঘটতে পারে। এবিষয়টা আমাদের নজরে আসার পর ভাইবাতে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সে ভাইবা দিতেও আসেনি। এখানে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কোন দায় থাকতে পারে না। আমরা নিরাপত্তার স্বার্থেই বিষয়টি কমিটির সদস্যদের মধ্যে গোপন রেখেছি।’
‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহŸায়ক অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন,‘আমরা অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ফলাফল প্রকাশের পরে জানতে পেরেছি। আমরা ইউনিটের সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তার বিষয়টি খতিয়ে দেখি এবং সাক্ষাৎকারের সময় অনুপস্থিত থাকায় তাকে আমরা ধরতে ব্যর্থ হই।’
এ বিষয়ে বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চেীধুরী বলেন,‘বিষয়টি আমি জেনেছি। ইউনিট প্রধান ও কমিটির সদস্যদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’