শুক্রবার ৪ ডিসেম্বর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » কুমিল্লায় গ্রীষ্মের শুরুতেই অসহনীয় লোড-শেডিং


কুমিল্লায় গ্রীষ্মের শুরুতেই অসহনীয় লোড-শেডিং


আমাদের কুমিল্লা .কম :
03.04.2020

স্টাফ রিপোর্টার।। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে এখন চৈত্রমাস। আর এই গ্রীষ্মের শুরুতেই অসহনীয় লোড শেডিং শুরু হয়েছে কুমিল্লাজুড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু-বৃদ্ধরাই বেশী কষ্ট পাচ্ছে।

কুমিল্লা ঠাকুরপাড়া এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে লোড শেডিং দেখা যাচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বদরুল হুদা জেনু। লোডশেডিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। লোড শেডিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দৈনিক আমাদের কুমিল্লাকে বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের রেসপন্সটা করে অনেক সময় নিয়ে। দেখায় কোথাও ট্রান্সফর্মার নষ্ট হয়েছে। ৩০ মিনিটে বিকল ট্রান্সফার্মার ঠিক করা যাবে। সেখানে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন দুই ঘন্টা পর পৌঁছায়। এছাড়াও আমরা যারা বিদ্যুতের গ্রাহক আমরা অভিযোগ দিতে গেলেও বিড়ম্বনায় পড়ি। একটি টেলিফোন নম্বর দেয়া আছে। সেখানে ফোন বাজতে থাকে কেউ ফোন রিসিভ করে না। এ এক অসহ্য যন্ত্রণা। বিদ্যুৎ বিভাগের কমিটমেন্ট ঠিক করা উচিৎ।
নগরীর ফৌজদারী,চাঁনপুর,ধর্মপুর ছোটরা এলাকায়ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে। এ নিয়ে নগরবাসী চরম বিরক্ত। সাধারণ মানুষজন এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা পাচ্ছে না।
লোডশেডিংয়ে বিরক্ত সাংবাদিক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ বলেন, আমি ধর্মপুর থাকি। আমার এলাকা বিদ্যুৎ বিতরণ-১ এর অধীন। একানে ঘনঘন লোডশেডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গতকাল তিনবার লোড শেডিং ছিলো। তার আগের দিন অর্থ্যাৎ পরশু দিন ৩বার,আজকে বৃহস্পতিবার ২ বার লোড শেডিং ছিলো। এভাবে লোড শেডিং থাকলে হোম কোয়ারেন্টাইন করা অসম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এখন স্কুল বন্ধ। এই সময়ে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ‘আমার ঘর আমার স্কুল’ অনুষ্ঠান দেখতে পারছেনা আমার সন্তানরা। এই দায় কে নেবে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বছর ধরে বিদ্যুৎ সাবস্টেশনগুলো সংস্কারহীন অবস্থায় রয়েছে। যার কারণে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনগুলোতে সমস্যা দেখা দেয় আর ফলাফল স্বরুপ দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকতে হয় নগরবাসীকে।
এদিকে কয়েকদিন ধরে লাকসামসহ বিভিন্ন উপজেলায় ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং চলছে।
কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশরী সানাউল্লাহ বলেন, আসলে লোডশেডিংয়ের বিষয়ে যে সব অভিযোগ রয়েছে তা পুরোপুরি সত্য না। লাইন সংস্কারের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। তাও খুব অল্প সময়ের জন্য। যদি লাইনগুলো সংস্কার না করা হয় তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে লোড শেডিং হবে। সামনে আসছে গ্রীষ্মকাল বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে, এবিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশরী সানাউল্লাহ বলেন,আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইনগুলো ঠিক রাখতে।