বুধবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০


যন্ত্রপাতি ছাড়াই চলছে লঞ্চ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.12.2019

শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর ।। ঘন কুয়াশায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে চাঁদপুরের নৌপথ। অধিকাংশ নৌযানে নেই কুয়াশায় চলাচলে সহায়ক আধুনিক যন্ত্রপাতি। প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।
সর্বশেষ ৬ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে শরীয়তপুরের সুরেশ্বর থেকে আসা এমভি মানিক-৪ এবং ঢাকা থেকে আসা বোগদাদীয়া-১৩ লঞ্চের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিএ’র তথ্য অনুযায়ী, নৌপথে কুয়াশা দেখা দিলে নৌযান থামিয়ে হুইসেল বাজাতে হবে। কোনোভাবেই ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চ চালানো যাবে না। তবে এ নিয়ম মানছে না লঞ্চ চালকরা।
লঞ্চযাত্রীরা জানান, ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই নদীতে ঘন কুয়াশার দেখা দিয়েছে। কয়েক হাত দূরের পথ দেখা যাচ্ছে না। সূর্যের আলোও কুয়াশা ভেদ করতে পারছে না। এতে নদীতে বিভিন্ন চরে আটকা পড়ছে লঞ্চগুলো।
ঢাকা-চাঁদপুর রুটের বোগদাদিয়া-৭ লঞ্চের মাস্টার মো. কলিমুল্লাহ বলেন, প্রতিবছর এ মৌসুমে ঘন কুয়াশার কারণে লঞ্চ চলাচলে সমস্যা হয়। বিশেষ করে রাতে চলাচলের জন্য রাডার প্রয়োজন হয়। কিন্তু চাঁদপুরের অধিকাংশ লঞ্চে রাডারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই।
লঞ্চের সুপারভাইজার আজগর হোসেন জানান, নদীতে কুয়াশার কারণে লঞ্চ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। সঠিক সময়ে লঞ্চ গন্তব্যে পৌঁছতে পারে না। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের।
চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. আবু তাহের খান বলেন, কুয়াশার মধ্যে লঞ্চ চলাচলে আমরা প্রতিনিয়ত সতর্কবার্তা দেই। ঘন কুয়াশায় লঞ্চ নদীতে কিংবা চরে নোঙর করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। লঞ্চের ফিটনেস ও আধুনিক যন্ত্রপাতির বিষয়ে তদারকি করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুর নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, চাঁদপুরে কুয়াশার কারণে এখানো কোনো লঞ্চ সমস্যায় পড়েনি। চালকদের নিয়ম মেনে লঞ্চ চালানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।