শুক্রবার ২৪ জানুয়ারী ২০২০


কুমিল্লায় ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনা বাড়ছে: চোরের হদিস নেই


আমাদের কুমিল্লা .কম :
06.12.2019

মাসুদ আলম : কুমিল্লায় ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনা বাড়ছে। এনিয়ে মামলা হয়। টাকা উদ্ধার হয় না, চোরেরও হদিস নেই। চলতি বছরের গত আট মাসে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে কৃষি ব্যাংকের মিয়ার বাজার শাখা, পূবালী ব্যাংক নগরীর কান্দিপাড় শাখার এটিএম বুথ এবং দেবিদ্বারের ধামতী কৃষি ব্যাংকের শাখাসহ তিনটি ব্যাংক শাখায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটে যাওয়া ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনার পর জেলা পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা করলেও ঘটনার সাথে জড়িত আসামিরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
গত মঙ্গলবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে উপজেলার কৃষি ব্যাংক মিয়াবাজার শাখার জানালার গ্রিল কেটে আলমিরার তালা ভেঙ্গে ১১ লাখ ১৫ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির ঘটনায় পরদিন বুধবার বিকেলে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক সাকিব সালেহীন। ১৬ নভেম্বর রাতে পূবালী ব্যাংকের কুমিল্লার প্রধান শাখা কান্দিরপাড় এটিএম বুথের মেশিন থেকে তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা চুরি হয়। অত্যাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে বুথের মেশিন খুলে একজন ব্যক্তি এই টাকা চুরি করে সিসিটিভি’র ফুটেজে সনাক্ত করা হয়। চুরির ঘটনার চারদিন পর কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন শাখার ব্যবস্থাপক মাইনুল ইসলাম। মামলাটি ডিবিতে রয়েছে। কিন্তু ঘটনার ১৫দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কোন আসমিকে গ্রেফতার করতে পারিনি পুলিশ।
এছাড়া চলতি বছরের ২৯ মে রাতে কুমিল্লার দেবিদ্বারে কৃষি ব্যাংকের জানালার গ্রিল কেটে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘটে দেবিদ্বার উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের ধামতী আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কৃষি ব্যাংক শাখায়। এখন পর্যন্ত ওই ঘটনায় কোন আসামি আটক বা চুরি হওয়া টাকা উদ্ধার হয়নি।
ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক শেখ মাহবুব হোসেন জানান, চুরির ঘটনায় দেবিদ্বার থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে বলে সব সময় জানান। তবে এখনও কোন আসামি গ্রেফতার বা চুরি হওয়া টাকা উদ্ধার করতে পারেনি।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ব্যাংকের চুরির বিষয় গুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করছি দ্রæত সফলতা পাবো। এদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকেও আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে মিয়ার বাজারের শাখায় একটি সিসি ক্যামেরাও ছিলো না।