বুধবার ২২ জানুয়ারী ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » দোকানমুক্ত ধর্মসাগরপাড়ে খুশি প্রাত:ভ্রমণকারীরা


দোকানমুক্ত ধর্মসাগরপাড়ে খুশি প্রাত:ভ্রমণকারীরা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
07.12.2019

স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা নগর উদ্যান থেকে দোকান তুলে দেয়ায় খুশি প্রাত:ভ্রমণকারীরা। এতে স্বাচ্ছন্দ্যে তারা হাঁটতে ও ব্যায়াম করতে পারছেন। দোকান উচ্ছেদের পর পুন:সংস্কারে নান্দনিক হয়ে উঠেছে কুমিল্লা ধর্মসাগরপাড় নগর উদ্যান। মনোরম পরিবেশের কারণে বেড়েছে দর্শনার্থীর সংখ্যাও। ধর্মসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোন দিয়ে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে মূল ফটক। মূল ফটক আর দেয়ালে করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন কারুকাজ। একটু এগিয়ে গেলে বাম পাশে দেখা যাবে বাহারী নকশার বসার বেঞ্চ। মাথার উপরে যেন সবুজ ছাতা। নগর উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজটি করেন প্রখ্যাত সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা চৌধুরীর ছেলে চিত্রশিল্পী জুনায়িদ মোস্তফা চৌধুরী।
ধর্মসাগরপাড়ে হাঁটতে আসা শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইকবাল আনোয়ার বলেন, দোকান উচ্ছেদের পর হাঁটার জায়গা প্রশ্বস্ত হয়েছে। এখানে দিঘির চারপাড়ে ওয়াকওয়ে হলে প্রাত:ভ্রমণকারীদের সুবিধা হবে। লেখক এহতেশাম হায়দার চৌধুরী বলেন,নগর উদ্যানের পুন:সংস্কার কাজটিতে শৈল্পিকতার ছোঁয়া রয়েছে। সুর তরঙ্গ টেরাকোটার শিল্পীর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। আরো কিছু কাজ ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়েছে। সৌন্দর্য রক্ষায় সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে নজরদারী করতে হবে। সংস্কারের আগে দোকানের কারণে হাঁটতে বিরক্ত লাগতো। এখন সকালে হাঁটতে ভালো লাগে। এই অবস্থা যেন বিদ্যমান থাকে। নগর উদ্যান পুন:সংস্কারের বিষয়ে সিটি মেয়র মো:মনিরুল হক সাক্কু বলেন,
দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিলো কুমিল্লাবাসীর বিনোদনের জন্য একটি প্রথম শ্রেণীর নগর উদ্যান গড়ে তোলা। সে থেকে সংস্কার কাজ করা হয়। এখন বাকী রয়েছে ধর্মসাগরের তিনপাড়ের মধ্যে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা। এ জন্য বিশ্ব ব্যাংক ও জাইকাকে আহবান করা হয়েছে। যে উপযুক্ত তাকেই কাজটি দেয়া হবে।