সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০


চান্দিনায় শীতবস্ত্র কিনতে ক্রেতাদের ভীড়


আমাদের কুমিল্লা .কম :
29.12.2019

মাসুমুর রহমান মাসুদ, চান্দিনা :  চান্দিনার ফুটপাতে শীতবস্ত্র কিনতে ব্যাপক ভীড় দেখা গেছে। শনিবার সকাল থেকে উত্তরে বাতাসে শীত বেড়েছে। বিকাল ৩টায় সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় নি। টানা ১২দিনের শৈত্যপ্রবাহে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশার সাথে বাতাস থাকায় জুবুথুবু হয়ে পড়েছে শীতার্তরা। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। খুব বেশি বেকায়দায় পড়েছে নি¤œবিত্ত ও শ্রমজীবীরা।
শীত নিবারণে শীতবস্ত্র কিনতে স্বাবলম্বীরা বিভিন্ন অভিজাত শপিং মল ও দোকান-পাটে ভীড় জমালেও নি¤œবিত্তদের ঠিকানা হয় ফুটপাতে। উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে পুরাতন কাপড় নিয়ে বসে থাকা ওইসব ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে ভীড় জমাচ্ছে নি¤œবিত্ত ওই শীতার্ত মানুষগুলো।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই ফুটপাতের ওই ভ্রাম্যমাণ শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে শীতবস্ত্র কিনতে দেখা যাচ্ছে। ফুটপাত থেকে কেউ বা কিনছে নিজের জন্য আবার কেউ বা কিনছে পরিবারের সদস্যদের জন্য। সর্ব নি¤œ ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ওইসব শীতবস্ত্র। বেশি চাহিদা রয়েছে ২০টাকা থেকে দেড়শ টাকা মূল্যের শীতবস্ত্রগুলোর। নি¤œবিত্তদের ক্রয় সাধ্যের মধ্যে থাকায় ওইসব দোকানগুলোতেই ক্রেতাদের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে।
ফুটপাতের ওই ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে কেউবা পলিথিন মেলে আবার কেউবা বাক্সে করে নানা বয়সীদের শীতবস্ত্র বিক্রি করছে।
ভ্রাম্যমাণ ওই দোকানীদের কারও সুর ‘বাইচ্ছা লন, ১শ’ আবার কারও সুর ‘দেইখ্যা লন ২০’ আবার কেউবা বলছেন ‘আগে আইয়েন ভাল পাইবেন’। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে তাদের এমন প্রলাপ চলে দুপুর ১২টা থেকে চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। তাদের এমন সুরে মুখর হয়ে থাকে উপজেলা সদরের মধ্য বাজার এলাকা।
শীতার্ত রিক্সা চালক আলমঙ্গীর জানান, ‘আমি রিক্সা চালাই, কয়েক দিন ধইরা শীত অনেক বেশি। কম টাকা দিয়ে শীতের কাপড় কিনতাছি।’