বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » কুবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ


কুবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
11.03.2020

স্টাফ রিপোর্টার।। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদে ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট অধীনস্থ হাইকোর্ট বিভাগ। উক্ত অনুষদের ডিন নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগ করে এক অধ্যাপকের রিটের প্রেক্ষিতে ৯মার্চ এই স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের দুই বিচারপতির সমন্বিত বেঞ্চ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ডিন নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও তা উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে রিটটি দায়ের করেছেন সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য এবং রসায়ন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমান। রিটের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম এবং মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের কার্যক্রম এবং এই ডিন নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন।
বিভিন্ন অফিস আদেশ ও স্মারক সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রæয়ারি উপাচার্যের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন নিযুক্ত হন পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী।
অধ্যাপক ড. সৈয়দুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘আইন অনুযায়ী কোনও অনুষদে অধ্যাপক থাকলে সেখানে অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই পালাক্রমে ডিন নিযুক্ত হবেন। তাদের উপেক্ষা করে সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ডিন নিয়োগ করা স্পষ্টত আইনের ব্যত্যয়। যা গত টার্মের ডিন নিয়োগেই বিজ্ঞান অনুষদে ঘটেছে, এবার তার পুনারাবৃত্তি হলো।’
রিটকারীর আইনজীবী মো. মুহিব উল্লাহ মারুফ বলেন, ‘আইন অনুযায়ী জনাব সৈয়দুর রহমানের ডিন হওয়ার কথা। কিন্তু তিনি জ্যেষ্ঠ হয়েও ডিন পদ পাননি। তার রিটের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ওই অনুষদের ডিন অফিস ও ডিন নিয়োগের এই প্রক্রিয়ার উপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।’
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহের জানান, ‘আমি মৌখিকভাবে রিট ও নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটি জেনেছি। চিঠি এখনও হাতে পাইনি। পেলে এ ব্যাপারে প্রশাসনিকভাবে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ডিন নিয়োগের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আইনের ব্যত্যয় করে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। আইনে অধ্যাপকের জ্যেষ্ঠতার পাশাপশি বিভিন্ন বিভাগের পালাক্রম বজায় রাখার কথাও বলা আছে। যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি শুধু অধ্যাপকদের জ্যেষ্ঠতার ব্যাপারটিই আমলে নিয়েছেন, বিভাগের পালাক্রমের ব্যাপারটি নেননি।’
ডিন নিয়োগ প্রক্রিয়া ও রিটের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ‘রিটের বিষয়ে জেনেছি। আমরা আইনের ধারা অনুযায়ী ডিন নিযুক্ত করেছি। এ ব্যাপারে কারও দ্বিমত থাকলে তিনি রিট করতে পারেন। ’